ভিজিট করুন নতুন ও স্হায়ী ব্লগ www.alomoy.com, it.alomoy.com
কুরআন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
কুরআন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সরাসরি শুনুন আল কুরআন-আমপারা

ডাউনলোড করতে প্লেয়ারের উপর রাইট ক্লিক করুন ও ক্লিক করুন Save Audio As..

এখানে ক্লিক করেও ডাউনলোড করতে পারেন
সূরা নাবা

সূরা নাজি’আত

সূরা আল-আবাসা

সূরা আত-তাকভীর

সূরা আল-ইনফিতার

সূরা মুতাফ্ফিফিন

সূরা আল-ইনশিকাক

সূরা আল-বুরুজ

সূরা আত তারিক্ব

সূরা আল-আ’লা

সূরা আল-গাশিয়া

সূরা আল ফাজর

সূরা আল বালাদ

সূরা আশ-শামস

সূরা আল লাইল

সূরা আদ দোহা

সূরা আলামনাশরাহ

সূরা আত ত্বীন

সূরা আল আলাক্ব

সূরা আল ক্বাদর

সূরা আল বাইয়্যিনাহ

সূরা যিলযাল

সূরা আল আদিয়াত

সূরা আল ক্বারিয়া

সূরা আত তাকাছুর

সূরা আল আসর

সূরা আল হুমাযাহ

সূরা আল ফিল

সূরা আল ক্বুরাইশ

সূরা আল মাউন

সূরা আল কাউছার

সূরা আল কাফিরুন

সূরা আন নাসর

সূরা আল মাসাদ

সূরা আল ইখলাস

সূরা আল ফালাক্ব

সূরা আননাস

কুরআনের গাণিতিক অলৌকিকতা ;পর্ব-২



#'সাবয়া সামাওয়াত' অর্থ সাত আসমান। কুরআনে এই সাত আসমান কথাটা সাতবারই এসেছে।
#খালকুস সামাওয়াত বা আসমানসমূহের সৃষ্টি কথাটাও এসেছে ৭ বার।
# সাবয়াতু আইয়াম' মানে ৭দিন। একথাও কুরআনে আছে ৭ বার।
#ইয়াওমুন মানে দিন। সমগ্র কুরআনে এ শব্দটি আছে ৩৬৫ বার। বহুবচন আইয়াম মানে দিনসমূহ। এটা এসছে ৩০ বার। আরবী ভাষায় চাঁদ হচ্ছে মাসের সূত্র সূচক। গড়ে বছরের প্রতি মাসে ৩০ দিন। চাঁদের আরবী কামার' যা কুরআনে এসেছে ৩০ বার!!
#শাহরুন মানে মাস। এটা কুরআনে এসেছে ১২ বার।
#সানাতুন' মানে বছর। শব্দটি এসছে ১৯ বার। এখন আমরা জানি মেতনীয় বৃত্ত এর কথা অর্থ্যাৎ প্রতি ১৯ বছর পর পর সূর্য্য ও পৃথিবী একই বৃত্তে অবস্থান করে।

এবার দেখা যাক কিছু বিপরীত শব্দ--
#'দুনিয়া' ও 'আখেরাত' দুটি কথাই কুরআনে সমান সংখ্যায় এসেছে-১১৫ বার।
#ঈমান ও কুফর শব্দ দুটিও এসছে সমানসংখ্যায়-২৫ বার।
#গরম ও ঠান্ডা শব্দ দুটি এসেছে ৫ বার করে অর্থ্যাৎ সমানসংখ্যক।
#'কুল' মানে 'বলো' আর 'কালু' মানে তারা বলে-এ দুটি কথাও এসেছে সমান সংখ্যায়- ৩৩২ বার করে
#মালাকুন বা মালায়িকা মানে ফেরেশতা এবং অপরদিকে  'শয়তান'- দুটোই এসেছে ৮৮ বার।
# 'আল খবিস' মানে অপবিত্র আর আত তাইয়েব মানে পবিত্র। দুটোই এসেছে ৭ বার করে।
#হায়াত বা জীবন এবং মওত বা মৃত্যু দুটিই ১৬ বার করে এসেছে।

**কিছু শব্দের উল্লেখসংখ্যা কম-বেশি বা সমান হওয়া
#ফুজ্জার বা পাপী শব্দটা এসেছে ৩ বার আর আবরার বা পূণ্যবান শব্দটি এসেছে ৬ বার। বা দ্বিগুণ। কারণ সুরা সাবার ৩৭ নং আয়াত বলছে 'এধরণের (পূণ্যবানদের) জন্যেই রয়েছে দ্বিগুণ পুরস্কার।
 # সুরা আলে ইমরানের ৫৯ নং আয়াত বলছে হযরত ঈসা আ. এর উদাহরণ আদম আ. এর মতো। দুজনের নামই কুরআনে ২৫ বার এসেছে।
#কুরআন বলে সুদ ও ব্যাবসা একইরকম নয় (সুরা বাকারা-২৭৫)। সুদ শব্দ এসেছে ৬ বার আর ব্যাবসা ৭ বার।
পাসওয়াড সুরক্ষিত পোস্ট পড়ার পাসওয়ার্ড:  Iloveislam

