ভিজিট করুন নতুন ও স্হায়ী ব্লগ www.alomoy.com, it.alomoy.com
বিজ্ঞান লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
বিজ্ঞান লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

UFO (অচেনা উড়ন্ত ব্স্তু) দেখার ইতিহাস




মানুষ সবসময় জানার চেষ্টা করে এসেছে এ মহাবিশ্বে আমরা কি একা নাকি ভিনগ্রহেও প্রাণীআছে। ভিনগ্রহে প্রাণের প্রমাণের পক্ষে অনেকে UFO (Unidentified Flying Object) এর উদাহরণ দেন।

অনেকে অবশ্য ইউএফও কে ফ্লাইং সসারও বলে থাকেন। ফ্লাইং সসার বলার পিছের কারণ হচ্ছে— অধিকাংশ ইউএফও, যা দেখা গেছে বলে দাবি করা হয়, তা অনেকটা সসার বা পিরিচ আকৃতির। তবে ইউএফও যে শুধুই সসার আকৃতির, তা কিন্তু নয়। অনেক ইউএফও গোলক, অনেক সিগার আকৃতির, আবার কেউ কেউ বলে পিরামিডের মতো অনেকে অবশ্য ফ্লাইং সসারও বলে থাকেন। ফ্লাইং সসার বলার পিছের কারণ হচ্ছে— অধিকাংশ ইউএফও, যা দেখা গেছে বলে দাবি করা হয়, তা অনেকটা সসার বা পিরিচ আকৃতির। তবে ইউএফও যে শুধুই সসার আকৃতির, তা কিন্তু নয়। অনেক ইউএফও গোলক, অনেক সিগার আকৃতির, আবার কেউ কেউ বলে পিরামিডের মতো ইউএফও ও নাকি দেখেছেন তারা।

কিছু কিছু ক্ষেত্রে ইউএফও দেখাকে দেখার ভুল বা কল্পনা বলা চললেও সত্যতা কিছু আছেই।

উএফও দর্শনের প্রথম ঘটনা

প্রাচীন মিসরের অনেক লিপিতেই এ উড়ন্ত চাকতির উল্লেখ আছে। তাদের মধ্যে একটি বেশ উল্লেখযোগ্য, সেটি হচ্ছে মিসরের অষ্টাদশ রাজবংশের তৃতীয় ফারাও টুথমোজের একটি লিপি। ফারাও শীতের তৃতীয় মাস এবং দিবসের ষষ্ঠ ঘণ্টায় আকাশে কিছু অদ্ভুত দর্শনের উড়ন্ত অগ্নিগোলক দেখতে পান বলে তা লিপিবদ্ধ করে রাখার নির্দেশ দেন। এটি খ্রিস্টের জন্মেরও প্রায় ১ হাজার ৫০০ বছর আগের ইতিহাস।
এর পরও বহুবার ইউএফও-এর দর্শনের কথা শোনা যায়। তবে বর্তমান পৃথিবীর ইতিহাস অনুসারে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত ইউএফও দর্শনের তারিখ ১৫৬১ সালের ১৪ এপ্রিল। স্থান—নুরেমবার্গ, জার্মানি।

হোয়াইটভিল, ভার্জিনিয়ার ঘটনা
১৯৮৭ সাল। হোয়াইটভিল, ভার্জিনিয়ার একটি ছোট, শান্ত, ছিমছাম শহর। ডণঠঊ নামের একটি রেডিও স্টেশনে কাজ করেন ড্যানি গরডন নামের এক যুবক। প্রতি রাতের মতো রেডিও বার্তা চেক করতে গিয়ে তিনি বেশকিছু অস্বাভাবিক রিপোর্ট পান।এ রিপোর্টকারীদের মধ্যে তিনজন ছিলেন আবার শেরিফ। তারা সবাই হোয়াইটভিলের আকাশে একগুচ্ছ অদ্ভুত আলো দেখতে পান বলে দাবি করেন। ড্যানি প্রথমে এটি হেসে উড়িয়ে দিলেও মুহূর্তের মধ্যেই হোয়াইটভিল থেকে আরও অনেক তাদের তাত্ক্ষণিক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন যে এটি তাদের চোখে পড়েছে।
ড্যানি এটিকে ভার্জিনিয়া এয়ার বেসের কোনো এক্সপেরিমেন্ট ভাবলেও তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা জানিয়ে দেন, সে রাতে এমন কিছু পরীক্ষা করা হয়নি। ব্যাপারটা ধীরে ধীরে সবার মনেই একটা খটকা তৈরি করে। এর প্রায় দু’সপ্তাহ পর, ড্যানি এবং তার বন্ধু রজার হল দুজনেই খুব কাছে থেকে ইউএফও দেখতে পান বলে জানান।
‘আমরা তখন কাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলাম। হঠাত্ করেই গাড়ির বাঁদিকে আমার চোখ গেল এবং আমি ভূমির সরলরেখা বরাবর একটি খুব-ই অস্বাভাবিক বস্তু লক্ষ্য করলাম। সঙ্গে সঙ্গেই গাড়িটা ডান পাশে রেখে আমরা লাফ দিয়ে গাড়ি থেকে বের হয়ে আসি। আমরা দেখতে পাই, যে আকাশযানটি আমাদের দিকে আসছে, সেটি আকৃতিতে বিশাল এবং তার মাথার দিকে একটি ডোম আছে এবং কোনো পাখা অনুপস্থিত। আকাশযানটির ডানদিক থেকে বিভিন্ন ধরনের উজ্জ্বল আলো বিচ্ছুরিত হচ্ছিল, সেটি যত দ্রুতই আমাদের দিকে ধাবিত হচ্ছিল, ঠিক তত দ্রুতই আমাদের থেকে দূরে চলে গেল এবং একটা সময় মিলিয়ে গেল।’
এ ঘটনার তিন মাসের মধ্যেই প্রায় শতাধিক লোক ইউএফওগুলোকে বারবার দেখতে পান। কয়েকটি ছবিও তোলা হয়। হোয়াইটভিলের এ অদ্ভুত ঘটনার কোনো ব্যাখ্যাই পায়নি হোয়াইটভিলবাসী।

