ভিজিট করুন নতুন ও স্হায়ী ব্লগ www.alomoy.com, it.alomoy.com

কাদের সিদ্দীকির অপূর্ব ইসলাম প্রেম।

 সূত্রঃ আমারদেশ
শুধু পশুর মতো বেঁচে থাকার জন্য ঈমান আমান সবকিছু কেন বিসর্জন দেব। আওয়াজ উঠেছে, ইসলামী দল বাতিল করতে হবে। কিন্তু হিন্দুর দল থাকবে, খ্রিস্টানদের দল থাকবে—মুসলমানের দেশে মুসলমানের দল থাকবে না—কেমন সব আজব কথা! যারা ধর্মকর্ম মানে না, তারা তাদের মতো থাকুন। যাদের আল্লাহ আছে, রাসুল আছে তাদের কেন এত গালাগাল।

ব্লগার রাজীব মারা গেছে, তার জানাজার যদি দরকার হয় তাহলে কেন একটা পবিত্র স্থানে জানাজা করা হলো না, শাহবাগ চত্বরে কেন? এক নাগাড়ে ১২ দিন জনসমাগম হলে পায়খানা, পেশাব, থু থু ফেলে জায়গা কি নোংরা করা হয়নি? নোংরা জায়গায় নামাজ চলে না। জানাজা কোনো মশকারি নয়, জানাজা নামাজ ফরজে কেফায়া, চার তকবিরের সঙ্গে অনুষ্ঠিত হয়। কোন সে টেডি ইমাম তিন তকবিরে নামাজ শেষ করল? নামাজ পড়বেন অজু করবেন না, ক’জন ওখানে অজু করতে পেরেছিল? নারী-পুরুষ, হিন্দু, মুসলমান একসঙ্গে জানাজা হয়? হয় না। কেন অমন হলো? আপনাদের এত সামর্থ্য, এত ক্ষমতা—জায়গাটা একটু ঝাড়পোছ করে নিতেন, দয়া করে সবাই অজু করে নিতেন। হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানদের জানাজা থেকে আলাদা করতেন। যত আধুনিকই হন পবিত্র ইসলামে পুরুষের পাশে কোনো নারীর অবস্থান অনুমোদন করে না।

তুমুল জোয়ার চলছে, তাই কেউ কথা বলে না। অনেক মুসলমানেরও কেবলা ঠিক নেই, ইমান দুর্বল হয়ে পড়েছে। আমার রাজনৈতিক পিতা বঙ্গবন্ধুর বাড়ির মসজিদের কেবলাও ভুল—উত্তর-পশ্চিমে। যতক্ষণ বেঁচে আছি কেবলা নিয়ে বাঁচব, একচুল নড়চড় হতে দেব না। মুক্তিযুদ্ধের সময় শিয়ালের মতো পালাইনি। বঙ্গবন্ধুর হত্যার পর ইঁদুরের গর্তে লুকাইনি। এত বছর বলে এসেছি, যা খুশি তাই করবেন তা হতে পারে না। আজ জনতা জেগেছে, বাচ্চা ছেলেগুলোকে নষ্ট করতে চাচ্ছেন কেন? ভ্রষ্ট কমিউনিস্টের বাংলাদেশে ঠাঁই হবে না। মাঝেসাজে তারা চমক দেখাতে পারেন।

আল্লাহ-রসুলে বিশ্বাস করেন না আবার জানাজা পড়তে গেলেন কেন? তাও আবার চার তকবিরের জানাজা তিন তকবিরে পড়াতে গেলেন? এজন্য আর কেউ যদি প্রতিবাদ না করে না করুক, আমি প্রতিবাদ করছি, নিন্দা করছি। এত বড় একটা জাগরণ, কিছু লোক তাদের স্বার্থে পরিচালিত করতে চাচ্ছে—এটা হতে দেয়া যায় না।

শাহবাগ থেকে কেন কথা উঠবে আসিফ নজরুল, পিয়াস করীম, মাহমুদুর রহমানকে হত্যা করা হবে—তারা এমন কী করেছেন? সত্য কথা বললে কেন এত আঁতে ঘা লাগবে? ’৭১-এর রাজাকার ও তার দোসররা হত্যা করেছিল, আজও তার বিচারের দাবিতে জনতা সোচ্চার। আপনারা কাউকে সঙ্ঘবদ্ধভাবে হত্যা করলে তার বিচার হবে না? নিশ্চয়ই হবে।

