ভিজিট করুন নতুন ও স্হায়ী ব্লগ www.alomoy.com, it.alomoy.com

UFO (অচেনা উড়ন্ত ব্স্তু) দেখার ইতিহাস




মানুষ সবসময় জানার চেষ্টা করে এসেছে এ মহাবিশ্বে আমরা কি একা নাকি ভিনগ্রহেও প্রাণীআছে। ভিনগ্রহে প্রাণের প্রমাণের পক্ষে অনেকে UFO (Unidentified Flying Object) এর উদাহরণ দেন।

অনেকে অবশ্য ইউএফও কে ফ্লাইং সসারও বলে থাকেন। ফ্লাইং সসার বলার পিছের কারণ হচ্ছে— অধিকাংশ ইউএফও, যা দেখা গেছে বলে দাবি করা হয়, তা অনেকটা সসার বা পিরিচ আকৃতির। তবে ইউএফও যে শুধুই সসার আকৃতির, তা কিন্তু নয়। অনেক ইউএফও গোলক, অনেক সিগার আকৃতির, আবার কেউ কেউ বলে পিরামিডের মতো অনেকে অবশ্য ফ্লাইং সসারও বলে থাকেন। ফ্লাইং সসার বলার পিছের কারণ হচ্ছে— অধিকাংশ ইউএফও, যা দেখা গেছে বলে দাবি করা হয়, তা অনেকটা সসার বা পিরিচ আকৃতির। তবে ইউএফও যে শুধুই সসার আকৃতির, তা কিন্তু নয়। অনেক ইউএফও গোলক, অনেক সিগার আকৃতির, আবার কেউ কেউ বলে পিরামিডের মতো ইউএফও ও নাকি দেখেছেন তারা।

কিছু কিছু ক্ষেত্রে ইউএফও দেখাকে দেখার ভুল বা কল্পনা বলা চললেও সত্যতা কিছু আছেই।

উএফও দর্শনের প্রথম ঘটনা

প্রাচীন মিসরের অনেক লিপিতেই এ উড়ন্ত চাকতির উল্লেখ আছে। তাদের মধ্যে একটি বেশ উল্লেখযোগ্য, সেটি হচ্ছে মিসরের অষ্টাদশ রাজবংশের তৃতীয় ফারাও টুথমোজের একটি লিপি। ফারাও শীতের তৃতীয় মাস এবং দিবসের ষষ্ঠ ঘণ্টায় আকাশে কিছু অদ্ভুত দর্শনের উড়ন্ত অগ্নিগোলক দেখতে পান বলে তা লিপিবদ্ধ করে রাখার নির্দেশ দেন। এটি খ্রিস্টের জন্মেরও প্রায় ১ হাজার ৫০০ বছর আগের ইতিহাস।
এর পরও বহুবার ইউএফও-এর দর্শনের কথা শোনা যায়। তবে বর্তমান পৃথিবীর ইতিহাস অনুসারে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত ইউএফও দর্শনের তারিখ ১৫৬১ সালের ১৪ এপ্রিল। স্থান—নুরেমবার্গ, জার্মানি।

হোয়াইটভিল, ভার্জিনিয়ার ঘটনা
১৯৮৭ সাল। হোয়াইটভিল, ভার্জিনিয়ার একটি ছোট, শান্ত, ছিমছাম শহর। ডণঠঊ নামের একটি রেডিও স্টেশনে কাজ করেন ড্যানি গরডন নামের এক যুবক। প্রতি রাতের মতো রেডিও বার্তা চেক করতে গিয়ে তিনি বেশকিছু অস্বাভাবিক রিপোর্ট পান।এ রিপোর্টকারীদের মধ্যে তিনজন ছিলেন আবার শেরিফ। তারা সবাই হোয়াইটভিলের আকাশে একগুচ্ছ অদ্ভুত আলো দেখতে পান বলে দাবি করেন। ড্যানি প্রথমে এটি হেসে উড়িয়ে দিলেও মুহূর্তের মধ্যেই হোয়াইটভিল থেকে আরও অনেক তাদের তাত্ক্ষণিক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন যে এটি তাদের চোখে পড়েছে।
ড্যানি এটিকে ভার্জিনিয়া এয়ার বেসের কোনো এক্সপেরিমেন্ট ভাবলেও তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা জানিয়ে দেন, সে রাতে এমন কিছু পরীক্ষা করা হয়নি। ব্যাপারটা ধীরে ধীরে সবার মনেই একটা খটকা তৈরি করে। এর প্রায় দু’সপ্তাহ পর, ড্যানি এবং তার বন্ধু রজার হল দুজনেই খুব কাছে থেকে ইউএফও দেখতে পান বলে জানান।
‘আমরা তখন কাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলাম। হঠাত্ করেই গাড়ির বাঁদিকে আমার চোখ গেল এবং আমি ভূমির সরলরেখা বরাবর একটি খুব-ই অস্বাভাবিক বস্তু লক্ষ্য করলাম। সঙ্গে সঙ্গেই গাড়িটা ডান পাশে রেখে আমরা লাফ দিয়ে গাড়ি থেকে বের হয়ে আসি। আমরা দেখতে পাই, যে আকাশযানটি আমাদের দিকে আসছে, সেটি আকৃতিতে বিশাল এবং তার মাথার দিকে একটি ডোম আছে এবং কোনো পাখা অনুপস্থিত। আকাশযানটির ডানদিক থেকে বিভিন্ন ধরনের উজ্জ্বল আলো বিচ্ছুরিত হচ্ছিল, সেটি যত দ্রুতই আমাদের দিকে ধাবিত হচ্ছিল, ঠিক তত দ্রুতই আমাদের থেকে দূরে চলে গেল এবং একটা সময় মিলিয়ে গেল।’
এ ঘটনার তিন মাসের মধ্যেই প্রায় শতাধিক লোক ইউএফওগুলোকে বারবার দেখতে পান। কয়েকটি ছবিও তোলা হয়। হোয়াইটভিলের এ অদ্ভুত ঘটনার কোনো ব্যাখ্যাই পায়নি হোয়াইটভিলবাসী।

মেক্সিকোর ঘটনা
১৯৯১ সালের পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণের কথা বোধহয় সবারই মনে আছে। পৃথিবী যেন সূর্যগ্রহণ অবলোকন উত্সবে মেতে উঠেছিল। মেক্সিকোও ব্যতিক্রম ছিল না। কিন্তু কেউ তখনও ভাবেনি তাদের পুরো দেশকেই এ দিনটা বদলে দিবে ইউএফও-এর হিস্টিরিয়াতে।
সেই দুপুরে এঁরষষবত্সড় অত্ত্ধমরহ নামের একজন টেলিভিশন এক্সিকিউটিভ ছাদের উপরে বসে সূর্যগ্রহণের ভিডিও ধারণ করছিলেন। জিনিসটা ঠিক তখনই তার দৃষ্টিগোচর হয়। ঔধরসব গধঁংংধহ তখন কাজ করছিলেন অত্ত্ধমরহ-এর সঙ্গে। তারা পরে সূর্যগ্রহণের ভিডিও টেপটি মেক্সিকান টিভি চ্যানেলে সমপ্রচার করেন, সূর্যগ্রহণের ৮ দিন পর। এই টেপটির সঙ্গে তারা ইউএফও-এর ফুটেজটিও সমপ্রচার করে। মুহূর্তের মধ্যে তারা ৪০০০০ ফোন পান প্রায় একই সঙ্গে। এটা এতটাই দ্রুত ছিল যে, সব নেটওয়ার্ক বিকল হয়ে যায়। বহু প্রত্যক্ষদর্শী তাদের জানায়, তারা ঠিক একই বস্তু দেখেছেন মেক্সিকোর আকাশে। পরে তারা মেক্সিকানদের ধারণকৃত কমপক্ষে ১৫টি ভিডিও পান, যার সঙ্গে অত্ত্ধমরহ-এর ভিডিও’র কোনো পার্থক্য নেই। ২ মাস পর ঠিক একই রকমভাবে আরও অনেক ইউএফও দেখা যায় মেক্সিকোর আকাশে।

ফিনিক্স রহস্য
মার্চ ১৩, ১৯৯৭-এর রাত। অ্যারিজোনার অধিবাসী গরপযধবষ কত্ুুংঃড়হ-এর অপটু লেন্সে ধরা পড়ল ‘ভি’ আকৃতির এক অদ্ভুত আলোক গুচ্ছ। শুধু কত্ুুংঃড়হ-ই নন, অ্যারিজোনার কমপক্ষে হাজারখানেক মানুষ সে রাতে একই আলো দেখেছেন এবং এগুলো যে ইউএফও এ সস্পর্কে তারা প্রায় নিঃসন্দেহ পোষণ করেছেন।

রসওয়েলের অমীমাংসিত রহস্য
এটি ইউএফও-এর সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত খুব বেশি আলোচিত একটা ঘটনা। ঘটনার সূত্রপাত ১৯৪৭ সালে একটি বজ্রপাতসহ ঝড়ের মাধ্যমে। ‘ম্যাক’ নামের এক ভদ্রলোক তখন তার ঘরে বসেই ঝড় দেখছিলেন। হঠাত্ তার বাড়ির সংলগ্ন বড় ক্ষেতে তিনি বেশ বড়সড় এবং অস্বাভাবিক এক বজ্রপাতের শব্দ পান।
পরেরদিন তিনি যখন তার ছেলেকে নিয়ে ক্ষেতের ক্ষয়ক্ষতি দেখতে গেলেন, তখন অবাক হয়ে দেখলেন বজ্রপাতের কোনো চিহ্নই নেই। বরং মাঠজুড়ে পড়ে রয়েছে কোনো কিছুর ধ্বংসাবশেষ। প্রায় তিন মাইলেরও বেশি লম্বা এবং দুই-তিনশ’ ফুট প্রস্থজুড়ে ধ্বংসাবশেষগুলো ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ছিল। ম্যাকে ভাষ্য অনুসারে, উদ্ধারকৃত টুকরোগুলোকে এককথায় ধাতু বলা যায় না। টুকরোগুলো ছিল বেশ মজবুত এবং প্লাস্টিকের মতো হালকা অথচ প্লাস্টিক নয়। দুই-তিন ফুট লম্বা টুকরোগুলোও খবরের কাগজের মতোই হালকা ছিল বলেন ম্যাক। তবে এই টুকরোগুলোকে তিনি কাটতে পারেননি এবং আগুনেও পোড়াতে পারেননি বলে জানান তিনি।
পরেরদিন রসওয়েল আর্মি এয়ার বেসে ঘটনাটি জানানো হয়। সেদিন বিকেলেই আর্মি ইন্টেলিজেন্সের কিছু কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করতে আসেন। তাদের মধ্যে একজন ছিলেন মেজর জেসি মারসেল, যার উপর এ ঘটনাটি তদন্তের মূল দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল। তিনিও টুকরোগুলো দেখে হতভম্ব হয়ে যান। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি বলে গেছেন, এটি তার জীবনে দেখা সবচেয়ে বেশি অস্বাভাবিক ঘটনা। তিনিও টুকরোগুলোকে আগুনে পোড়াতে পারেননি। তিনি দৃঢ়ভাবেই দাবি করেন, এটি কোনোভাবেই এয়ার বেলুন অথবা পৃথিবীতে তৈরি কোনো আকাশযানের ধ্বংসাবশেষ নয়। তার কাছে সবচেয়ে আশ্চর্য লেগেছে যে টুকরোটি সেটি একটি ছোট ‘এলবিম’-এর টুকরো যেটি এর উপরে কিছু অদ্ভুত চিহ্ন এবং অক্ষর খোদাই করা ছিল। এটা থেকে তার মনে বিশ্বাস আরও প্রবল হয় যে এটি পৃথিবীর বাইরের কোনো একটা স্থানে তৈরি কোনো আকাশযান।
খবরটা নিউজ পেপারে চলে আসে মুহূর্তেই। ঠিক ওইদিন সক্করো, মেক্সিকো থেকেও ইউএফও দর্শনের কিছু রিপোর্ট পাওয়া যায়। এই ঘটনাগুলো রসওয়েলে বেশ চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে।
তবে রসওয়েল এয়ার বেস কোনো এক অজ্ঞাত কারণে খবরটা ধামাচাপা দেয়ার প্রাণপণ চেষ্টা করে। গ্লেন ডেনিস নামের ২২ বছরের এক ছেলেও ম্যাকের মাঠটি পর্যবেক্ষণ করেছিলেন। পরে তাকেও মিলিটারি ক্যাস্পে নিয়ে যাওয়া হয় এবং তাকে বলা হয়, এটি নিয়ে আর কোনো রকম উচ্চ্যবাচ্চ্য না করার জন্য। এছাড়া ঠিক ওই সময়ে একজন নার্স দাবি করেন, তাকে এয়ার বেস ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল তিনটি বডি অটোপসি করার জন্য। তিনি বলেন, তিনটি প্রাণীর কোনোটিই পৃথিবীর নয়, এ ব্যাপারে তিনি শতভাগ নিশ্চিত। তিনি প্রাণীগুলোর বর্ণনা দেন এভাবে—
‘তারা আমাকে ডেকেছিল ঢ়ধত্ঃরধষ ধঁঃড়ঢ়ংু-এর জন্য। তাদের ওখানে একটা বড় ক্রাশব্যাগ ছিল যেটির মধ্যে দোমড়ানো-মোচড়ানো খুব ছোট দুটি বডি ছিল, যাদের মাথা ছিল দেহের তুলনায় অনেক বড়। তাদের কোনো কান ছিল না বরং তাদের কানের দুটি ক্যানাল ছিল। তাদের বিবর ছিল দুটি, এবং তাতে কোনো দাঁত ছিল না।’ পরে গ্লেন অবশ্য নার্সটিকে অনেক খুঁজতে চেষ্টা করেছিল, যদিও তাকে আর কখনোই খুঁজে পাওয়া যায়নি।
এটি প্রমাণিত হলে এয়ার বেস মিলিটারি তাদের বিবৃতি দিয়ে বলেন, তাদের প্রাপ্ত প্রাণীগুলো আসলে একটি এয়ার বেলুনের ডামি ছিল। যদিও তাতে সন্দেহ দূরীভূত না হয়ে উল্টো সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়।