মেক্সিকোর ঘটনা
১৯৯১ সালের পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণের কথা বোধহয় সবারই মনে আছে। পৃথিবী যেন সূর্যগ্রহণ অবলোকন উত্সবে মেতে উঠেছিল। মেক্সিকোও ব্যতিক্রম ছিল না। কিন্তু কেউ তখনও ভাবেনি তাদের পুরো দেশকেই এ দিনটা বদলে দিবে ইউএফও-এর হিস্টিরিয়াতে।
সেই দুপুরে এঁরষষবত্সড় অত্ত্ধমরহ নামের একজন টেলিভিশন এক্সিকিউটিভ ছাদের উপরে বসে সূর্যগ্রহণের ভিডিও ধারণ করছিলেন। জিনিসটা ঠিক তখনই তার দৃষ্টিগোচর হয়। ঔধরসব গধঁংংধহ তখন কাজ করছিলেন অত্ত্ধমরহ-এর সঙ্গে। তারা পরে সূর্যগ্রহণের ভিডিও টেপটি মেক্সিকান টিভি চ্যানেলে সমপ্রচার করেন, সূর্যগ্রহণের ৮ দিন পর। এই টেপটির সঙ্গে তারা ইউএফও-এর ফুটেজটিও সমপ্রচার করে। মুহূর্তের মধ্যে তারা ৪০০০০ ফোন পান প্রায় একই সঙ্গে। এটা এতটাই দ্রুত ছিল যে, সব নেটওয়ার্ক বিকল হয়ে যায়। বহু প্রত্যক্ষদর্শী তাদের জানায়, তারা ঠিক একই বস্তু দেখেছেন মেক্সিকোর আকাশে। পরে তারা মেক্সিকানদের ধারণকৃত কমপক্ষে ১৫টি ভিডিও পান, যার সঙ্গে অত্ত্ধমরহ-এর ভিডিও’র কোনো পার্থক্য নেই। ২ মাস পর ঠিক একই রকমভাবে আরও অনেক ইউএফও দেখা যায় মেক্সিকোর আকাশে।

ফিনিক্স রহস্য
মার্চ ১৩, ১৯৯৭-এর রাত। অ্যারিজোনার অধিবাসী গরপযধবষ কত্ুুংঃড়হ-এর অপটু লেন্সে ধরা পড়ল ‘ভি’ আকৃতির এক অদ্ভুত আলোক গুচ্ছ। শুধু কত্ুুংঃড়হ-ই নন, অ্যারিজোনার কমপক্ষে হাজারখানেক মানুষ সে রাতে একই আলো দেখেছেন এবং এগুলো যে ইউএফও এ সস্পর্কে তারা প্রায় নিঃসন্দেহ পোষণ করেছেন।

রসওয়েলের অমীমাংসিত রহস্য
এটি ইউএফও-এর সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত খুব বেশি আলোচিত একটা ঘটনা। ঘটনার সূত্রপাত ১৯৪৭ সালে একটি বজ্রপাতসহ ঝড়ের মাধ্যমে। ‘ম্যাক’ নামের এক ভদ্রলোক তখন তার ঘরে বসেই ঝড় দেখছিলেন। হঠাত্ তার বাড়ির সংলগ্ন বড় ক্ষেতে তিনি বেশ বড়সড় এবং অস্বাভাবিক এক বজ্রপাতের শব্দ পান।
পরেরদিন তিনি যখন তার ছেলেকে নিয়ে ক্ষেতের ক্ষয়ক্ষতি দেখতে গেলেন, তখন অবাক হয়ে দেখলেন বজ্রপাতের কোনো চিহ্নই নেই। বরং মাঠজুড়ে পড়ে রয়েছে কোনো কিছুর ধ্বংসাবশেষ। প্রায় তিন মাইলেরও বেশি লম্বা এবং দুই-তিনশ’ ফুট প্রস্থজুড়ে ধ্বংসাবশেষগুলো ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ছিল। ম্যাকে ভাষ্য অনুসারে, উদ্ধারকৃত টুকরোগুলোকে এককথায় ধাতু বলা যায় না। টুকরোগুলো ছিল বেশ মজবুত এবং প্লাস্টিকের মতো হালকা অথচ প্লাস্টিক নয়। দুই-তিন ফুট লম্বা টুকরোগুলোও খবরের কাগজের মতোই হালকা ছিল বলেন ম্যাক। তবে এই টুকরোগুলোকে তিনি কাটতে পারেননি এবং আগুনেও পোড়াতে পারেননি বলে জানান তিনি।
পরেরদিন রসওয়েল আর্মি এয়ার বেসে ঘটনাটি জানানো হয়। সেদিন বিকেলেই আর্মি ইন্টেলিজেন্সের কিছু কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করতে আসেন। তাদের মধ্যে একজন ছিলেন মেজর জেসি মারসেল, যার উপর এ ঘটনাটি তদন্তের মূল দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল। তিনিও টুকরোগুলো দেখে হতভম্ব হয়ে যান। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি বলে গেছেন, এটি তার জীবনে দেখা সবচেয়ে বেশি অস্বাভাবিক ঘটনা। তিনিও টুকরোগুলোকে আগুনে পোড়াতে পারেননি। তিনি দৃঢ়ভাবেই দাবি করেন, এটি কোনোভাবেই এয়ার বেলুন অথবা পৃথিবীতে তৈরি কোনো আকাশযানের ধ্বংসাবশেষ নয়। তার কাছে সবচেয়ে আশ্চর্য লেগেছে যে টুকরোটি সেটি একটি ছোট ‘এলবিম’-এর টুকরো যেটি এর উপরে কিছু অদ্ভুত চিহ্ন এবং অক্ষর খোদাই করা ছিল। এটা থেকে তার মনে বিশ্বাস আরও প্রবল হয় যে এটি পৃথিবীর বাইরের কোনো একটা স্থানে তৈরি কোনো আকাশযান।
খবরটা নিউজ পেপারে চলে আসে মুহূর্তেই। ঠিক ওইদিন সক্করো, মেক্সিকো থেকেও ইউএফও দর্শনের কিছু রিপোর্ট পাওয়া যায়। এই ঘটনাগুলো রসওয়েলে বেশ চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে।
তবে রসওয়েল এয়ার বেস কোনো এক অজ্ঞাত কারণে খবরটা ধামাচাপা দেয়ার প্রাণপণ চেষ্টা করে। গ্লেন ডেনিস নামের ২২ বছরের এক ছেলেও ম্যাকের মাঠটি পর্যবেক্ষণ করেছিলেন। পরে তাকেও মিলিটারি ক্যাস্পে নিয়ে যাওয়া হয় এবং তাকে বলা হয়, এটি নিয়ে আর কোনো রকম উচ্চ্যবাচ্চ্য না করার জন্য। এছাড়া ঠিক ওই সময়ে একজন নার্স দাবি করেন, তাকে এয়ার বেস ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল তিনটি বডি অটোপসি করার জন্য। তিনি বলেন, তিনটি প্রাণীর কোনোটিই পৃথিবীর নয়, এ ব্যাপারে তিনি শতভাগ নিশ্চিত। তিনি প্রাণীগুলোর বর্ণনা দেন এভাবে—
‘তারা আমাকে ডেকেছিল ঢ়ধত্ঃরধষ ধঁঃড়ঢ়ংু-এর জন্য। তাদের ওখানে একটা বড় ক্রাশব্যাগ ছিল যেটির মধ্যে দোমড়ানো-মোচড়ানো খুব ছোট দুটি বডি ছিল, যাদের মাথা ছিল দেহের তুলনায় অনেক বড়। তাদের কোনো কান ছিল না বরং তাদের কানের দুটি ক্যানাল ছিল। তাদের বিবর ছিল দুটি, এবং তাতে কোনো দাঁত ছিল না।’ পরে গ্লেন অবশ্য নার্সটিকে অনেক খুঁজতে চেষ্টা করেছিল, যদিও তাকে আর কখনোই খুঁজে পাওয়া যায়নি।
এটি প্রমাণিত হলে এয়ার বেস মিলিটারি তাদের বিবৃতি দিয়ে বলেন, তাদের প্রাপ্ত প্রাণীগুলো আসলে একটি এয়ার বেলুনের ডামি ছিল। যদিও তাতে সন্দেহ দূরীভূত না হয়ে উল্টো সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়।

