ভিজিট করুন নতুন ও স্হায়ী ব্লগ www.alomoy.com, it.alomoy.com
টেক লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
টেক লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

যেকোন ওয়েবসাইট বা ব্লগ থেকে অডিও বা ভিডিও ডাউনলোড করুন সহজেই

এ পোস্টে মজিলা ফায়ারফক্স ব্যাবহারকারীদের জন্যে যেকোন ওয়েবসাইট বা ব্লগ থেকে অডিও বা ভিডিও সহজেই ডাউনলোড  করার কৌশল বলব। এর মাধ্যমে যেকোন ওয়েবসাইটে যদি কোন অডিও বা ভিডিও থেকে থাকে মজিলার এই অ্যাডঅনটির মাধ্যমে সেটা শনাক্ত হবে এবং ডাউনলোড করে নেওয়া যাবে।
১. এই লিঙ্কে যান
২. Video DownloadHelper  নামক অ্যডঅনটির উপর মাউস ধরে add to firefox-এ ক্লিক করুন। কিছুক্ষণের মধ্যেই ডাউনলোড হয়ে গিয়ে ইনস্টল হবার অপশন আসবে। তখন ইন্সটল দিয়ে ব্রাউজার রিস্টার্ট করুন।
৩.  ‍পুনরায় ব্রাউজার খুললে দেখবেন উপরে বামপাশে একটি ত্রিকোণাকারমত আইকন। স্বাভাবিক অবস্থায় সাদা কালো। কিন্তু যখনই কোন ওয়েবসাইটে অডিও, ভিডিও বা ছবি পাওয়া যাবে তখনই ত্রিকোণটি দুলতে থাকবে। এতে ক্লিক করেই সহজে ডাউনলোড করা যাবে। একাধিক ফাইল থাকবে সবগুলোর লিস্ট দেখা যাবে। ফলে সবগুলো বা যেকোনটা নামানো যাবে। যেমন ছবিতে
 ৪. যেমন ইসলামী সঙ্গীতের এই ব্লগে  গিয়ে একটি সঙ্গীত প্লে করুন। দেখবেন উপরের ছবির ডান পাশের মত ত্রিকোণ দুলতে থাকবে। ব্যাস।

আরবী কিবোর্ড ছাড়াই ব্লগে ও যেকোন ওয়েবপেজে আরবী পোস্ট ও মন্তব্য লিখুন।

যদি আপনি মজিলা ফায়ারফক্স ব্রাউজার ব্যাবহার করেন তাহলে আপনার কোন আরবী কি-বোর্ড না থাকলেও ব্লগে মন্তব্য বা পোস্ট দেবার সময় আরবী টাইপ করতে পারবেন। এজন্যে একটি Add-on ইন্সটল দিতে হবে। এই লিঙ্কে ক্লিক করে Yoolki Arabic Keyboard নামক Add-on টির add to firefox লেখায় ক্লিক করতে হবে। এরপর এটা ডাউনলোড হয়ে ইন্সটল হবার অপশন হবে। ইন্স্টল করে ব্রাউজার রিস্টার্ট করুন (কম্পিউটার রিস্টার্ট নয়- অপশন দেখাবে, সহজেউ বুঝবেন- মানে ব্রাউজার ক্লোজ করে আবার ওপেন করা)।



এবার যেকোন ব্লগে বা সাইটে যেকোন ইনপুট লেখার জায়গায় রাইট-ক্লিক করে "Write Arabic here" -এ ক্লিক করুন। নিচের পপআপটি আসবে।



এবার এখানে কোন ইংরেজি টেক্সট লিখলে তা প্রতি-বর্ণায়ণ (transliteration) হয়ে আরবী হয়ে যাবে। অথবা আরবীতে অনুবাদও করা যাবে।
যেমন আমি লিখেছিলাম ana যা হয়ে গেল انا ।
সমস্যা হলে পপআপের হেলপ দেখতে পারেন। তবে সহজেই বুঝে ফেলার কথা। এছাড়াও এ পৃষ্ঠায় বিস্তারিত নিয়ম কানুন দেখে নিতে পারেন। আমি একটি স্ন্যাপশট দিচ্ছি