বিস্ময়কর কুরআন:গ্যারি মিলার; পর্ব-৬; যুলকারনাইনের প্রাচীর আবিষ্কার


অনেকের অনুপ্রেরণায় চালিয়ে যাচ্ছি The amazing Qur'an এর অনুবাদ
তুমি/তোমরা আগে এটা জানতেনা!![এটা বইয়ের একটা অনুচ্ছেদের শিরোনাম-ব্লগার]
নিঃসন্দেহে এটা কুরআনের এমনই এক মনোভঙ্গি যেটা আর কোথাও পাওয়া যাবেনা কুরআন যেভাবে কোন তথ্য দিয়ে এর পাঠককে বলে 'তুমি আগে এটা জানতেনা' এ ব্যাপারটি খুবই হৃদয়গ্রাহী ব্স্তুতই বর্তমানে অন্যকোন ধর্মগ্রন্থই এমন দাবী করেনা বর্তমানে মানুষের কাছে থাকা অন্য সকল প্রাচীন সাহিত্যকর্ম বা ধর্মগ্রন্থ অনেকখানি তথ্য দেয় কিন্তু পাশাপাশি তথ্যের উৎসও উল্লেখ করে দেয়
উদাহরণস্বরূপ, বাইবেলে যখন প্রাচীন ইতিহাসের কথা বলা হয়, বলা হয় যে এই রাজা এখানে বাস করত, ওই রাজা এই যুদ্ধটিতে অংশ নিয়েছে বা আরেকজনের এতজন ছেলে ছিল ইত্যাদি তবুও শর্তারোপ করে বলা হয় যে আরো জানতে হলে অমুক বইটি পড়তে হবে কারণ তথ্যটা সেখান থেকেই নেওয়া এই ধারণার বিপরীতে, কুরআন পাঠককে কোন একটি তথ্য দিয়ে বলে এটা একটা নতুন তথ্য প্রদত্ত তথ্যকে বিশ্লেষণ ও নির্ভুলতা যাচাই করবার পরামর্শতো থাকেই এটাও কৌতুহলোদ্দেীপক যে ১৪০০ বছর আগে এই কৌশলটাকে কোন অমুসলিম চ্যালেন্জ করতে পারেনি প্রকুতপক্ষে মক্কাবাসীরা যারা মুসলিমদের ঘৃণা করত তারা সময় সময় শুনত যে এই ওহী নতুন তথ্য নিয়ে আসার দাবী করছে তবুও তারা কখনো বলতে পারেনি 'না এটা নতুন নয়, আমরা জানি মুহাম্মাদ সা. এটা কোথায় পেয়েছে, আমরা এটা শিক্ষালয়ে জেনেছি' তারা কখনোই এর নির্ভুলতাকে চ্যালেন্জ করতে পারেনি কারণ বাস্তবিকই এটা নতুন ছিল!

কুরআনে প্রদত্ত তথ্যেকে অনুসন্ধানের পরামর্শানুযায়ী (যদিও তথ্যটা নতুন হয়) উমর রা. খলীফা থাকাকালীন একদল মানুষকে বাছাই করে যুলকারনাইনের প্রাচীর খুঁজে বের করতে পাঠালেন কুরআন নাযিলের আগে আরবরা কখনোই এমন কোন প্রাচীরের কথা শুনেনি, কিন্তু কুরআন এটার কথা আলোচনা করায় তারা এটা আবিষ্কার করে ফেলল বাস্তবিকপক্ষে, বর্তমানে রাশিয়ার ডারবেন্ড (Durbend) নামক স্হানে এটি অবস্থিত

বিস্ময়কর কুরআন:গ্যারি মিলা-পর্ব-৫;ড. মুর স্বীকার করলেন কুরআন আল্লাহর বাণী

 পর্ব-৪
 
সন্দেহবাদীদের প্রতিক্রিয়া
ড. মুর clinical embryology এর উপর একটা বইও লিখলেন এবং তিনি কানাডায় (কুরআনে প্রাপ্ত) এ তথ্য প্রকাশ করলে সেখানে একটা হৈচৈ শুরু হলো। কানাডজুড়ে এটা বিভিন্ন পত্রিকার প্রথম পাতার খবর হলো। এর মধ্যে কিছু শিরোনাম ছিল বেশ হাস্যকর। একটা হেডলাইন ছিল এমন-"প্রাচীন প্রার্থনার বইয়ে বিস্ময়কর জিনিস পাওয়া গেলো!!" এ উদাহরণ থেকে স্পষ্ট বিষয়বস্তুটাই তাদের কাছে পরিষ্কার ছিলনা। এমনকি একজন রিপোর্টার ড. মুরকে প্রশ্ন করলেন, " আপনার কি এমন মনে হয়না যে আরবরা এ জিনিসগুলো জেনে থাকতে পারে, ভ্রুণের বর্ণনা, বাহ্যিক বৈশিষ্ট্য, এটার কীভাবে পরিবর্তন ও বৃদ্ধি হয়।তারা বিজ্ঞানী হয়তো ছিলনা, কিন্তু তারা হয়তো মানবদেহ কেটেকুটে ব্যাবচ্ছেদ করে পরীক্ষা চালিয়েছে।" 

অধ্যাপক মুর তখনি তাকে বলে দিলেন যে সে একটা গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট ভুলে যাচ্ছে। যে স্লাইডগুলো দেখানো হয়েছিল এবং যেগুলো ফিল্মে প্রক্ষেপণ করা হয়েছিল তার সবগুলোই অণুবীক্ষণ যন্ত্রের মাধ্যমে পাওয়া। কেউ যদি ১৪০০ বছর আগে ভ্রুণবিদ্যা আবিষ্কারের চেষ্টা করতও তাতে লাভ হতোনা সে এটা দেখতোই পারতোনা। 

 
কুরআনে ভ্রুণের বর্ণনা ও বাহ্যিক বৈশিষ্ট্যের ক্ষেত্রে যে বিষয়গুলো তুলে ধরেছে সেগুলো এখনো খালি চোখে দেখা যায়না, প্রয়োজন হয় মাইক্রোসকোপ বা অণুবীক্ষণযন্ত্রের। যেহেতু অণুবীক্ষণ যন্ত্র আবিষ্কৃত হয়েছে মাত্র ২০০ বছরের কিছু বেশি দিন ধরে ড. মুর বলেন, "সম্ভবত ১৪০০ বছর আগে কারো একটা মাইক্রোসকোপ ছিল এবং সে এটা দিয়ে নির্ভুল গবেষণা চালায় এবং মুহাম্মাদ সা. কে এটা শিখিয়ে দিয়ে তথ্যটা কুরআনে সংযুক্ত করানোর জন্য রাজী করে। পরে সে যন্ত্রটা নষ্ট করে ফেলে চিরকাল এটা গোপন রাখে। আপনার কি এটা বিশ্বাস হয়? হবার কথা নয় যদিনা আপনি কোন প্রমাণ দেখান কারণ এটা একটি অতি অদ্ভূত যুক্তি।"
তখন ড. মুরকে জিজ্ঞেস তরা হলো তাহলে কীভাবে আপনি কুরআনের এই তথ্যকে ব্যাখ্যা করবেন। তিনি উত্তর দিলেন , "এটা তো শুধু ঐশী বাণীই হতে পারে।"

ভূতত্ব

ড. মুরের এজন কলিগ মারশাল জনসন টরেন্টো ইউনিভার্সিটিতে ভূতত্ব নিয়ে বিস্তর গবেষণা-রত। ভ্রুণবিদ্যায় কুরআনের বক্তব্য নির্ভুল শুনে তিনি খুবই আগ্রহান্বিত হলেন। তাই তিনি মুসলিমদের বললেন কুরআনে ভূতত্ব বিষয়ক তথ্যাদি সংগ্রহ করার জন্য। আবারো অনুসন্ধানের পর বিস্মিত হতে হলো। যেহেতু কুরআনে অসংখ্য বিষয়ে আলোচনা এসেছে তাই প্রতিটা নিয়ে অনুসন্ধান চালাতে অনেক সময় লাগবে। এই আলোচনার উদ্দেশ্য পূরণের জন্যে এটা বলাই যথেষ্ট যে কুরআন বিভিন্ন বিষয়ের সুস্পষ্ট ও সংক্ষিপ্ত তথ্য দেয় এবং পাশাপাশি পাঠককে উক্ত বিষয়ের বিশেষজ্ঞদের দ্বারা গবেষণা করিয়ে যাচাই করিয়ে নেবার পরামর্শ দেয়। সুস্পষ্টভাবেই কুরআনকে নির্ভুল হিসেবে পাওয়া গেছে যা দেখা গেল উপরোক্ত উদাহরণদ্বয়ে

পর্ব-৬

বিস্ময়কর কুরআন:গ্যারি মিলার-পর্ব-৪

পর্ব-১ পর্ব-২ পর্ব-৩
ভ্রুণবিদ্যা
কয়েক বছর আগে সৌদি আরবের রিয়াদের কয়েকজন লোক কুরআনের ভ্রুণবিদ্যা (মাতৃগর্ভে মানবশিশুর বৃদ্ধি) -বিষয়ক সবগুলো আয়াত একত্র করলেনতারা বললেন, “কুরআন যা বলছে সেটা হচ্ছে এটাএটা কি সঠিক “। মূলত, তাঁরা কুরআনের উপদেশ গ্রহণ করেছিলেন-”যে জানে তাঁকে জিজ্ঞেস করো”। তাঁরা University of Toronto থেকে একজন ভ্রুণবিদ্যার অধ্যাপকের কাছে গেলেনআর তিনি ছিলেন অমুসলিমতাঁর নাম কিথ মুরভ্রুণবিদ্যায় তাঁর অনেকগুলো পাঠ্যবই রয়েছে এবং তিনি বিষয়ে আর্ন্তজাতিক মানের বিশেষজ্ঞ