টেক্সাসে ইউএফও
ডিসেম্বরের ২৯ তারিখ, ১৯৮০ সাল। ডিনার শেষে গাড়িতে করে বাড়ি ফিরছিলেন বিটি ক্যাশ, ভিকি ল্যান্ড্রাম ও তাদের ৭ বছরের নাতি কলবি। টেক্সাসে-ডেয়টনের কাছাকাছি স্টেট রোড থেকে তারা যখন যাচ্ছিলেন তখন রাত প্রায় ৯টা। ঠিক এসময় আকাশে খুব উজ্জ্বল এক আলো দেখতে পান তিনজনই। তাদের গাড়ি অগ্রসর হচ্ছিল এবং এ অবস্থাতেই গাছের ফাঁক থেকে তারা বস্তুটিকে দেখতে পাচ্ছিলেন। বিটি ক্যাশ তার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন এভাবেই—‘আমরা তখনও জানতাম না এটা কি, শুধু এটাই বুঝেছিলাম যে এটি প্লেন নয়। আকাশ তখন অত্যধিক উজ্জ্বল হয়ে পড়েছিল। একটা সময় ভিকির চিত্কারে আমি গাড়ি থামাই এবং বস্তুটিকে দেখার জন্য দরজা খুলে বের হয়ে আসি। বের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আমি প্রচণ্ড তাপ অনুভব করি এবং যানটিকে ভালোভাবে দেখতে পাই। এটি ছিল অনেকটা ডায়মন্ডের আকৃতির, যেটার নিচ থেকে প্রচণ্ডভাবে তাপ নির্গত হচ্ছিল। মুহূর্তের মাঝে আমি পালাতে চাইলাম ওই জায়গা ছেড়ে। গাড়ির হ্যান্ডেলে যখন হাত দিলাম তখন সেটি পুরোপুরি তপ্ত একটা ধাতু। আমার শুধু মনে হচ্ছিল, আমরা এখান থেকে জীবিত ফেরত যেতে পারব তো?
ভিকি বলেন, এর কিছুক্ষণের মধ্যেই বহু হেলিকপ্টার জায়গাটিকে কভার করে ফেলে। পরেরদিন তিনজনই মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়েন। দ্রুত তাদের হাসপাতালে নেয়া হলে ডাক্তাররা জানান, তারা রেডিয়েশন পয়জনিং-এ আক্রান্ত হয়েছেন। পরে ক্যাশ এবং ভিকি সরকারের কাছ থেকে সদুত্তর পাওয়ার আশায় অনেক চেষ্টা করেও সফল হতে পারেননি। এখানেও টেক্সাস সরকার ধামাচাপা দিয়ে ফেলে ব্যাপারটিকে। পুড়ে যাওয়া রাস্তার ওই অংশটুকু অতি দ্রুত খুঁড়ে নতুন করে রাস্তা করে দেয়া হয়, যাতে ওটা লোকচক্ষুর দৃষ্টিগোচর না হয়।
ভিকি এবং ক্যাশ আজীবন প্রশ্ন করে গেছেন এই রহস্যজনক ঘটনার, কিন্তু তাদের এ রহস্যের কোনো সমাধান দিতে সরকার পক্ষের কেউই এগিয়ে আসেনি।

পানিতেও ইউএফও
ইউএফও যে শুধু পৃথিবীর আকাশে কিংবা মাটিতে দেখা গেছে, তা কিন্তু নয়। বরং পানিতেও ইউএফও দর্শনের নজির মিলেছে। বিমিনির উত্তরে আইজাক লাইট আর মিয়ামির মধ্যখানে গালফ স্ট্রিমের পানির তলায় বারবার দেখা গেছে সিগার আকৃতির ইউএফও। ডেলমনিকো নামের এক ক্যাপ্টেন পানির নিচে এই সাদাটে ধূসর বস্তুটি দেখতে পান। তার দাবি, এটি কোনোভাবে পানিতে আলোড়ন তৈরি না করে চলাফেরা করছিল।
পুয়ের্টোরিকোর কাছের সাগরেও ইউএফও’র দেখা মেলে একবার। মার্কিন নৌবাহিনীর কোনো একটা মহড়া চলাকালীন তাতে অংশগ্রহণকারী সব জাহাজ এবং সাবমেরিন এ পানির নিচে ইউএফওটা দেখতে পান। সাবমেরিন একে ধাওয়া করলেও বস্তুটি নিমিষেই সাতাশ হাজার ফুট গভীর পর্যন্ত নেমে ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে গিয়েছিল। এর গতিও ছিল অস্বাভাবিক এবং আলোড়নুবিহীন।
সূত্র: আমারদেশا

জাহাজ কীভাবে পানিতে ভাসে

 যারা জানতে চান, একটু মনোযোগ দিয়ে পড়ুন, আপনার বিজ্ঞানের ব্যাকগ্রাউন্ড না থাকলেও চলবে।
লোহার টুকরো পানিতে ভাসেনা কিন্তু লোহার তৈরি জাহাস পানিতে ভাসে। এর রয়েছে সরল বৈজ্ঞানিক যুক্তি। তরলে নিমজ্জিত একটি বস্তু উপরের দিকে যে বল অনুভব করে তা বস্তুটি দ্বারা অপসারিত তরলে ওজনের সমান। অতএব  ৬০ কেজির একটি নৌকা পানিতে ডুবতে থাকবে যতক্ষণনা এটি ৬০ কেজি পানিকে অপসারণ করবে। যদি যদি নৌকাটি ডুবে যাবার আগেই ৬০ কেজি পানিকে অপসারণ করে ফেলে তাহলে সহজেই বোঝা যায় নৌকাটি আর না ডুবে এবার ভেসে থাকবে।

এটা কীভাবে সম্ভব যে একটা নৌকা বা জাহাজ এভাবে বানানো হবে যে এটা সম ওজনের পানি অপসারণ করেও নিজের কিছু অংশ উপরে রাখবে?
এটা সম্ভব হবে জাহাজের ঘনত্বকে জাহাজ দ্বারা অপসারিত পানির ঘনত্বের চেয়ে কম করে দিলে। নীতি এটাই যে তরল ও কঠিন দুটি বস্তু লাগোয়া থাকলেও কঠিনের ঘনত্ব কম হলেও এটি তরলে ভেসে থাকবে। জাহাজের গড় ঘনত্ব এর দখলকৃত  সম পরিপাণ পানির গড় ঘনত্বের চেয়ে কম করা হয় কারণ এর ভেতরে স্টিল ছাড়াও থাকে অনেক ফাঁকা স্থান।
ফলে জাহাজ শুরুতে ডুবতে শুরু করে। সম ওজনের পানিকে অপসারণ করে ফেলার পর এটি ভেসে থাকে।

মহাবিশ্বের দশ বৃহত্তম বস্তু

পিরামিড বা বুর্জ খলিফা খুব বড় তাইনা? কিন্তু নিচের বস্তুগুলোর তুলনায় এগুলো আণুবীক্ষনিক।
১০. বৃহত্তম গ্রহাণু:  Ceres
Ceres হচ্ছে সবচে’ বৃহৎ গ্রহাণ যার ব্যাস ৬০০ মাইল ফলে আয়তন ক্যালিফোর্নিয়ার সমান। গ্রহাণুপুন্জের ভরের ২৫ ভাগই এর দখলে।

৯. বুহত্তম গ্রহঃ TRES4
আমাদের সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ বৃহস্পতির চেয়ে ৭০ গুণ বড় গহটির নাম TRES4 যা হারকিউলিস নক্ষত্রপুন্জে অবস্থিত। সম্প্রতি WASP-17b নামের গ্রহটিকে আরো বড় বলা হচ্ছে।

৮. বৃহত্তম তারকাঃ ভি ডাব্লিউ ক্যানিস ম্যাজোরিস
VY Canis Majoris হচ্ছে সবচেয়ে বড় তারকা। এটি লোহিত হাইপার শ্রেণীর তারকা, সূর্যের চেয়ে ২০০০ গুণ প্রশস্ত। বিশ্বের দ্রুততম গাড়িটি এটাকে একবার চক্কর দিতে ২৬০০ বছর লাগিয়ে দিবে। সূর্যের স্থলে ভি ডাব্লিউ ক্যানিস ম্যাজোরিসকে বসিয়ে দিলে এর ব্যাসার্ধ শনি ছাড়িয়ে যাবে।

৭. বৃহত্তম কৃষ্ণগহ্বরঃ OJ287
ওজে ২৮৭ কে বৃহত্তম কৃষ্ণগহবর বা ব্ল্যাকহোল বলা হয়। কৃষ্ণগহবর এর অবশ্য ভরই বেশি, সে তুলনায় আয়তন কিন্তু তেমন নয়। এক ছায়াপথের কেন্দ্রে স্হাপিত এই ব্ল্যাকহোলের ভর সূর্যের ১৮ বিলিয়ন গুণ। এটি আমাদের সমগ্র সৌরজগতের চেয়ে বিশাল।

৬. বৃহত্তম ছায়াপথঃ আইসি ১১০১ (IC1101)
এটির ব্যাস ৬০ লাখ আলোকবর্ষ (আলো ১ লাখ ৮৬ হাজার/মাইল বেগে বছরে যে দূরত্বে যায়)। 
আমাদের মিল্কিওয়ে ছায়াপথের (যার ব্যাস ১০০ আলোকবর্ষ ) চেয়ে এটি প্রায় ৬০ গুণ বড়। 

৫. বেতার লোব (Radio Lobes)
কৃষ্ণগহবর কোন বস্তুকে গ্রাস করলে এর মেরুতে  যে ভর ও শক্তি নিঃসৃত হয় তা বেতার তরঙ্গ আকারে ছড়িয়ে পড়ে এবং বেতার তরঙ্গে দৃশ্যমান হয়। Leo minor নক্ষত্রপুণ্জে অবস্থিত 3C236 হচ্ছে এখনপর্যন্ত সর্ববৃহৎ রেডিও লোব যা আড়াআড়ি ৪ কোটি আলোকবর্ষ। 

৪. ফুটকি ঃলাইমেন আলফা 
এরা স্বল্পায়ু বিশিষ্ট পুণ্জিভূত নক্ষত্রের দশা। এরা অ্যামিবা বা জেলিফিশের মত অনিয়তাকার (নির্দিষ্ট আকারহীন)। আড়াআড়িতে ২০ কোটি আলোকবর্ষ এবং অ্যাকুয়ারিয়াস নক্ষত্রমন্ডলীতে আবস্থিত।

৩. শূন্য স্থান/গহবর/ ফাঁকা স্থানঃ
সাধারণত তারকাসমূহ গুচ্ছবদ্ধ থাকে। কিন্তু যে স্থানে কোন তারকাই নেই (তার মানে কোন সৌররজগৎ, গুহ-উপগ্রহ নেই) তার কি হবে? এটাকে বলে শূন্যতা বা nothingness। এমন সর্ববৃহৎ ফাঁকা স্থান আছে ২৫ কোটি আলোকবর্ষের। 

২. ছায়াপথ গুচ্ছঃ Shapley Super Cluster
এটি চল্লিশ কোটির ও বেশি ছায়াপথের গুচ্ছ। আমাদের মিল্কওয়ে গ্যালাক্সি এর চাইতে ৪০০০ গুণ ছোট। 

১. মহাজাগতিক জাল
বেশিরভাগ মহাকাশবিদই একমত যে মহাজাগতিক জাল (Cosmic Web) ই মহাবিশ্বের সবচেয়ে বিশাল বস্তু। কৃষ্ণবস্তু কতৃক আবদ্ধ ও দেথতে ত্রিমাত্রিক মাকড়সার জালের মত এ জাল গ্যালাক্সির (বা ছায়াপথ) অসীম গুচ্ছ ও মহাগুচ্ছ নিয়ে গঠিত। কৃষ্ণবস্তু ও গ্যালাক্সির কেন্দ্রবিন্দু তৈরি হয় এবং গ্যালাক্সি-তন্তু এই কেন্দ্রবিন্দুসমূহকে জুড়ে দিয়ে জালের মত তৈরি করে। 

মরুভূমিতে মরীচিকা সৃষ্টি হবার কারণ

আগে একটা গল্প বলি। এক পিপাসার্ত লোক এক মরুভূমিতে হাঁটছে। একসময় ক্লান্ত হয়ে তার পানির পিপাসা দেখা দিল। এদিক ওদিক চাইতেই অনেকদূরে সামনে দেখা গেল একটি গাছ। গাছের নিচে তার প্রতিচ্ছবিও দেখা যাচ্ছে। লোকটা বেজায় খুশি। সামনে পানি পাওয়া গেল। কারণ নিশ্চয়ই ওখানে কোন পুকুর আছে আর তাতেই গাছটি প্রতিফলিত হয়েছে। কিন্তু যথাস্থানে এসে লোকটা পানি পায়না। বাড়ি এসে একে ভৈৗতিক কান্ড বলে ব্যাখ্যা করে।