ধন্যবাদ। আশা করি কাজে লাগবে।

বাংলাদেশ থেকে সহজেই ইউটিউব ভিজিট করুন আলাদা সফটওয়্যার ছাড়াই

সরকার নিজেদের স্বার্থে ইউটিউব এখনো বন্ধ করে রেখেছে। কিন্তু আমাদের ক্ষতি হচ্ছে। আসুন বাংলাদেশে বসে সহজেই ভিজিট করি। কাজটি একেবারেই সরল।
ব্রাউজার হতে হবে মজিলা ফায়ারফক্স। এই লিঙ্কে গিয়ে ProxTube - Unblock YouTube নামক অ্যাড-অন (Add-ons ) টিতে যান। Add to Firefox এ ক্লিক করুন।


ডাউনলোড হয়ে গেলে নিজেই ইনস্টল হবে। শুধু ইনস্টল নাউ লেখায় ক্লিক করতে হবে।
এবার দেখুন উইন্ডোর উপরে ডানপাশের অংশে একটি মুখের চিহ্ন।


একবার ক্লিক করলে এটা সক্ষমিত হবে। আবার ক্লিক করলে অক্ষম হবে। ভিজিট করতে সক্ষম কার অব্স্থায় ইউটিউবের যেকোন লিঙ্ক পরিদর্শনর করুন। যেমন Click this link...
এটি মাত্র ২ এমবির কাছাকাছি

আরেকটি সমস্যা ও সমাধানঃ
বিভিন্ন ব্লগে বা সাইটে এমবেড করা ভিডিও সরাসরি দেখা যায় না। এক্ষেত্রে এরকম লেখা দেখা যায়-While trying to retrieve the URL: http://www.youtube.com/embed/TUiaE5tN-20?
এবার এখান থেকে http://www.youtube.com/embed/TUiaE5tN-20? অংশ ব্রাউজারের এড্রেসবারে পেস্ট করুন। embed/ মুছে দিয়ে এর জায়গায় watch?v= বসান। অর্থ্যাৎ যদি এমন থাকে-https://www.youtube.com/embed/KSVlocPsrRw
তাহলে হবে এমন
https://www.youtube.com/watch?v=KSVlocPsrRw
এবার এন্টার চেপে সরাসরি ইউটিউবে গিয়ে দেখে আসুন
সিমস্যা হলে বলুন

অনলাইনে কনভার্ট করুন ছবি, অডিও, ভিডিও সহ অনেক কিছু

online-convert.com   সাইটে গিয়ে ছবি, ডকুমেন্ট, অডিও, ভিডিও ইত্যাদি অসংখ্য ফরম্যাটে কনভার্ট করা যায়।
অপশন আছে দু’টি। চাইলে আপনার কম্পিউটার থেকে একটি ফাইল আপলোড করতে পারেন। অথবা ফাইলের url বা ঠিকানাও দিতে পারেন। এরপর নিচে কিছু ঐচ্ছিক অপশন আছে।
এগুলো পূরণ না করলেও চলবে। আগেই ঠিক করতে হবে কোন ফরম্যাটে রূপান্তর করবেন। এরপর ব্রাউজ করলে বা লিংক বসানোর পর Convert file লেখায় ক্লিক করলে ১ মিনিটের কম সময়েই এটি রূপান্তর হয়ে ডাউনলোড করার পপআপ দেখাবে। ব্যাস।

ফেসবুক ভিডিও ডাউনলোড করার পদ্ধতি

ইউটিউব থাকা সত্বেও ফেসবুকে রয়েছে অনেক ভিডিও। ফেসবুকের ভিডিও গুলি আমার মনে হয় ইউটিউবের চেয়েও সহজে ডাউনলোড করা যায়। নিচে কয়েকটি সহজ অপশন বলছি-
১.* downvids.net সাইটে যান।
*নির্দিষ্ট স্হানে ফেসবুক ভিডিওটির ঠিকানা বসান।
* যেমন https://www.facebook.com/photo.php?v=10151323092144759
*একটু পরেই নিচে Download this video লেখা আসবে। এখানে ক্লিক করুন। ব্যাস

২. facebookvideodown.com  সাইট থেকেও করা যায়

মজিলা ফায়ারফক্সের বুকমার্ক স্থায়ীভাবে সঞ্চয় করে হারিয়ে যাওয়া থেকে বাঁচান।

ওয়েবে ঘোরাঘুর করবার সময় বিভিন্ন তথ্যবহুল ও গবেষণামূলক যেকোন সুন্দর লেখা পছন্দ হয়ে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে আপনি লিঙ্কটিকে বুকমার্ক করে রাখেন যাতে চাইলে পরে আবার সহজেই  ঐ লিঙ্কে প্রবেশ করতে পারেন। কিন্তু ধরুণ কোন কারণে বুকমার্কগুলো হারিয়ে গেল- যেমন পিসি সেটআপ দেবার কারণে বা অন্য কোন অনাকাঙ্ক্ষিত কারণে, তাহলে কোথায় পাবেন দরকারী লিঙ্কগুলো?
আসুন সহজ সমাধানে পৌঁছি। বুকমার্কগুলো একটি সুন্দর এইচটিএমএল ফাইল হিসেবে ডিভাইসেই সঞ্চয় করে রাখা যাবে। পরবর্তীতে ফাইলে প্রবেশ করে দেখে নিবেন লিঙ্কগুলো। নিয়মিত বুকমার্ক করতে থাকলে প্রক্রিয়াটি মাঝে মাঝে পুনরায় করতে পারেন।
সহজ প্রক্রিয়াটি হলো-
১, উপরে ডান পাশের Bookmarks লেখায় ক্লিক করুন। ডান পাশে কিছু না থাকলে বাম পাশের মেনু থেকে Bookmarks ট্যাব বের করে ক্লিক করুন।
২. Show All Bookmarks- এ ক্লিক করুন।
৩. Import and Backup এ ক্লি করুন
 ৪. Export Bookmarks to HTML....  এ ক্লিক করুন।

৫. একটি নতুন উইনডো খুলবে। ফাইলটি কোথায় রাখবেন সেটা দেখাবে। পছন্দের জায়গায় সঞ্চয় করুন। ব্যস!
 

চশমা ছাড়াই দেখতে পাবে চোখের রোগী!