কুরআন ডাউনলোড: অনুবাদ, তাফসীর ও অন্যান্য

সম্প্রতি টেকনিক্যাল কারণে আল-কুরআন পৃষ্ঠাটিসহ সবগুলো পৃষ্ঠা আপাত অদৃশ্য হয়ে যাওয়ায় পুনরায় পোস্ট আকারে শেয়ার করছি।

কুরআন এর গুণাবলী বিষয়ক সকল পোস্ট

১. আরবী কুরআন ডাউনলোড করুন
২.কোরআন শরীফ সহজ বাংলা অনুবাদ-হাফেজ মুনীর উদ্দিন আহমদ ( ২৭.৬ মেগা )ডাউনলোড করুন
৩. বাংলা অনুবাদ -প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ মুজিবুর রহমান (২৬.৬ মেগাবাইট) ডাউনলোড করুন

বিস্ময়কর কুরআন:গ্যারি মিলার: পর্ব-৩

পর্ব-১পর্ব-২ 
মিথ্যা প্রমাণের পরীক্ষা (Falsification Test) 
আগামীতে যদি কারো সাথে আপনার ইসলাম নিয়ে তর্ক হয় আর সে যদি বলে তার কাছেই রয়েছে সত্য এবং আপনি অন্ধকারে রয়েছেন তবে আপাতত সব যুক্তি ছেড়ে এ পরামর্শটি গ্রহণ করুন। তাকে প্রশ্ন করুন, “আপনার ধর্মে কি কোন ’মিথ্যা প্রমাণের পরীক্ষা’ (Falsification Test) আছে?, আপনার ধর্মে (আমার মতে যেকোন মতবাদের কথাও বলাও যায় যেমন কমিউনিজম- ব্লগার কাম অনুবাদক) কি এমন কিছু আছে যা আপনাকে ভুল প্রমাণ করবে যদি আমি সেটার অস্তিত্ব দেখাতে পারি”।

বিস্ময়কর কুরআন : গ্যারি মিলার- পর্ব ২


হযরত মুহাম্মাদ সা. ও কুরআন

কেউ যদি ধরে নেয় কুরআন কোন মানবীয় চিন্তার ফল তাহলে সে যে মানব এটা বানিয়েছে তার চিন্তাধারার উপর খানিকটা  বিশ্লেষণ চালাতে চাইবে। সত্যি বলতে কিছু বিশ্বকোষ এবং অনেকগুলো বইয়ে দাবী করা হয়েছে কুরআন মুহাম্মাদ সা. এর  হ্যালুচিনেশন (অলীক কিছু দেখা বা দৃষ্টিভ্রম-hallucinations) এর ফল। এসব দাবী যদি সত্য হতো  কুরআন যদি মুহাম্মাদ সা. এর  মানসিক অস্থিরতার ফল  হতো তবে কুরআনেই সেটার প্রমাণ দেখা যেত। এমন প্রমাণ আছে কি?আছে কি নেই তা জানতে হলে প্রথমেই জানতে হবে ঐ সময়ে তাঁর (মুহাম্মাদ সা.) এর মনে কেমন চিন্তাধারা চলছিল এরপরে দেখতে হবে কুরআনে সেসব চিন্তার প্রতিফলন আছে কিনা।

সবার জানা, মুহাম্মাদ সা. এর খুব কঠিন জীবন পার করেছেন। একজন ছাড়া তাঁর সকল মেয়েই তাঁর পূর্বেই মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর একজন অতিপ্রিয় এবং গুরুত্বপূর্ণ স্ত্রী ছিলেন যাঁর সাথে তিনি অনেক বছর অতিবাহিত করেছিলেন, সেই স্ত্রী তাঁর আগেই নয় শুধু বরং এক অতি সন্ধিক্ষণে ইনতিকাল করেন (হযরত খাদিজা রা.-অনুবাদক)। তিনি এক অতি-গুণান্বিতা  মহিলাই ছিলেন বটে   কারণ প্রথম ওহী আসলে মুহাম্মাদ সা. ভীত অবস্থায় তাঁর কাছে ছুটে যান।

