পর্ব-১ পর্ব-২ পর্ব-৩
ভ্রুণবিদ্যা
ভ্রুণবিদ্যা
কয়েক বছর আগে সৌদি আরবের রিয়াদের কয়েকজন লোক কুরআনের ভ্রুণবিদ্যা (মাতৃগর্ভে মানবশিশুর বৃদ্ধি) -বিষয়ক সবগুলো আয়াত একত্র করলেন। তারা বললেন, “কুরআন যা বলছে সেটা হচ্ছে এটা, এটা কি সঠিক “। মূলত, তাঁরা কুরআনের উপদেশ গ্রহণ করেছিলেন-”যে জানে তাঁকে জিজ্ঞেস করো”। তাঁরা University of
Toronto থেকে একজন ভ্রুণবিদ্যার অধ্যাপকের কাছে গেলেন। আর তিনি ছিলেন অমুসলিম। তাঁর নাম কিথ মুর। ভ্রুণবিদ্যায় তাঁর অনেকগুলো পাঠ্যবই রয়েছে এবং তিনি এ বিষয়ে আর্ন্তজাতিক মানের বিশেষজ্ঞ।
তাঁরা তাঁকে রিয়াদে আমণ্ত্রণ জানালেন এবং বললেন, “আপনার সাবজেক্ট সম্পর্কে কুরআন এটা এটা বলে, এটা কি সঠিক?, আপনি কী বলেন?”
তাঁরা তাঁকে রিয়াদে আমণ্ত্রণ জানালেন এবং বললেন, “আপনার সাবজেক্ট সম্পর্কে কুরআন এটা এটা বলে, এটা কি সঠিক?, আপনি কী বলেন?”
তিনি রিয়াদে থাকাকালিন তাঁরা তাঁকে অনুবাদের ক্ষেত্রে সবরকমের সাহায্য করলেন এবং তাঁর চাহিদামত সহায়তা দিলেন। তিনি যা পেলেন তাতে এতই অভিভূত হলেন যে তিনি তাঁর টেক্সটবই সংস্কার করে ফেললেন। পরে তিনি তার অন্যতম বই ’Before We Are Born...’ এর ২য় সংস্করণের সময় ভ্রুণবিদ্যার ইতিহাস অংশে এমন কিছু তথ্য অর্ন্তভূক্ত করলেন যা ১ম সংস্করণে ছিলনা কারণ তিনি কুরআনে যা পেলেন তা ছিল ঐ সময়ের চেয়ে এগিয়ে এবং যারা কুরআনে বিশ্বাসী তারা এমন কিছু জানে যা অন্যরা জানেনা।
টেলিভিশনের একটা অনুষ্ঠানের জন্যে আমার ড. কিথ মুরের সাক্ষাৎকার নেবার সুযোগ হয়েছিল। আমরা এ ব্যাপারে ব্যাপক আলোচনা করলাম- এটা স্লাইডে (জীববিজ্ঞানে উদ্ভিদ বা প্রাণিদেহের কোষ ব্যাবচ্ছেদ করে ছোট যে স্বচ্ছ কাঁচে রেখে অণুবীক্ষণ যন্ত্রে দেখা হয়-ব্লগার কাম অনুবাদক) পর্যবেক্ষণ করা হয়েছিল ইত্যাদি ইত্যাদি। তিনি বলেন “কুরআন শিশুর বৃদ্ধি সম্পর্কে যা বলছে এগুলোর কিছু কিছু ৩০ বছের আগেও কেউ জানতোনা। তিনি একটা বিষয় বিশেষভাবে বললেন- মানবভ্রূণকে একটা পর্যায়ে ‘জোঁকের মত পিণ্ড (leech-like clot-আলাকাহ) বলে উল্লেখ করাটা তাঁর কাছে নতুন ছিল। কিন্তু তিনি যখন যাচাই করলেন তিনি দেখলেন এটাই সত্যি, তাই তিনি এটা তাঁর বইয়ে যোগ করে দিলেন। তিনি বলেন, “আমি আগে কখনো এটার কথা চিন্তাই করিনি।” তিনি প্রাণিবিদ্যা বিভাগে গিয়ে জোঁকের ছবি দেখতে চাইলেন।তিনি যখন দেখলেন যে সেটা দেখতে ঠিক মানভ্রুণের মতই তখন তিনি তাঁর এক বইয়ে দুটো ছবিই দিয়ে দেবার সিদ্ধান্ত নিলেন।
যদিও উপরের উদাহরণে কুরআনে প্রদত্ত তথ্য-বিশ্লেষণ একজন অমুসলিমকে নিয়ে করা হয়েছিল তবুও এটা যৌক্তিকই ছিল কারণ লোকটি ছিল উক্ত বিষয়ে অন্যতম পারদর্শী। যদি কোন সাধারণ মানুষ বলত যে কুরআনে যা আছে তা সঠিক তাহলে এটাকে অগ্রাহ্যও করা যেত। তবে, উঁচু অবস্থান, সম্মান, মর্যাদা ইত্যাদির কারণে তাঁরা কোন বিষয়ে গবেষণা করে যে সিদ্ধান্তে পৌঁছেন তা হয় সঠিক
0 টি মন্তব্য:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন