ভিজিট করুন নতুন ও স্হায়ী ব্লগ www.alomoy.com, it.alomoy.com
ছবিপোস্ট লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ছবিপোস্ট লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মজার জিনিস ক্যালিডোস্কোপ; ছবি ও বর্ণনা

 ক্যালিডোস্কোপ কিঃ একটি নলের ভেতরে কিছু নানা রঙের কাচের টুকরো বা নুড়ি পাথর রাখা হয়। এতে তৈরি হয় অনেক সুন্দর নকশা। একটু ঘোরালেই পরিবর্তন হয় নকশার কাঠামো। কিন্তু কোন অগোছালো নকশা নয়। এসব নকশাকে কাজেও লাগানো যায়- ওয়ালপেপার, কার্পেট বা কাপড় অলঙ্কৃত করার কাজে। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে নলের ভেতর দিয়ে তাকানোর সৌন্দর্য্য।  

কীভাবে কাজ করে; 
দুচারটে পরস্পরমুখী আয়না দিয়েই এটি বানানো যায়। একপাশে বস্তুটি থাকে। অপর পাশে কাচ বসিয়ে চোখ রাখলে নলের ভেতর দিয়ে আসা আলোকরশ্মি কাচগুলোতে প্রতিফলিত হয়। সবশেষে চোখে এসে ধরা দেয় সুন্দর নকশা। আরো বেশি কাচ ব্যাবহার করলে নকশাও দেখা যাবে বেশি বেশি। একটু নাড়িয়ে নিলেই নকশা হয়ে যাবে আরেকরকম কিন্তু পরিবর্তন আসবে শুধু বৈচিত্রেই সৌন্দর্যে নয়। আয়নার বদলে প্লাস্টি, নুড়ি, পেপারক্লিপ দিয়েও ক্যালিডোস্কোপ বানানো যায়।

আবিষ্কারঃ স্যার ডেভিড ব্রুস্টার আলোর পোলারাইজেশন পরীক্ষণ চালাতে গিয়ে ক্যালিডোস্কোপ আবিষ্কার করে ফেলেন। তখন ১৮১৭ সাল। তিন মাসের মাথায় এর ২ লাখ বিক্রি হয়ে যায় লন্ডনে ও প্যারিসে।

 বৈশিষ্ট্যঃ এর মধ্যে যদি ২০ টুকরো কাচ ভরা হয় আর ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে প্রতি মিনিটে দশটা করে নকশা দেখা হয় তাহলে সবগুলো নকশা দেখতে সময় লাগবে..............কত ভাবতে পারেন?...............৫০,০০০ কোটি বছর!!!!!

 বর্তমানে এর আলোকচিত্র নেয়া সম্ভব বলে নকশা তৈরির কাজে এটি ব্যাবহার করা হয়।

বিশ্বের কিছু মারাত্মক বিপজ্জনক সড়ক

১.চীনের গুয়োলিয়াং টানেল রোড( Guoliang Tunnel Road (China)






২.নরওয়ে ট্রোলস্টিজেন [Trollstigen (Norway)]



৩. স্টেলভিও গিরিপথ সড়ক-ইতালি Stelvio Pass Road Trollstigen(Italy)



৪. স্কিপারস ক্যানিয়ন- নিউজিল্যান্ড (Skippers Canyon, New Zealand)





৫. টারোকো-তাইওয়ান [Taroko, Taiwan]







৬. ক্রোয়েশিয়া কোস্টাল সড়ক [ Coastal Roads, Croatia]





বিশ্বের সুন্দরতম কিছু ফুল

১. সর্বজয়া/কালবতী (Canna)

২. চেরি


৩.Colorado Columbine


৪. অম্বপুট (Hydrangea)


৫. উপত্যকার পদ্মফুল (Lily of the Valley)


৬. Bleeding Heart


৭. গোলাপ


৮. প্রাচ্য পোস্ত (Oriental Poppy)


৯. Begonia


১০.Dendrobium

বিশ্বের কিছু সুন্দরতম জায়গা, ছবি ও চুম্বক বর্ণনা

.Lord Howe Island, Australia
এটি অষ্ট্রেলিয়ার নরফোক আইল্যান্ড থেকে ৯০০ কি.মি. দূরত্বে অবস্থিত। এতে একসাথে ৪০০ জন মানুষের বেশি দর্শনে যাবার অনুমতি নেই। এতে একইসাথে রয়েছে নিখুঁত সৈকত, নীল লেগুন, কোরাল রীফ, আগ্নেয় চূড়া ও রেইনফরেস্ট। এতে রয়েছে কিছু এন্ডমিক (যাদের বসবাস নির্দিষ্ট কোন একটি মাত্র স্থানে) প্রাণীও