নিশ্চিতভাবে, বর্তমান যুগেও কারো পক্ষে এমন একজন আরবকে খুঁজে পাওয়া দুঃসাধ্য হবে যিনি বলবেন, আমি এত ভয় পেলাম যে বাড়িতে আমার স্ত্রীর কাছে ছুটে গেলাম। আরবদের আচরণ এমন নয়।  তবুও মুহাম্মাদ সা. এমনটি করে যথেষ্ট স্বস্তি পেয়েছিলেন। তাঁর স্ত্রী এমনই প্রভাবশালী ও দৃঢ়মনোবলসম্পন্না ছিলেন।  যদিও মুহাম্মাদ সা. এর মনে যেসব চিন্তাধারা চলত  এগুলো তার উদাহরণ হিসেবে অল্প তবে  আমার যুক্তি প্রমাণের জন্যে যথেষ্ট বলিষ্ঠ।

কুরআনে এ ঘটনাবলির একটিও উল্লেখিত হয়নি- তাঁর সন্তানদের মৃত্যু, তাঁর সুপ্রিয় সঙ্গিনী স্ত্রীর মৃত্যু বা ওহী নাজিলের কারণে তাঁর প্রাথমিক আশঙ্কা  যা তিনি স্ত্রীল সাথে গভীরভাবে ভাগাভাগি করেছিলেন-এগুলোর কোনটিই  নয়। কিন্তু ব্যাপারগুলোতে নিশ্চয়ই  তিনি জীবনভর আঘাত পেয়েছিলেন, জ্বালাতন, দুঃখ ও কষ্ট বোধ করেছিলেন। নিশ্চিতভাবেই, কুরআন যদি তাঁরই মানসিক চিন্তায় সৃষ্টি হতো  তাহলে কুরআনের পাতায় পাতায় অন্যান্য বিষয়ের সাথে সাথে এগুলোও বর্ণিত বা কমপক্ষে উল্লেখিত হতো।

বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে কুরআন

 সত্যিকারভাবেই বৈজ্ঞানকি দৃষ্টিকোণ থেকে কুরআন নিয়ে চিন্তা করা যায় কারণ কুরআন বিশেষভাবে এমন কিছু দিচ্ছে  যা অন্য কোন ধর্মগ্রন্থ  দিচ্ছেনা এবং সাধারণভাবে বললে অন্য কোন ধর্ম ও দিচ্ছেনা। বিজ্ঞানীদের দাবীতো এটাই। মহাবিশ্বের চলনকৌশল ও কার্যকারিতা বিষয়ে বর্তমানে অনেক লোক বিভিন্ন ধারণা ও তত্ব প্রদান করছেন। এ লোকরা সর্বত্রই আছেন। বিজ্ঞানী সম্প্রদায় কিন্তু তাদের কথা শুনতে যাননা। কারণ বিগত শতাব্দীজুড়ে বিজ্ঞানীমহল মিথ্যা প্রমাণের পরীক্ষা (test of falsification)র দাবী জানাচ্ছেন। তারা বলছেন, আপনার কোন তত্ব  থাকলে সেটা দিয়ে আমারেদ বিরক্ত করবার দরকার নেই যদিনা আপনি এমন কোন উপায় বা তত্ব প্রদান করেন যেটা দিয়ে আপনার তত্ব  ভুল কি ঠিক তা যাচাই করা যাবে।  এমন একটা টেস্টের কারণেই গত শতকের শুরুতে বিজ্ঞানী মহল আইনস্টাইনের মত মেনেছিলেন। তিনি একটা নতুন তত্ব নিয়ে এসে বললেন,  আমার মতে মহাবিশ্ব এভাবে কাজ করে আর এই তিন উপায়ে আমি ভুল কিনা তা যাচাই করা যাবে

বিজ্ঞানী মহল তাঁর মতবাদকে পরীক্ষাধীন করে রাখলেন। ছয় বছরের মধ্যেই মতবাদটি তিনটি পরীক্ষাই উতরে গেল। এতেই প্রমাণ হয়না তিনি মহান ছিলেন, বরং প্রমাণ হয় তিনি মনোযোগ আকর্ষণের  উপযুক্ত ছিলেন কারণ তিনি বলেছিলেন, এটা হচ্ছে আমার ধারণা, আপনি আমাকে ভুল প্রমাণ করতে চাইলে এটা বা ওটা করুন।

আর কুরআনেরও ঠিক এটাই আছে- মিথ্যা প্রমাণের পরীক্ষা (falsification tests)। কিছু হচ্ছে পুরানো (এই অর্থে যে সেগুলো ইতোমধ্যেই প্রমাণিত হয়ে গেছে) এবং কিছু (পরীক্ষা) এখনো বিদ্যমান রয়েছে। যদি এই বইটা যা দাবী করছে তা না হয় তাহলে একে ভুল প্রমাণ করতে হলে এটা বা ওটা করতে হবে। প্রকৃত ব্যাপার হলো ১৪০০ বছরেও কেউ এটা বা ওটা
করতে পারেনি। ফলে প্রমাণ হয় কুরআন এখনো সত্য এবং নির্ভুল বলে বিবেচিত হয়।
..চলবে..
আগামী পর্ব: মিথ্যা প্রমাণের পরীক্ষা