টেক্সাসে ইউএফও
ডিসেম্বরের ২৯ তারিখ, ১৯৮০ সাল। ডিনার শেষে গাড়িতে করে বাড়ি ফিরছিলেন বিটি ক্যাশ, ভিকি ল্যান্ড্রাম ও তাদের ৭ বছরের নাতি কলবি। টেক্সাসে-ডেয়টনের কাছাকাছি স্টেট রোড থেকে তারা যখন যাচ্ছিলেন তখন রাত প্রায় ৯টা। ঠিক এসময় আকাশে খুব উজ্জ্বল এক আলো দেখতে পান তিনজনই। তাদের গাড়ি অগ্রসর হচ্ছিল এবং এ অবস্থাতেই গাছের ফাঁক থেকে তারা বস্তুটিকে দেখতে পাচ্ছিলেন। বিটি ক্যাশ তার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন এভাবেই—‘আমরা তখনও জানতাম না এটা কি, শুধু এটাই বুঝেছিলাম যে এটি প্লেন নয়। আকাশ তখন অত্যধিক উজ্জ্বল হয়ে পড়েছিল। একটা সময় ভিকির চিত্কারে আমি গাড়ি থামাই এবং বস্তুটিকে দেখার জন্য দরজা খুলে বের হয়ে আসি। বের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আমি প্রচণ্ড তাপ অনুভব করি এবং যানটিকে ভালোভাবে দেখতে পাই। এটি ছিল অনেকটা ডায়মন্ডের আকৃতির, যেটার নিচ থেকে প্রচণ্ডভাবে তাপ নির্গত হচ্ছিল। মুহূর্তের মাঝে আমি পালাতে চাইলাম ওই জায়গা ছেড়ে। গাড়ির হ্যান্ডেলে যখন হাত দিলাম তখন সেটি পুরোপুরি তপ্ত একটা ধাতু। আমার শুধু মনে হচ্ছিল, আমরা এখান থেকে জীবিত ফেরত যেতে পারব তো?
ভিকি বলেন, এর কিছুক্ষণের মধ্যেই বহু হেলিকপ্টার জায়গাটিকে কভার করে ফেলে। পরেরদিন তিনজনই মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়েন। দ্রুত তাদের হাসপাতালে নেয়া হলে ডাক্তাররা জানান, তারা রেডিয়েশন পয়জনিং-এ আক্রান্ত হয়েছেন। পরে ক্যাশ এবং ভিকি সরকারের কাছ থেকে সদুত্তর পাওয়ার আশায় অনেক চেষ্টা করেও সফল হতে পারেননি। এখানেও টেক্সাস সরকার ধামাচাপা দিয়ে ফেলে ব্যাপারটিকে। পুড়ে যাওয়া রাস্তার ওই অংশটুকু অতি দ্রুত খুঁড়ে নতুন করে রাস্তা করে দেয়া হয়, যাতে ওটা লোকচক্ষুর দৃষ্টিগোচর না হয়।
ভিকি এবং ক্যাশ আজীবন প্রশ্ন করে গেছেন এই রহস্যজনক ঘটনার, কিন্তু তাদের এ রহস্যের কোনো সমাধান দিতে সরকার পক্ষের কেউই এগিয়ে আসেনি।

পানিতেও ইউএফও
ইউএফও যে শুধু পৃথিবীর আকাশে কিংবা মাটিতে দেখা গেছে, তা কিন্তু নয়। বরং পানিতেও ইউএফও দর্শনের নজির মিলেছে। বিমিনির উত্তরে আইজাক লাইট আর মিয়ামির মধ্যখানে গালফ স্ট্রিমের পানির তলায় বারবার দেখা গেছে সিগার আকৃতির ইউএফও। ডেলমনিকো নামের এক ক্যাপ্টেন পানির নিচে এই সাদাটে ধূসর বস্তুটি দেখতে পান। তার দাবি, এটি কোনোভাবে পানিতে আলোড়ন তৈরি না করে চলাফেরা করছিল।
পুয়ের্টোরিকোর কাছের সাগরেও ইউএফও’র দেখা মেলে একবার। মার্কিন নৌবাহিনীর কোনো একটা মহড়া চলাকালীন তাতে অংশগ্রহণকারী সব জাহাজ এবং সাবমেরিন এ পানির নিচে ইউএফওটা দেখতে পান। সাবমেরিন একে ধাওয়া করলেও বস্তুটি নিমিষেই সাতাশ হাজার ফুট গভীর পর্যন্ত নেমে ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে গিয়েছিল। এর গতিও ছিল অস্বাভাবিক এবং আলোড়নুবিহীন।
সূত্র: আমারদেশا

0 টি মন্তব্য:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

ইমেইলে গ্রাহক হোন