সূত্র: আমারদেশ অনলাইন
গুগল গ্লাস প্রকল্পের উদ্দীপিত বাস্তবতা প্রযুক্তিসহ অন্যান্য কম্পিউটার ডিসপ্লে প্রযুক্তিগুলো বেশ মজার এবং উত্তেজনায় ভরা। কিন্তু যারা দৃষ্টিশক্তির সমস্যার কারণে চশমা ব্যবহার করেন, তাদের জন্য কি এজাতীয় মজার গ্যাজেট উপযুক্ত? চশমা পরলে অনেক মজার ব্যাপার থেকেই এভাবে দূরে থাকতে হয়, তাই অনেকেই বিরক্তি বোধ করেন। এই সমস্যা এড়াতে এক গবেষক দল কাজে লেগেছে। তারা বলছেন, তারা সমস্যাটি সমাধান করতে পারবেন। তারা বলছেন, যদি ছবি বা ভিডিও এমন একটি স্ক্রিনে নিয়ে আসা যায় যা বিশেষভাবে চক্ষু সমস্যায় যারা ভুগছে তাদের জন্য তৈরি, তাহলেই তো সমাধান হয় এই সমস্যা।
এই বিশেষ স্ক্রিন তৈরি করা হবে মাইওপিয়া (দূরের বস্তু দেখতে না পাওয়া), হাইপামেট্রোপিয়া (কাছের বস্তু দেখতে না পাওয়া) এমনকি ছানি পড়াসহ বিভিন্ন চক্ষু রোগীর কথা চিন্তা করে। ফলে হাই পাওয়ারের চশমা ছাড়াই খালি চোখে এই স্ক্রিনে দেখানো যে কোনো কিছু পরিষ্কার দেখতে পাবে তারা।
অনেকেই চশমা পরতে পছন্দ করেন না, তাদের জন্য চমত্কার একটি অপশন হতে পারে এই প্রকল্পিত ডিভাইসটি। গাড়ির ড্যাশ বোর্ডসহ বিভিন্ন স্থানে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে মানুষের চশমা থেকে মুক্তি মিলতে পারে। কথাগুলো বলেন ‘আইনেত্র’ নামের একটি চক্ষুসেবা প্রতিষ্ঠানের সহ-প্রতিষ্ঠাতা, কম্পিউটার বিজ্ঞানী ভিটর পাম্পলোনা। গবেষক দলের সঙ্গে ৮ আগস্ট তিনি এই বিষয়ে একটি গবেষণাকর্ম SIGGRAPH সম্মেলনে প্রদর্শন করেন।
একটি স্মার্টফোন বা অন্য কোনো ডিভাইস যখন সামনে ধরা হয়, তখন সাধারণ দূরত্বে থাকলেও মাইওপিয়া রোগীর তা দেখতে সমস্যা হয়। কারণ তার চোখের স্পষ্ট দর্শনের নিকট বিন্দু চোখের আরও কাছে। মোট কথা, একটু দূরের যে কোনো কিছু দেখতে সমস্যা হয় এধরনের রোগীর।
যে জিনিসটি দেখতে চাচ্ছেন, তার আকৃতির ওপরও বিষয়টি নির্ভর করে। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, একই দূরত্বে রাখা কোনো বড় ফন্টের একটি লেখা দেখতে পেলেও তার চেয়ে ছোট ফন্টের লেখা দেখতে পাবেন না মাইওপিয়া রোগী।
চোখের সামনে তারা যখন ফোনটি ধরবেন, তখন ফোনটি বাস্তবে যেখানে আছে তার চেয়ে আরও কাছের কোনো একটি বিন্দুতে চোখ ফোকাস করবে, ফলে মানুষটি ফোনের (বা অন্য যে কোনো কিছুর) সঠিক আকৃতি বুঝতে পারবে না। এর ঠিক উল্টো ঘটনা ঘটে হাইপারমেট্টোপিয়া রোগীর ক্ষেত্রে। তারা ফোকাস করে প্রকৃত অবস্থানের চেয়ে দূরে। ফলে তারা কাছে থাকা যে কোনো কিছু দেখতে সমস্যায় পড়ে। বুঝতেই পারছেন, আপনি যদি ক্যামেরায় ‘আউট অব ফোকাস’ কোনো ছবি তোলেন, তা আপনার চোখে যেমন দেখায়, খালি চোখে বাস্তব পৃথিবীকে সেরকমই লাগে ক্ষতিগ্রস্ত চোখের মানুষের কাছে।
এই সমস্যা সমাধানে পাম্পলোনা মানুষের চশমার প্রেসক্রিপশন নিয়ে খুঁজে বের করে মানুষটি খালি চোখে বস্তুর সামনে বা পেছনে শূন্যের ঠিক কোনো অবস্থানে দৃষ্টি ফেলে। তখন তার প্রোগ্রাম করা ডিভাইসটি সেই স্থানে ছবি ফেলে, ফলে মানুষটি শূন্যস্থানে ওই ছবির একটি ভার্চুয়াল পিক্সেল দেখতে পায়। এভাবে চশমা ছাড়াই সে পরিষ্কার দেখতে পারে।
এই পদ্ধতিতে মাত্র একজন লোকের জন্য একটি ডিভাইস ডিজাইন করতে হবে ব্যাপারটি এমন নয়। বিভিন্ন মানুষ এ ধরনের একটি ডিভাইস শেয়ার করতে পারবে, জানান পাম্পলোনা। তিনি আরও জানান, সেক্ষেত্রে প্রত্যেককে তাদের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট খুলে তাতে নিজের প্রেসক্রিপশনের তথ্যাদি যোগ করতে হবে। এই ইমেজ অ্যাডজাস্টিং প্রোগ্রাম অ্যাকটিভ করতে হলে সেই নির্দিষ্ট অ্যাকাউন্ট থেকে লগ-ইন করতে হবে। এভাবে বিভিন্ন অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে একটি ডিভাইস ব্যবহার করতে পারবে অনেকে, জানান পাম্পলোনা। তবে এই প্রযুক্তি এখনও পর্যন্ত গবেষণার প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।