বিস্ময়কর কুরআন : গ্যারি মিলার- পর্ব-১

রিভার্ট মুসলিম গ্যারি মিলারের The Amazing Qur’an বইটি আমার কাছে চমৎকার লেগেছে। আমি জানিনা এটার বাংলায় অনুবাদ হয়েছে কিনা। বইটির সৌন্দর্য্যের কথা বিবেচনা করে আমি বইটি সবার সাথে শেয়ার করতে চাই। ইংরেজি সংস্করণ ডাউনলোড করুন। (মিডিয়াফায়ার)তাহলে শুরু করছি। 
বিস্ময়কর কুরআন (The amazing Qur’an)
ড. গ্যারি মিলার (Dr. Gary Miller)
 
কুরআনের প্রতি আবেগসিক্ত ও সন্তুষ্টচিত্ত মুসলিমরাই শুধু কুরআনকে বিস্ময়কর বলেছে তা নয় অমুসলিমরাও কুরআনকে বিস্ময়কর বলে ঘোষণা করেছে। এমনকি যারা ইসলামকে খুব বেশি করে অপছন্দ করে তারাও কুরআনকে এ আখ্যা দিয়েছে। 

ভূমিকা 

যে অমুসলিমরা কুরআনকে একটু ভালোভাবে যাচাই করে দেখে তাদেরকে একটা বিষয় খুবই অবাক করে আর তা হলো কুরআনকে তারা যেমন মনে করে এসছে এটা তেমন নয়। তারা যেটা ধরে নেয় সেটা হচ্ছে এটা হচ্ছে একটা পুরাতন পুস্তক যেটা ১৪০০ বছর আগে আরবের মরুভূমি থেকে এসেছে। আর তাই তারা আশা করে পুস্তকটির আচরণও তেমনটি হবে-অর্থ্যাৎ- মরুভূমির একটা পুরাতন পুস্তক এর মত। কিন্তু পরে তারা দেখে তাদের পূর্ব ধারণার সাথে এর মিল নেই। উপরন্তু বেশিরভাগ লোকই প্রথমেই মনে করে থাকে যেহেতু বইটি মরুভূমি থেকে আবির্ভূত একটা পুরাতন পুস্তক তাই এটার আলোচ্যবিষয় হবে মরুভূমি। হ্যাঁ, কুরআনে মরুভূমির আলোচনাও আছে- এর একটা অংশে মরুভূমির বর্ণনা আছে, তবে সাগরও এটার আলোচ্যবিষয়ে আছে- ঝড়ের সময় সাগর কেমন হয় তার বর্ণনা। 

বণিক জাহাজ (Merchant Marine) 

কয়েক বছর আগে টরেন্টোয় আমরা একজন লোকের কথা জেনেছি যে বণিক জাহাজে (merchant marine) কাজ করত এবং এতেই জীবিকা নির্বাহ করত। তাকে একজন মুসলিম কুরআনের একটি অনুবাদ দিল পড়ার জন্যে। ঐ নাবিক ইসলামের ইতিহাস সম্বন্ধে কিছুই জানতনা, কিন্তু আগ্রহ নিয়ে কুরআন পড়ল। সে পড়া শেষ করে উক্ত মুসলিমের কাছে বইটা ফিরিয়ে দেবার সময় জিজ্ঞেস করল ,“এই মুহাম্মাদ (সাঃ) লোকটা কি কোন নাবিক ছিল?” কুরআন কি নিঁখুতভাবে সমুদ্রের ঝড়ের বর্ণনা দিয়েছে তা দেখে সে খুবই মুগ্ধ হয়েছিল। যখন তাকে বলা হলো ,“ না, মুহাম্মাদ সা. তো বাস করতেন মরুভূমিতে”, এ কথাই তার জন্যে যথেষ্ট হলো। সে তৎক্ষণাৎ ইসলাম কবুল করল। 

কুরআনের বর্ণনায় সে এতটা মুগ্ধ হবার কারণ সে সমুদ্রে ঝড়ের সময়েও ছিল এবং সে জানত যে ঐ বর্ণনাটা যে লিখেছে সেও অবশ্যই ঝড়ের সময়ে সমুদ্রে ছিল। “তরঙ্গের উপর তরঙ্গ, যার উপরে ঘন কালো মেঘ” (সুরা আন নূর,২৪:৪০) কথাটি এমন কারো দ্বারা লেখা হয়নি যে সমুদ্রে ঝড় কেমন হতে পারে তার একটা কল্পনা মনে এঁকেছে বরং এটা এমন কেউ লিখেছে যে সত্যিই জানে সমুদ্রবক্ষে ঝড়ের রূপ কেমন। কুরআন যে স্থান ও কালের বন্ধনে আবদ্ধ নয় এটা তারই একটা উদাহরণ। নিশ্চিতভাবেই কুরআনে বিধৃত বৈজ্ঞানিক ধারণাবলি ১৪০০ বছর আগে মরুভূমি থেকে আবির্ভূত হয়েছে বলে মনে হবার কারণ নেই। 