এটার ব্যাখ্যা অোছে পদার্থবিদ্যায়।
মরীচিকা তৈরি হয় উত্তপ্ত মরুভূমিতে। সূর্যে্র প্রচন্ড তাপে বালি উত্তপ্ত হয়ে তাপমাত্রা বেড়ে যায় এবং এর ফলে সংলগ্ন বায়ু হালকা হয়। উপরের দিকে ধীরে ধীরে তাপমাত্রা কমায় বাযুও ধীরে ধীরে ঘনতর হতে থাকে।   মরুভূমিতে চলন্ত কোন ব্যক্তি দূরে q বিন্দুতে কোন একটি গাছ দেখার সময় আলোকরশ্মি ঘনতর মাধ্যম থেকে লঘুতর মাধ্যমে প্রবেশ করে। ফলে প্রতিসরিত রশ্মি m বিন্দুর অভিলম্ব থেকে দূরে সরে যেতে থাকে। এভাবে বাঁকতে বাঁকতে একসময় কোন একটি স্তরে আপতন কোণ ক্রান্তি কোণের চেয়ে বড় হয়অ এ সময় আলোকরশ্মির প্রতিসরিণ না হয়ে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন হয়। ফলে আলোকরশ্মি উপরে উঠে বাঁকা পথে পথিকের চোখে পৌঁছায়। ফলে পথিক মনে করে বসেন এ রশ্মি q বিন্দুর সরাসরি নিচের q' বিন্দু থেকে আসছে। 
এভাবে পথিক মনে করে পানির ভূ-সমতলের নিচে যেহেতু গাছের উল্টো ছবি দেখা যাচ্ছে তাই নিশ্চয়ই ওখানে পানিও আছে। 
এছাড়াও বৃষ্টির পরপরই রাজপথ ভিজে গিয়েও সেখানে আকাশের বিম্ব তৈরি হয়। ফলে তৈরি হয় মরীচিকা।


কুরআনের গাণিতিক অলৌকিকতা ;পর্ব-২



#'সাবয়া সামাওয়াত' অর্থ সাত আসমান। কুরআনে এই সাত আসমান কথাটা সাতবারই এসেছে।
#খালকুস সামাওয়াত বা আসমানসমূহের সৃষ্টি কথাটাও এসেছে ৭ বার।
# সাবয়াতু আইয়াম' মানে ৭দিন। একথাও কুরআনে আছে ৭ বার।
#ইয়াওমুন মানে দিন। সমগ্র কুরআনে এ শব্দটি আছে ৩৬৫ বার। বহুবচন আইয়াম মানে দিনসমূহ। এটা এসছে ৩০ বার। আরবী ভাষায় চাঁদ হচ্ছে মাসের সূত্র সূচক। গড়ে বছরের প্রতি মাসে ৩০ দিন। চাঁদের আরবী কামার' যা কুরআনে এসেছে ৩০ বার!!
#শাহরুন মানে মাস। এটা কুরআনে এসেছে ১২ বার।
#সানাতুন' মানে বছর। শব্দটি এসছে ১৯ বার। এখন আমরা জানি মেতনীয় বৃত্ত এর কথা অর্থ্যাৎ প্রতি ১৯ বছর পর পর সূর্য্য ও পৃথিবী একই বৃত্তে অবস্থান করে।

এবার দেখা যাক কিছু বিপরীত শব্দ--
#'দুনিয়া' ও 'আখেরাত' দুটি কথাই কুরআনে সমান সংখ্যায় এসেছে-১১৫ বার।
#ঈমান ও কুফর শব্দ দুটিও এসছে সমানসংখ্যায়-২৫ বার।
#গরম ও ঠান্ডা শব্দ দুটি এসেছে ৫ বার করে অর্থ্যাৎ সমানসংখ্যক।
#'কুল' মানে 'বলো' আর 'কালু' মানে তারা বলে-এ দুটি কথাও এসেছে সমান সংখ্যায়- ৩৩২ বার করে
#মালাকুন বা মালায়িকা মানে ফেরেশতা এবং অপরদিকে  'শয়তান'- দুটোই এসেছে ৮৮ বার।
# 'আল খবিস' মানে অপবিত্র আর আত তাইয়েব মানে পবিত্র। দুটোই এসেছে ৭ বার করে।
#হায়াত বা জীবন এবং মওত বা মৃত্যু দুটিই ১৬ বার করে এসেছে।

**কিছু শব্দের উল্লেখসংখ্যা কম-বেশি বা সমান হওয়া
#ফুজ্জার বা পাপী শব্দটা এসেছে ৩ বার আর আবরার বা পূণ্যবান শব্দটি এসেছে ৬ বার। বা দ্বিগুণ। কারণ সুরা সাবার ৩৭ নং আয়াত বলছে 'এধরণের (পূণ্যবানদের) জন্যেই রয়েছে দ্বিগুণ পুরস্কার।
 # সুরা আলে ইমরানের ৫৯ নং আয়াত বলছে হযরত ঈসা আ. এর উদাহরণ আদম আ. এর মতো। দুজনের নামই কুরআনে ২৫ বার এসেছে।
#কুরআন বলে সুদ ও ব্যাবসা একইরকম নয় (সুরা বাকারা-২৭৫)। সুদ শব্দ এসেছে ৬ বার আর ব্যাবসা ৭ বার।
পাসওয়াড সুরক্ষিত পোস্ট পড়ার পাসওয়ার্ড:  Iloveislam

না দেখে বিশ্বাস করিনা!!!


জ্ঞানী মানুষও চিন্তার সংকীর্ণতার কারণে কীভাবে মূর্খের মতো আচরণ করতে পারে তার একটা উদাহরণ হলো শিরোনামে দেওয়া বক্তব্য। উনারা বলে থাকেন ইসলাম কি আজব আজব কথাবার্তা বলে। কি নাকি বেহেশত, দোজখ, জিন, ফেরেশতা আছে। এসব কি কেউ কখনো দেখেছে? 

গতকাল স্টুডেন্টকে পড়াতে গিয়ে এ চিন্তার অসারতার নতুন একটা দিক খুঁজে পেলাম। যখন বলছিলাম একটা বস্তুকে উপরে ছেড়ে দিলে নিচে নামে কেন। কারণ পৃথিবীর অভিকর্ষ। নিউটনের মহাকর্ষ সূত্রানুযায়ী প্রত্যেক বস্তুই একে অপরকে নিজ দিকে আকর্ষণ করে। এমনকি দুটো কলম পাশাপাশি রেখে দিলেও এরাও আসলে পরস্পরকে আকর্ষণ করে। কিন্তু আকর্ষণের পরমিাণ অনুভূত হবার চেয়ে অনেক কম হওয়ায় দেখা যায়না বা বোঝাই যায়না। তাই বলে কি তাদের আকর্ষণ মিথ্যা????!!!!
 