২.Namaqualand, South Africa

দক্ষিণ আফ্রিকা ও নামিবিয়ার সীমান্ত এলাকাজুড়ে এর অবস্থান। বছরের বেশিরভাগ সময়েরই এটি শুষ্ক ও অনুর্বর দেখায়। কিন্তু বসন্তে এটি ভরা যৌবন নিয়ে আসে যখন এতে ফোটে শতশত ডেইজি ফুল যা একে করে তোলে অনিন্দ্যসুন্দর যা মনে করিয়ে দেয় আল্লাহর সেই প্রাকৃতিক নিদর্শনের উল্লেখের কথা কুরআনে তিনি যেমনটি বলছেন
আল্লাহই বায়ু প্রেরণ করেন, অতঃপর সে বায়ু মেঘমালা সঞ্চারিত করে। অতঃপর আমি তা মৃত ভূ-খন্ডের দিকে পরিচালিত করি, অতঃপর তদ্বারা সে ভূ-খন্ডকে তার মৃত্যুর পর সঞ্জীবিত করে দেই। এমনিভাবে হবে পুনরুত্থান। সুরা ফাতির (৩৫:৯)

৩.Plitvice Lakes National Park, Croatia

 দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের সর্বপ্রাচীন ও ক্রোয়েশিয়ার সর্ববৃহৎ ন্যাশনাল পার্ক। এটা এখন বিশ্বঐতিহ্য স্থানগুলোর (World Heritage Site) একটি। তরঙ্গায়িত হয়ে সজ্জিত লেকগুলোর জন্যে এ পার্কটি বিখ্যাত। বর্তমানে ১৬ টি লেক এর পৃষ্ঠ থেকে দেখা যায়। ১৯৪৯ সালে এটি আবিষ্কৃত হয়। ছবিটি বড় করে দেখলে আরো সুন্দর মনে হবে
৪.Gullfoss, Iceland

White River এ অবস্থিত গালফোস নামক জলপ্রপাতের সুন্দর জলপ্রপাত আইসল্যান্ডে দ্বিতীয়টি নেই যদিও দেশটি অনেক প্রপাতের জন্য বিখ্যাত। এটার আলাদা বৈশিষ্ট্য হলো তিনটি বিশাল স্তর অতিক্রম করে প্রপপাতগুলো দুইস্তরে নিমজ্জিত হয়ে ৩২ মিটার ফাটল তৈরি করে। এর ফলেই মনে হয় যেন জলপ্রপাতগুলো বিশাল গহ্বরের উপরে অবস্থিত, অবশ্য যেকোন গহবরতো দেখতে দর্শনীয় নয়!!য়।

৫. Antelope Canyon, Arizona

আমেরিকার কোন গিরিখাতের কথা কেউ প্রসঙ্গে তুললে যদিও সাথে সা্থে গ্রান্ড ক্যানিয়নের কথা মনে চলে আসে তবুও অ্যান্টিলোপ ক্যানিয়নও গুরুত্ব পাবার দাবী রাখে। এটি দক্ষিণপূর্ব আমেরিকার সবচেয়ে দর্শনীয় ও স্ন্যাপকৃত (ছবি তোলা হয়েছে) সরু গিরিখাত।  হাজার হাজার বছর ধরে বেলেপাথর ক্ষয়ে গিয়ে সৃষ্ট নদী ও জলপ্রবাহের ফলে এর সৃষ্টি। এর মধ্যে মাইলের পর মাইল হেঁটে যাওয়া নিঃসন্দেহে এক অদ্ভূত অনুভূতির সৃষ্টি করবে।

ছবি ভ্রম। কিছুক্ষণ মষ্তিষ্ককে ব্যাস্ত রাখুন

১. বৃত্তগুলো কি চক্রাকারে দোল খাচ্ছে?

২. মাঝের বৃত্তে কি কিছু ঘটছে। কিছু মনে না হলে চোখ স্ক্রিনের কাছে আনুন, দূরে নিন। করতে থাকুন
 ৩. ছবিটায় কি কোন সর্পিল পথ আছে? নাকি নিছক বৃত্ত?
৪. মনে হচ্ছে কি যে একটা দোল বা তরঙ্গ খেলা করছে। আসলে সবই মষ্তিষ্কেরে কারসাজি।
৫. প্রায় একই ব্যাপার। কোন তরঙ্গ আছে কি?

৬. লাইনগুলো কি সমান্তরাল?
৭. বৃত্তটা কি ঘুরছে? চোখ কাছে আনুন দূরে নিন। বুঝতে পারবেন অদ্ভূদ কিছু



আরো পোস্ট দেখতে পুরাতন পোস্টসমূহ লেখায় ক্লিক করুন