ক্ষুদ্রতর জিনিস (The Smallest Thing) 

মুহাম্মাদ সা. এর নবুওয়্যাত প্রাপ্তির অনেক শতাব্দী আগে গ্রীক দার্শনিক ডেমোক্রিটাস প্রস্তাবিত “পরমাণুবাদ” (theory of atomism) নামে সুপরিচিত একটি তত্ত বিদ্যমান ছিল। সে এবং তার পরবর্তীতে মানুষ মনে করত পদার্থ পরমাণু নামে এক ক্ষুদ্র, অবিনশ্বর ও অবিভাজ্য কণা দ্বারা গঠিত। আরবদের ধারণাও অভিন্ন ছিল। এছাড়াও আরবী শব্দ ‘যাররা’ ( ذَرَّةٍ ) বলতে সাধারণত মানুষের জানা সবচেয়ে ছোট বস্তুকেই বোঝানো হতো। বর্তমানে আধুনিক বিজ্ঞান আবিষ্কার করেছে যে পদার্থের ক্ষুদ্রতম একককেও (অর্থ্যা ৎ পরমাণু-উপাদান হিসেবে যাতে সকল অভিন্ন বৈশিষ্ট্য বজায় থাকে) তার উপাদান-বস্তুতে ভাঙ্গা যায় । এটা একটা নতুন ধারণা যা গত শতকে বিকাশ লাভ করেছে। তবুও মজার ব্যাপার হচ্ছে কুরআন আগেই এ কথার সপক্ষে বলে গেছে। 

সুরা সাবা ( ৩৪:৩ )

وَقَالَ الَّذِينَ كَفَرُوا لَا تَأْتِينَا السَّاعَةُ ۖ قُلْ بَلَىٰ وَرَبِّي لَتَأْتِيَنَّكُمْ عَالِمِ الْغَيْبِ ۖ لَا يَعْزُبُ عَنْهُ مِثْقَالُ ذَرَّةٍ فِي السَّمَاوَاتِ وَلَا فِي الْأَرْضِ وَلَا أَصْغَرُ مِن ذَٰلِكَ وَلَا أَكْبَرُ إِلَّا فِي كِتَابٍ مُّبِينٍ 

কাফেররা বলে আমাদের উপর কেয়ামত আসবে না। বলুন কেন আসবে না? আমার পালনকর্তার শপথ-অবশ্যই আসবে। তিনি অদৃশ্য সম্পর্কে জ্ঞাত। নভোমন্ডলে ও ভূ-মন্ডলে তাঁর আগোচরে নয় অণু পরিমাণ কিছু, না তদপেক্ষা ক্ষুদ্র এবং না বৃহৎ-সমস্তই আছে সুস্পষ্ট কিতাবে। 

নি:সন্দেহে ১৪০০ শতক আগে এমনকি একজন আরবের কাছেও কথাটি অদ্ভূত ঠেকত। তার কাছে ‘যাররা’ ( ذَرَّةٍ ) মানে ছিল বিরাজিত ক্ষুদ্রতম কণা। এটা প্রকৃতই প্রমাণ করে কুরআন পুরাতন বা সেকেলে নয়। 

মধু (Honey) 

কেউ ‘পুরাতন বইটি’ তে পাওয়া যেতে পারে বলে মনে করতে পারে এমন আরেকটি উদাহরণ হচ্ছে কুরআনে আলোচিত চিকিৎসা বা প্রতিকার সেকেলে হওয়া। বিভিন্ন ঐতিহাসিক সূত্রে জানা যায় যে নবী করীম সা. স্বাস্হ্যবিধি সম্পর্কে বেশকিছু পরামর্শ দিয়েছিলেন। এ সত্বেও এসব উপদেশের বেশিরভাগই কুরআনে বর্ণিত হয়নি। প্রথমদৃষ্টিতে অমুসলিমদের কাছে মনে হবে এগুলো অবহেলায় বাদ পড়েছে। তারা বুঝতে পারেনা কেন আল্লাহ এমন সহায়ক তথ্য কুরআনে অর্ন্তভূক্ত করবেননা। কোন কোন মুসলিম নিম্নোক্ত যুক্তি দ্বারা এ অনুপস্হিতি ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করে: 