অসংখ্য উদাহরণ দেওয়া যায়। 

একইভাবে 'চোখে দেখিনা' দোহাই দিয়ে কোনভাবেই জান্নাত জাহান্নামকে অস্বীকার করা যায়না। পৃথিবীর অস্তিত্ব যেমন বাস্তব তার চেয়েও বাস্তব পরকাল। পৃথিবীর সকল কাজ-কর্মের প্রতিফল পাবার জন্যে আরেকটা জগত প্রয়োজন যেখানে এখানে না পাওয়া প্রাপ্য সঠিকভাবে ন্যায় বিচারের মাধ্যমে দেওয়া হবে। প্রকৃত অপরাধীরা শাস্তি পাবে। যারা মহান কাজ সম্পাদন করেও এখানে পুরস্কার পাননি তাদের পুরস্কৃত করা হবে। যারা একাই অসংখ্য মানুষের ক্ষতিসাধন করেছে তাদের থেকে কড়ায় গন্ডায় হিসেব নেওয়া হবে। একমাত্র পরকালের ভয় আর আল্লাহভীতিই মানুষকে অপরাধ থেকে দূরে রাখতে পারে। যে মনে সে যে করছে তার হিসেব দিতে হবে আর যে উল্টোটা মনে করছে দুজনের কাজের প্রকৃতি একই হওয়া সম্ভব নয়। প্রথমজন অবশ্যই অন্যের জন্যে ও সমাজের জন্যে ক্ষতিকর কাজ এড়িয়ে যাবে। 

এছাড়া যে আল্লাহ কুরআনে এত সুন্দর গুছিয়ে মানবজীবনের সব বিষয় আলেঅচনা করেছেন, সমাধান দিয়েছেন নির্ভুল অসংখ্য বৈজ্ঞানিক তথ্য দিয়েছেন তাঁর আর একটি কথা পরকালের ব্যাপারে সেটা বিশ্বাস না করাই অস্বাভাবিক।
 
যে মুহাম্মাদ সা. জীবনে মিথ্যা বলেনি, বানিয়ে কোন কথা বলেননি যার সাক্ষ্য তাঁর ঘোর বিরোধীরাও দিত তিনি পরকালের ব্যাপারে উদ্ভট একটা কথা বলেছেন এটা মেনে নেওয়াও হাস্যকর ও অযৌক্তিক।

টেক সংকলন: আমারদেশ

প্রতি মঙ্গলবারে দৈনিক আমারদেশে টেক বিষয়ক ভালোমানের লেখা আসে। এখানে সেগুলোই শেয়ার করতে চাচ্ছি।

#২৪ জুলাই ১২
#২২ মে ১২
# ২৯ মে ১২
#৫ জুন ১২


my websites

পরকাল নিয়ে বিভ্রান্তি-কুরআন, যুক্তি ও বিজ্ঞান কি বলে?


হুমায়ূন আহমেদের যে কয়টা বই পড়েছিলাম (অনেক আগে পড়েছি, আর পড়বার নিয়ত নেই) তাতে তখনও বুঝতাম উনি গল্পের মাঝে মাঝে কৌশলে ইসলামকে কটাক্ষ করেন। তবে সেদিন যায়যায়দিনের সাক্ষাৎকারে সম্ভবত প্রথমবারের মত সরাসরি পরকালকে অস্বীকার করলেন। 
এ অস্বীকার করাটা বুদ্ধিমত্তা ও বিজ্ঞানমনস্ককতার পরিচায়ক কিনা একটু দেখি আসুন। 
তার দাবী মরে গেলে তো মাটির সাথে মিশে যাব। আবার কেন কীভাবে সৃষ্ট হতে হবে। 
এ প্রশ্নটাই করত মক্কার মুশরিক কাফিররা। 
আল্লাহ বলেন (সুরা ক্বিয়ামা, ৭৫:৩-৪) 
أَيَحْسَبُ ٱلْإِنسَـٰنُ أَلَّن نَّجْمَعَ عِظَامَهُۥ ﴿٣﴾ بَلَىٰ قَـٰدِرِينَ عَلَىٰٓ أَن نُّسَوِّىَ بَنَانَهُ 
"মানুষ কি মনে করে যে আমি তার অস্থিসমূহ একত্রিত করব না? পরন্ত আমি তারঅঙ্গুলির অগ্রভাগ পর্যন্ত সঠিকভাবে সন্নিবেশিত করতে সক্ষম।" 
এখানে আল্লাহ এক ঢিলে অন্তত দুটি পাখি মেরেছেন। বলেছেন সমগ্র শরীরতো সন্নিবেশিত করবেনই আংগুলের অগ্রভাগ পর্যন্ত পুনরায় সন্নিবেশিত করবেন। আবার আঙ্গুলের অগ্রভাগের বিশেষ বৈশিষ্ট্যও পরোক্ষভাবে তুলে ধরেছেন। সতেরাশত শততের দিকে আবিষ্কৃত হওয়ায় এখন আমরা জানি এমন দুজন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুঃসাধ্য যাদের আঙ্গুলের অগ্রভাগের বৈশিষ্ট্য, গড়নবিন্যাস সমপ্রকৃতির। 
যাইহোক, এখানে আল্লাহ তাঁর ক্ষমতার উল্লেখ করলেন। 

সুরা নাযিআত (৭৯, ২৭-২৮) 
أَنتُمْ أَشَدُّ خَلْقًا أَمِ ٱلسَّمَآءُ ۚ بَنَىٰهَا ﴿٢٧﴾ رَفَعَ سَمْكَهَا فَسَوَّىٰهَا 
"তোমাদের সৃষ্টি অধিক কঠিন না আকাশের, যা তিনি নির্মাণ করেছেন? তিনি একে উচ্চ করেছেন ও সুবিন্যস্ত করেছেন। " 
বস্তুতই মানুষের গঠনকাঠামোতো মহাবিশ্বের তুলনায় সরল। এবার হয়তো উনি বিজ্ঞানের বিরুদ্ধে গিয়ে বলে বসবেন আকাশতো কেউ সৃষ্টি করেনি, এমনিই হয়ে গেছে যে দাবীটা তাপগদতিবিদ্যার সাথে সাংঘর্ষিক। 

সুরা ইসরা (১৭: ৯৮-৯৯) 
ذَٰلِكَ جَزَآؤُهُم بِأَنَّهُمْ كَفَرُوا۟ بِـَٔايَـٰتِنَا وَقَالُوٓا۟ أَءِذَا كُنَّا عِظَـٰمًا وَرُفَـٰتًا أَءِنَّا لَمَبْعُوثُونَ خَلْقًا جَدِيدًا ﴿٩٨﴾ أَوَلَمْ يَرَوْا۟ أَنَّ ٱللَّـهَ ٱلَّذِى خَلَقَ ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضَ قَادِرٌ عَلَىٰٓ أَن يَخْلُقَ مِثْلَهُمْ وَجَعَلَ لَهُمْ أَجَلًا لَّا رَيْبَ فِيهِ فَأَبَى ٱلظَّـٰلِمُونَ إِلَّا كُفُورًا 
"এটাই তাদের শাস্তি। কারণ, তারা আমার নিদর্শনসমূহ অস্বীকার করেছে এবং বলেছেঃ আমরা যখন অস্থিতে পরিণত ও চুর্ণ-বিচুর্ণ হয়ে যাব, তখনও কি আমরা নতুনভাবে সৃজিত হয়ে উত্থিত হব? 
তারা কি দেখেনি যে, যে আল্লাহ আসমান ও যমিন সৃজিত করেছেন, তিনি তাদের মত মানুষও পুনরায় সৃষ্টি করতে সক্ষম? তিনি তাদের জন্যে স্থির করেছেন একটি নির্দিষ্ট কাল, এতে কোন সন্দেহ নেই; অতঃপর জালেমরা অস্বীকার ছাড়া কিছু করেনি।" 

সুরা নাহল (১৭, ৩৮-৩৯) 
وَأَقْسَمُوا۟ بِٱللَّـهِ جَهْدَ أَيْمَـٰنِهِمْ ۙ لَا يَبْعَثُ ٱللَّـهُ مَن يَمُوتُ ۚ بَلَىٰ وَعْدًا عَلَيْهِ حَقًّا وَلَـٰكِنَّ أَكْثَرَ ٱلنَّاسِ لَا يَعْلَمُونَ ﴿٣٨﴾ لِيُبَيِّنَ لَهُمُ ٱلَّذِى يَخْتَلِفُونَ فِيهِ وَلِيَعْلَمَ ٱلَّذِينَ كَفَرُوٓا۟ أَنَّهُمْ كَانُوا۟ كَـٰذِبِينَ 
"তারা আল্লাহর নামে কঠোর শপথ করে যে, যার মৃত্যু হয় আল্লাহ তাকে পুনরুজ্জীবিত করবেন না। অবশ্যই এর পাকাপোক্ত ওয়াদা হয়ে গেছে। কিন্তু, অধিকাংশ লোক জানে না। তিনি পুনরুজ্জীবিত করবেনই, যাতে যে বিষয়ে তাদের মধ্যে মতানৈক্য ছিল তা প্রকাশ করা যায় এবং যাতে কাফেরেরা জেনে নেয় যে, তারা মিথ্যাবাদী ছিল।" 

সুরা মারইয়াম (১৯, ৬৬-৬৮) 
وَيَقُولُ ٱلْإِنسَـٰنُ أَءِذَا مَا مِتُّ لَسَوْفَ أُخْرَجُ حَيًّا ﴿٦٦﴾ أَوَلَا يَذْكُرُ ٱلْإِنسَـٰنُ أَنَّا خَلَقْنَـٰهُ مِن قَبْلُ وَلَمْ يَكُ شَيْـًٔا ﴿٦٧﴾ فَوَرَبِّكَ لَنَحْشُرَنَّهُمْ وَٱلشَّيَـٰطِينَ ثُمَّ لَنُحْضِرَنَّهُمْ حَوْلَ جَهَنَّمَ جِثِيًّا 
"মানুষ বলেঃ আমার মৃত্যু হলে পর আমি কি জীবিত অবস্থায় পুনরুত্থিত হব? মানুষ কি স্মরণ করে না যে, আমি তাকে ইতি পূর্বে সৃষ্টি করেছি এবং সে তখন কিছুই ছিল না।সুতরাং আপনার পালনকর্তার কসম, আমি অবশ্যই তাদেরকে এবং শয়তানদেরকে একত্রে সমবেত করব, অতঃপর অবশ্যই তাদেরকে নতজানু অবস্থায় জাহান্নামের চারপাশে উপস্থিত করব।" 

সুরা আম্বিয়া (২১:১০৪) 
يَوْمَ نَطْوِى ٱلسَّمَآءَ كَطَىِّ ٱلسِّجِلِّ لِلْكُتُبِ ۚ كَمَا بَدَأْنَآ أَوَّلَ خَلْقٍ نُّعِيدُهُۥ ۚ وَعْدًا عَلَيْنَآ ۚ إِنَّا كُنَّا فَـٰعِلِينَ 
"সেদিন আমি আকাশকে গুটিয়ে নেব, যেমন গুটানো হয় লিখিত কাগজপত্র। যেভাবে আমি প্রথমবার সৃষ্টি করেছিলাম, সেভাবে পুনরায় সৃষ্টি করব। আমার ওয়াদা নিশ্চিত, আমাকে তা পূর্ণ করতেই হবে।" 

সুরা রূম (৩০:১৯) 
يُخْرِجُ ٱلْحَىَّ مِنَ ٱلْمَيِّتِ وَيُخْرِجُ ٱلْمَيِّتَ مِنَ ٱلْحَىِّ وَيُحْىِ ٱلْأَرْضَ بَعْدَ مَوْتِهَا ۚ وَكَذَٰلِكَ تُخْرَجُونَ 
তিনি মৃত থেকে জীবিতকে বহির্গত করেন জীবিত থেকে মৃতকে বহির্গত করেন, এবং ভূমির মৃত্যুর পর তাকে পুনরুজ্জীবিত করেন। এভাবে তোমরা উত্থিত হবে।" 

সুরা ফাতির (৩৫:৯) 
وَٱللَّـهُ ٱلَّذِىٓ أَرْسَلَ ٱلرِّيَـٰحَ فَتُثِيرُ سَحَابًا فَسُقْنَـٰهُ إِلَىٰ بَلَدٍ مَّيِّتٍ فَأَحْيَيْنَا بِهِ ٱلْأَرْضَ بَعْدَ مَوْتِهَا ۚ كَذَٰلِكَ ٱلنُّشُورُ 
আল্লাহই বায়ু প্রেরণ করেন, অতঃপর সে বায়ু মেঘমালা সঞ্চারিত করে। অতঃপর আমি তা মৃত ভূ-খন্ডের দিকে পরিচালিত করি, অতঃপর তদ্বারা সে ভূ-খন্ডকে তার মৃত্যুর পর সঞ্জীবিত করে দেই। এমনিভাবে হবে পুনরুত্থান। 

কুরআনের পাতায় আরো অসংখ্য বলিষ্ঠ যুক্তি দেওয়া হয়েছে। তাতে কি! অন্ধ, বোবা, কালারা সেগুলো পড়লেতো! 