বঙ্গবীর কাদের সিদ্দীকির কিছু সুন্দর কথা

**যতকাল ইসলাম থাকবে ততকাল ইসলামী দল থাকবে

**যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালে মাত্র ৬-৭ জনের বিচার করলেই হবে? সবাই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চায়। তাহলে যুদ্ধাপরাধী তো নিরূপণ করতে হবে। এই ৬-৭ জন নিয়েই তো আর যুদ্ধাপরাধ হয়নি। অন্তত ৬ হাজার অথবা ৬ লাখ তো হবেই। ৬০ লাখ লোকও যদি পাকিস্তানের পক্ষে না থেকে থাকে, তাহলে পাকিস্তান থাকল কী করে

**মাননীয় প্রধানমন্ত্রী রাজীবের বাড়ি গিয়ে বলেছেন, 'এ দেশে জামায়াতের রাজনীতি করার অধিকার নেই।' বিশ্বজিতের বাড়িতে গিয়ে বলতে পারতেন, 'ছাত্রলীগের রাজনীতি করার অধিকার নেই।' আওয়ামী লীগের নেতা হিসেবে কথাটি মানালেও, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মানায় না।

**আওয়াজ উঠেছে, ইসলামী দল বাতিল করতে হবে। কিন্তু হিন্দুর দল থাকবে, খ্রিস্টানদের দল থাকবে, শুধু শতকরা ৯০ জন মুসলমানের দেশে মুসলমানের দল থাকবে না_ কেমন সব আজব কথা!

**মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীরের পক্ষ থেকে উকিল নোটিস পেয়েছি। যুদ্ধাপরাধী বলায় তিনি আমার নামে মামলা করবেন। তিনি সিএসপি পরীক্ষা দিয়ে পাকিস্তান সুপিরিয়র সার্ভিসে যোগ দিয়েছিলেন। সুনামের সঙ্গে পাকিস্তানে চাকরি করেছেন। অনেক তকমা বা প্রশংসা পেয়েছেন। ২৬ মার্চ আমরা যখন মুক্তিযুদ্ধ শুরু করি তখনো তিনি পাকিস্তানি কর্মচারী ছিলেন। স্বাভাবিক কারণেই বাংলাদেশের শত্রু। তার সিনিয়র বা জুনিয়র অনেক সিএসপি জীবন বাজি রেখে মুজিবনগর সরকারের নির্দেশে রণাঙ্গনে ছিলেন। আর মহীউদ্দীন খান আলমগীরসহ যারা পাকিস্তানকে টিকিয়ে রাখতে হানাদার বাহিনী বা পাকিস্তানের আজ্ঞাবহ হিসেবে প্রশাসন চালিয়েছে, যেহেতু পাকিস্তান হেরেছে, সেহেতু পাকিস্তানি অনুগত অফিসারদের দশবার ফাঁসি হওয়া উচিত। সেদিন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অধ্যাপক প্রশ্ন করেছিলেন, আমরা তো জানতাম না মহীউদ্দীন খান আলমগীর পাকিস্তানে চাকরি করেছেন। শুধু চাকরি করেনি, মাস্টারি, ডাক্তারি নয় ডিসিগিরি করেছেন। এখনো যেমন ডিসি-ওসিরা লাঠিয়াল হয়ে সরকার টিকিয়ে রাখার ব্যর্থ চেষ্টা করে, ভদ্রলোক তেমন করেছেন। তাই উকিল নোটিস পেয়ে জানিয়ে দিয়েছি। তিনি যে নিরন্তর পাকিস্তানের হয়ে চাকরি করেছেন, পাকিস্তানের প্রতি অনুগত ছিলেন তার গেজেট-ফেজেট আছে দেখে নিতে পারেন। বাংলাদেশ সরকারের গেজেটেও তার নাম আছে, পূর্ব পাকিস্তান গেজেটেও আছে। কুকর্ম করলে নাম থাকবেই। হানাদারদের পক্ষে রাজাকার হলে যদি ফাঁসি হয়, ডিসি হলে দশবার ফাঁসি হলেও শাস্তি কম হয়। মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকার, আলবদর, আলশামস ছিল সব থেকে ছোট দরের খুনি। ওসি, ডিসি, এসপিরা তো অনেক বড় দরের ঘাতক বা খুনি। আগে মনে হতো আমি যেভাবে যুদ্ধ দেখেছি, অন্যায়-অত্যাচার, খুন-খারাবি সবাই বোধহয় সেভাবেই দেখেছে, এটাই আমার ভুল। মাস্টার, ডাক্তার, কেরানি, ইঞ্জিনিয়ার তারা প্রশাসন চালায় না, তারা চলে। কিন্তু ম্যাজিস্ট্রেটরা প্রশাসন চালান। ছোট ম্যাজিস্ট্রেটের ছোট কাজ, বড় ম্যাজিস্ট্রেটের বড় কাজ। এডিসি, ডিসি র্যাঙ্কের অফিসাররা জেলার পুরো প্রশাসন নিয়ন্ত্রণ করে। কাউকে গ্রেফতার করা, কাউকে মুক্তি দেওয়া তাদের কাজ। চার পয়সার দাম নেই, জেলা সদরে রাজসিংহাসনে বসে মানুষের নিবর্তনমূলক আটকাদেশে সই করে, 'আমি সন্তুষ্ট হইয়া আপনাকে এত দিনের আটক আদেশ দিলাম।' সেই ডিসি পদে মহীউদ্দীন খান আলমগীর ছিলেন। পাকিস্তান হানাদারদের হত্যাযজ্ঞের সঙ্গে তিনি সম্পৃক্ত নন, তো কে সম্পৃক্ত? টাঙ্গাইলে যেমন আশিকুর রহমান ডিসি ছিলেন, তাকে সে সময় গ্রেফতার করা হয়েছিল। পাকিস্তান প্রশাসনের ডিসি যুদ্ধাপরাধীদের ওই সময়ই ফাঁসিতে ঝুলানো উচিত ছিল। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর দয়ায় ওরা বেঁচে গেছে কিন্তু বেশি বাড়লে আল্লাহই তাকে শায়েস্তা করেন। তা না হলে শাহবাগ জাগবে কেন? আমরা পাকিস্তানের দোসর সব যুদ্ধাপরাধীর বিচার চাই। আইনে ফাঁসি হলে হবে আর কোনো খায়খাতির নেই। যারা রাজাকারকে রক্ষা করতে চাইবে তাদেরও বিচার চাই।

**গত ১৪ তারিখ বৃহস্পতিবার ভালোবাসা দিবসে বঙ্গবন্ধুর কবর জিয়ারতে গিয়েছিলাম। ফেরি থেকে নামতেই কয়েকজন বৃদ্ধ হাত চেপে ধরে বলেছিল, 'বাবা, ইসলামী দল নাকি সব বন্ধ হয়ে যাবে। মসজিদে গেলে নাকি বাধা দেবে।' তাজ্জব হয়ে গিয়েছিলাম। শতকরা ৯০ জন মুসলমানের দেশ। আল্লাহর নাম নিতে, মসজিদে যেতেও বাধা হবে, এমন শঙ্কা মানুষের মনে, তাহলে আমরা আছি কোথায়?

**যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের আসামি সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী যে বয়সের, বর্তমান মন্ত্রিসভার সদস্য প্রধানমন্ত্রীর বিয়াই মোশারফ হোসেনও সেই বয়সের। সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর বাবা ফজলুল কাদের চৌধুরী চিটাগাংয়ে শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন। ঠিক তেমনি বৃহত্তর ফরিদপুরের সম্ভ্রান্ত জমিদার নুর মিয়া ফরিদপুর জেলা শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন। শান্তি কমিটির চেয়ারম্যানের ছেলে হিসেবে বাবার প্রতি অনুগত মোশারফ হোসেন যতটা সম্ভব বাবাকে সমর্থন করেছেন, সাহায্য করেছেন। সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীও তার বাবাকে সাহায্য করেছেন। তাহলে শুধু একজনের বিরুদ্ধে মামলা হবে কেন? সবকিছু কেমন যেন সাজানো নাটকের মতো মনে হচ্ছে।

কলাম পড়তে ক্লিক করুন

যেকোন ওয়েবসাইট বা ব্লগ থেকে অডিও বা ভিডিও ডাউনলোড করুন সহজেই

এ পোস্টে মজিলা ফায়ারফক্স ব্যাবহারকারীদের জন্যে যেকোন ওয়েবসাইট বা ব্লগ থেকে অডিও বা ভিডিও সহজেই ডাউনলোড  করার কৌশল বলব। এর মাধ্যমে যেকোন ওয়েবসাইটে যদি কোন অডিও বা ভিডিও থেকে থাকে মজিলার এই অ্যাডঅনটির মাধ্যমে সেটা শনাক্ত হবে এবং ডাউনলোড করে নেওয়া যাবে।
১. এই লিঙ্কে যান
২. Video DownloadHelper  নামক অ্যডঅনটির উপর মাউস ধরে add to firefox-এ ক্লিক করুন। কিছুক্ষণের মধ্যেই ডাউনলোড হয়ে গিয়ে ইনস্টল হবার অপশন আসবে। তখন ইন্সটল দিয়ে ব্রাউজার রিস্টার্ট করুন।
৩.  ‍পুনরায় ব্রাউজার খুললে দেখবেন উপরে বামপাশে একটি ত্রিকোণাকারমত আইকন। স্বাভাবিক অবস্থায় সাদা কালো। কিন্তু যখনই কোন ওয়েবসাইটে অডিও, ভিডিও বা ছবি পাওয়া যাবে তখনই ত্রিকোণটি দুলতে থাকবে। এতে ক্লিক করেই সহজে ডাউনলোড করা যাবে। একাধিক ফাইল থাকবে সবগুলোর লিস্ট দেখা যাবে। ফলে সবগুলো বা যেকোনটা নামানো যাবে। যেমন ছবিতে
 ৪. যেমন ইসলামী সঙ্গীতের এই ব্লগে  গিয়ে একটি সঙ্গীত প্লে করুন। দেখবেন উপরের ছবির ডান পাশের মত ত্রিকোণ দুলতে থাকবে। ব্যাস।