যদিও নবী সা. এর উপদেশ তাঁর সময়কালের জন্যে উপযুক্ত ও প্রয়োগযোগ্য ছিল, আল্লাহ তাঁর অসীম জ্ঞানে জানতেন যে পরবর্তীতে চিকিৎসা ব্যাবস্থা এবং বৈজ্ঞানিক উৎকর্ষের ফলে নবীর (সা.) কথা সেকেলে মনে হবে। পরবর্তী আবিষ্কারের ফলে মানুষ বলতে পারত নবী সা. যে তথ্যটা দিয়েছিলেন এটা তার সাথে মিলছেনা। কিন্তু আল্লাহ যেহতেু অমুসলিমদের কুরআনে নিজের সাথে বা হাদিসের সাথে বৈপরিত্য আছে এটা দাবী করবার সুযোগ দেবেননা তাই তিনি কুরআনে শুধু সেই তথ্যই সন্নিবেশ করেছেন যা সময়ের পরীক্ষায় উর্ত্তীর্ণ হতে পারে। যখন কেউ কুরআনের সত্যিকার বাস্তবতাকে ঐশী ওহীর আলোকে পরীক্ষা করে দেখে পুরো ব্যাপারটা তখন দ্রুতই সঠিক দৃষ্টিকোণ থেকে ধরা পড়ে এবং এ ধরণের যুক্তিপ্রদর্শনের অসারতা সুস্পষ্ট ও বোধগম্য হয়ে যায়। 

এটা অবশ্যই বুঝতে হবে কুরআন ঐশী কিতাব আর এর সব তথ্য বস্তুতই খোদায়ী উৎস থেকে নির্গত। আল্লাহ নিজের পক্ষ থেকেই কুরআন নাজিল করেছেন। এটা আল্লাহর এমন বাণী যা সৃষ্টির পূর্বেও বিদ্যমান ছিল। অতএব এতে আর কিছুই যোজন, বিয়োজন বা পরিবর্তন করা যাবেনা। সারকথায়, কুরআন মুহাম্মাদ সা. এর সৃষ্টিরও আগেই পুঙ্খানুপুঙ্খ রুপে বিদ্যমান ছিল। ফলে এতে কোনভাবেই নবী সা. এর কোন কথা বা পরামর্শ থাকতে পারেনা। এমন কিছু থাকলে সেটা কুরআন নাজিলের উদ্দেশ্যের সাথে সাংঘর্ষিক হতো, এর স্বকীয়তার সাথে আপোষ হতো এবং এটা আসমানী কিতাব হিসেবে হতো ত্রুটিযুক্ত। 

স্বাভাববিকভাবেই কুরআনে এমন কোন ঘরোয়া চিকিৎসার কথা নেই যেটাকে কেউ পুরানো বলতে পারে, স্বাস্হের পক্ষে কোন জিনিস উপকারী হতে পারে সে ব্যাপারে কিান মানবীয় মতামত এতে নেই, কোন খাবার খাওয়া ভালো বা কোন রোগ কীভাবে নিরাময় হবে এমন কিছুও নেই। রোগ প্রতিকারের ব্যাপারে কুরআন শুধু একটা জিনিসেরই উল্লেখ করেছে এবং সেটা একেবারেই অবিতর্কিত। কুরআন বলছে মধুতে আছে নিরাময়। আমি মনে করিনা কেউ এটা নিয়ে প্রশ্ন তুলবে।……..(চলবে) 
[শাব্দিক এর চেয়ে ভাবানুবাদের দিকে জোর দিতে চেয়েছি-কেউ অসঙ্গতি পেলে ধরিয়ে দিলে খুশী হব ও কৃতজ্ঞ থাকব। ]
পর্ব-২ পড়ুন

কুরআনের গাণিতিক অলৌকিকতা

কুরআনের চির-আধুনিক আইন কানুনের পাশাপাশি ভাষার সাহিত্যিক মান ও আধুনিক বিজ্ঞান আলোচনার সাথে সাথে এতে রয়েছে গণিতের বিস্ময়কর সামন্জস্য। 
যেমন কুরআনে ইনসান বা মানুষ কথাটি এসেছে ৬৫ বার। 
সুরা হাজ্জ (২২:৫) এবং সুরা মুমিনূন (২৩:১২-১৪) থেকে জানা যায় মানুষ সৃষ্টির ক্রমিক ধাপগুলো হলো 
১. মাটি (তুরাব تُرَابٍ) 
২. নুতফা ( نُّطْفَةٍ=জীবনকণা) 
৩. আলাকা ( عَلَقَةٍ=জোঁকের মত বস্তু, যা লেগে থাকে, যা ঝুলে থাকে) 
৪. মুদগাহ ( مُّضْغَةٍ =মাংসপিন্ড) 
৫. এযাম ( عِظَـٰمًا=হাড়) এবং 
৬. লাহম (لَحْمًا =গোশত) 
কুরআনের বভিন্ন স্থানে এ শব্দগুলো উলেখ করা হয়েছে যথাক্রমে ১৭, ১২, ৬, ৩, ১৫ এবং ১২ বার। 
এগুলো যোগ করে আমরা পাই ৬৫ যা ইনসান বা মানুষ শব্দের উল্লেখের সমান।

আরো পোস্ট দেখতে পুরাতন পোস্টসমূহ লেখায় ক্লিক করুন