পরকালের ধারণার অভাবেই মানুষ একে অপরের নির্বিচারে অত্যাচার চালাতে পারে, খুন, ধর্ষণ, ছিনতাই চলে সমানে। অথচ পরকালের ধারণা যদি পৃথিবীর প্রত্যেকটি মানুষ রাখত তাহলে মানুষ দরজা খুলে রেখে ঘুমাতে পারত। কোন তালার দরকার হতোনা। কেউ কারো প্রতি বিন্দুমাত্র অন্যায় করার আগে পরকালের কথা ভেবে থেমে যেত। 
যুক্তিটা এখানেই। পৃথিবীকে সুশোভিত, শান্তিপূর্ণ করে গড়ে তুলতে হলে মাথায় থাকতে হবে এ জগতে যাই করিনা কেন তার কড়ায়গন্ডায় প্রতিফল পরকালে ভোগ করতে হবে।
সুরা জাছিয়া (৪৫:২১-২২) 
أَمْ حَسِبَ ٱلَّذِينَ ٱجْتَرَحُوا۟ ٱلسَّيِّـَٔاتِ أَن نَّجْعَلَهُمْ كَٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَعَمِلُوا۟ ٱلصَّـٰلِحَـٰتِ سَوَآءً مَّحْيَاهُمْ وَمَمَاتُهُمْ ۚ سَآءَ مَا يَحْكُمُونَ ﴿٢١﴾ وَخَلَقَ ٱللَّـهُ ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضَ بِٱلْحَقِّ وَلِتُجْزَىٰ كُلُّ نَفْسٍۭ بِمَا كَسَبَتْ وَهُمْ لَا يُظْلَمُونَ 
"যারা দুস্কর্ম উপার্জন করেছে তারা কি মনে করে যে, আমি তাদেরকে সে লোকদের মত করে দেব, যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে এবং তাদের জীবন ও মুত্যু কি সমান হবে? তাদের দাবী কত মন্দ। আল্লাহ নভোমন্ডল ও ভূ-মন্ডল যথাযথভাবে সৃষ্টি করেছেন, যাতে প্রত্যেক ব্যক্তি তার উপার্জনের ফল পায়। তাদের প্রতি যুলুম করা হবে না।" 
দুনিয়ায় যেহেতু পরীক্ষা চলছে সবাই যা ইচ্ছা করতে পারে কিন্তু তাই বলে কারো প্রতি জুলুম করে বসলে পরকালে রেহাই নেই। 

পুরো মানবদেহকে একটা সচল কম্পিউটারের মত তুলনা করা যায় যাতে শরীরটা হল হার্ডওয়্যার আর রুহ হলো সফটওয়্যার। যখন শরীর নষ্ট হবে তার আগেই আল্লাহ রূহটাকে [যেমন পেনড্রাইভে করে ] রূহের জগত নামক অকল্পনীয় বিশাল স্টোরে সংরক্ষণ করে রাখবেন। হাশরের সময় পুনরুথান হলেই আবার নতুন করে শরীর গঠন করে সফটওয়্যার আবারো ইনস্টল করে দিবেন। 
প্রশ্ন করি কারো পিসি নষ্ট হলেই কি নতুন করে আর সেটআপ দেওয়া যাবেনা?
পোস্টটি দেওয়ামাত্রই এসবির প্রথম পাতা থেকে সরানো হয়।

কুরআনের গাণিতিক অলৌকিকতা

কুরআনের চির-আধুনিক আইন কানুনের পাশাপাশি ভাষার সাহিত্যিক মান ও আধুনিক বিজ্ঞান আলোচনার সাথে সাথে এতে রয়েছে গণিতের বিস্ময়কর সামন্জস্য। 
যেমন কুরআনে ইনসান বা মানুষ কথাটি এসেছে ৬৫ বার। 
সুরা হাজ্জ (২২:৫) এবং সুরা মুমিনূন (২৩:১২-১৪) থেকে জানা যায় মানুষ সৃষ্টির ক্রমিক ধাপগুলো হলো 
১. মাটি (তুরাব تُرَابٍ) 
২. নুতফা ( نُّطْفَةٍ=জীবনকণা) 
৩. আলাকা ( عَلَقَةٍ=জোঁকের মত বস্তু, যা লেগে থাকে, যা ঝুলে থাকে) 
৪. মুদগাহ ( مُّضْغَةٍ =মাংসপিন্ড) 
৫. এযাম ( عِظَـٰمًا=হাড়) এবং 
৬. লাহম (لَحْمًا =গোশত) 
কুরআনের বভিন্ন স্থানে এ শব্দগুলো উলেখ করা হয়েছে যথাক্রমে ১৭, ১২, ৬, ৩, ১৫ এবং ১২ বার। 
এগুলো যোগ করে আমরা পাই ৬৫ যা ইনসান বা মানুষ শব্দের উল্লেখের সমান।

কম্পিউটারের গতি বাড়ান পর্ব-১

কম্পিউটারের ধীরগতির কারণে অনেক সময় মেজাজটাই বিগড়ে যায়। বিশেষ করে জরুরি কাজ করার সময় এ সমস্যাটি অনেক বিরক্তির উদ্রেক করে। নিচের টিপসগুলো অনুসরণ করুন। আপনার কম্পিউটারের গতি বাড়াতে অনেকটাই কাজে দিবে।
১. Recycle bin সব সময় ফাঁকা রাখুন। Recycle bin-এ ফাইল রাখলে কম্পিউটারের গতি হ্রাস পায়।
২. কম্পিউটারে অ্যানিমেটেড ওয়ালপেপার, কথা বলা ঘড়ি এসব ইনস্টল করবেন না। এগুলো পিসির গতি কমিয়ে দেয়।
৩. মাঝে মাঝে Start হতে Run-এ ক্লিক করে tree লিখে enter চাপুন। এতে র্যামের কার্যক্ষমতা বাড়ে।
৪. Start n‡Z Run-এ ক্লিক করে Prefetch লিখে enter চাপুন। যে ফাইলগুলো দেখাবে, সেসব মুছে ফেলুন। কোন ফাইল না মুছলে সেটি বাদ দিয়ে বাকি সব মুছে ফেলুন। একইভাবে পর্যায়ক্রমে temp, %temp%, cookies, recent লিখে enter চাপুন এবং প্রদর্শিত ফাইলগুলো মুছে ফেলুন।
৫. Desktop এ মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে Properties এ গিয়ে ডান পাশ থেকে Settings-এ ক্লিক করে ১৬ বিট নির্বাচন করে enter চাপুন।
৬. Start হতে Run-এ ক্লিক করে msconfig লিখে enter চাপুন। এখন ডান পাশের Services-এ ক্লিক করুন। অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রামগুলোর বাঁ পাশ থেকে টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে ড়শ করুন। Restart দিতে বললে Restart দিন।
৭. এবার My Computer এসি ড্রাইভের ওপর মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে Properties-এ যান। Disk Cleanup-এ ক্লিক করে কিছু সময় অপেক্ষা করুন। নতুন উইন্ডো এলে বাঁ পাশের সব বক্স টিক চিহ্ন দিয়ে ok করুন। এভাবে প্রতিটি ড্র্রাইভ ক্লিন করতে পারেন।
৮. My Computer-এর ওপর মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে Properties-এ যান। এখন Advanced Settings সিলেক্ট করে Performance-এর নিচে Settings-এ ক্লিক করুন। এবার Customs সিলেক্ট করে একদম নিচের বক্সটির টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে ড়শ করুন।
৯. এবার My Computer থেকে Properties-এ যান। এখন Advanced Settings সিলেক্ট করে Performance-এর নিচে Wvbcv‡k Error Reporting-এ ক্লিক করুন। এরপর Disable সিলেক্ট করে ok করুন।
সূত্র: আমারদেশ

আরো পোস্ট দেখতে পুরাতন পোস্টসমূহ লেখায় ক্লিক করুন