আরবী কিবোর্ড ছাড়াই ব্লগে ও যেকোন ওয়েবপেজে আরবী পোস্ট ও মন্তব্য লিখুন।

যদি আপনি মজিলা ফায়ারফক্স ব্রাউজার ব্যাবহার করেন তাহলে আপনার কোন আরবী কি-বোর্ড না থাকলেও ব্লগে মন্তব্য বা পোস্ট দেবার সময় আরবী টাইপ করতে পারবেন। এজন্যে একটি Add-on ইন্সটল দিতে হবে। এই লিঙ্কে ক্লিক করে Yoolki Arabic Keyboard নামক Add-on টির add to firefox লেখায় ক্লিক করতে হবে। এরপর এটা ডাউনলোড হয়ে ইন্সটল হবার অপশন হবে। ইন্স্টল করে ব্রাউজার রিস্টার্ট করুন (কম্পিউটার রিস্টার্ট নয়- অপশন দেখাবে, সহজেউ বুঝবেন- মানে ব্রাউজার ক্লোজ করে আবার ওপেন করা)।



এবার যেকোন ব্লগে বা সাইটে যেকোন ইনপুট লেখার জায়গায় রাইট-ক্লিক করে "Write Arabic here" -এ ক্লিক করুন। নিচের পপআপটি আসবে।



এবার এখানে কোন ইংরেজি টেক্সট লিখলে তা প্রতি-বর্ণায়ণ (transliteration) হয়ে আরবী হয়ে যাবে। অথবা আরবীতে অনুবাদও করা যাবে।
যেমন আমি লিখেছিলাম ana যা হয়ে গেল انا ।
সমস্যা হলে পপআপের হেলপ দেখতে পারেন। তবে সহজেই বুঝে ফেলার কথা। এছাড়াও এ পৃষ্ঠায় বিস্তারিত নিয়ম কানুন দেখে নিতে পারেন। আমি একটি স্ন্যাপশট দিচ্ছি





ধন্যবাদ। আশা করি কাজে লাগবে।

বাংলাদেশ থেকে সহজেই ইউটিউব ভিজিট করুন আলাদা সফটওয়্যার ছাড়াই

সরকার নিজেদের স্বার্থে ইউটিউব এখনো বন্ধ করে রেখেছে। কিন্তু আমাদের ক্ষতি হচ্ছে। আসুন বাংলাদেশে বসে সহজেই ভিজিট করি। কাজটি একেবারেই সরল।
ব্রাউজার হতে হবে মজিলা ফায়ারফক্স। এই লিঙ্কে গিয়ে ProxTube - Unblock YouTube নামক অ্যাড-অন (Add-ons ) টিতে যান। Add to Firefox এ ক্লিক করুন।


ডাউনলোড হয়ে গেলে নিজেই ইনস্টল হবে। শুধু ইনস্টল নাউ লেখায় ক্লিক করতে হবে।
এবার দেখুন উইন্ডোর উপরে ডানপাশের অংশে একটি মুখের চিহ্ন।


একবার ক্লিক করলে এটা সক্ষমিত হবে। আবার ক্লিক করলে অক্ষম হবে। ভিজিট করতে সক্ষম কার অব্স্থায় ইউটিউবের যেকোন লিঙ্ক পরিদর্শনর করুন। যেমন Click this link...
এটি মাত্র ২ এমবির কাছাকাছি

আরেকটি সমস্যা ও সমাধানঃ
বিভিন্ন ব্লগে বা সাইটে এমবেড করা ভিডিও সরাসরি দেখা যায় না। এক্ষেত্রে এরকম লেখা দেখা যায়-While trying to retrieve the URL: http://www.youtube.com/embed/TUiaE5tN-20?
এবার এখান থেকে http://www.youtube.com/embed/TUiaE5tN-20? অংশ ব্রাউজারের এড্রেসবারে পেস্ট করুন। embed/ মুছে দিয়ে এর জায়গায় watch?v= বসান। অর্থ্যাৎ যদি এমন থাকে-https://www.youtube.com/embed/KSVlocPsrRw
তাহলে হবে এমন
https://www.youtube.com/watch?v=KSVlocPsrRw
এবার এন্টার চেপে সরাসরি ইউটিউবে গিয়ে দেখে আসুন
সিমস্যা হলে বলুন

ইমেইলে গ্রাহক হোন