সফটওয়্যার ছাড়া ফোল্ডারে পাসওয়ার্ড

সূত্র: আমারদেশ


এখন ফোল্ডারে পাসওয়ার্ড বা গোপন নম্বর দেয়ার জন্য দরকার হবে না কোনো সফটওয়্যারের। আর সফটওয়্যার ছাড়া এ কাজটি করতে হলে বাছাইকৃত ফোল্ডারটির ওপর মাউস পয়েন্ট রেখে ডান বাটনে ক্লিক করুন। এবার Send to অপশনে গিয়ে Compressed (Zipped folder) folder-এ ক্লিক করুন। ফলে ফোল্ডারটি Zip Folder-এ রূপান্তরিত হবে। এখন এই Zip folder-এ মাউস পয়েন্ট রেখে আবার ডান বাটনে ক্লিক করুন এবং Open with-এর Compressed (Zipped) folder-এ ক্লিক করুন। এখন যে নতুন উইন্ডোটি আসবে, সেখানে যে কোনো খালি জায়গায় মাউস পয়েন্ট রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে add a password-এ ক্লিক করতে হবে এবং Password ও confirm Password-এ একই গোপন নম্বর দিয়ে ok করে দিতে হবে।

কয়েকটি বিনামূ্ল্যের ও বিজ্ঞাপনমুক্ত ফ্ল্যাশ ঘড়ি

১.
এমবেড কোড:
<object><param name="movie" value="http://flash-clocks.com/free-flash-clocks-for-websites/free-flash-clock-63.swf"><embed src="http://flash-clocks.com/free-flash-clocks-for-websites/free-flash-clock-63.swf" width="150" height="150" wmode="transparent"> </embed></object>
২. এমবেড কোড:
<object><param name="movie" value="http://flash-clocks.com/free-flash-clocks-for-websites/free-flash-clock-15.swf"><embed src="http://flash-clocks.com/free-flash-clocks-for-websites/free-flash-clock-15.swf" width="150" height="150" wmode="transparent"> </embed></object>
৩. এমবেড কোড:
<object><param name="movie" value="http://flash-clocks.com/free-flash-clocks-for-websites/free-flash-clock-8.swf"><embed src="http://flash-clocks.com/free-flash-clocks-for-websites/free-flash-clock-8.swf" width="150" height="150" wmode="transparent"> </embed></object>
৪. একইসাথে এনালগ ও ডিজিটাল ক্লক এমবেড কোড:
<object><param name="movie" value="http://flash-clocks.com/free-flash-clocks-for-websites/free-flash-clock-28.swf"><embed src="http://flash-clocks.com/free-flash-clocks-for-websites/free-flash-clock-28.swf" width="150" height="150" wmode="transparent"> </embed></object>
৫. টিকটিক শব্দসহ ডিজিটাল ঘড়ি এমবেড কোড:
<object><param name="movie" value="http://flash-clocks.com/free-flash-clocks-for-websites/free-flash-clock-33.swf"><embed src="http://flash-clocks.com/free-flash-clocks-for-websites/free-flash-clock-33.swf" width="150" height="150" wmode="transparent"> </embed></object>
৬. এমবেড কোড:
<object><param name="movie" value="http://flash-clocks.com/free-flash-clocks-for-websites/free-flash-clock-23.swf"><embed src="http://flash-clocks.com/free-flash-clocks-for-websites/free-flash-clock-23.swf" width="150" height="150" wmode="transparent"> </embed></object>

কিবোর্ড শটকার্ট (Keyboard Shortcuts)

 
একটু কৌশল খাটালে কিবোর্ড দিয়ে সহজেই বিভিন্ন টুকটাক কাজ সেরে নেওয়া যায়। তাহলে দেখা যাক কিছু কিবোর্ড শটকার্ট নিয়ম।
কিবোর্ড কাজ
Alt + E ব্রাউজারে সম্পাদনা
Alt + F ফাইল মেনু
Alt + tab উইনডোসমূহে পালাবদল
Alt + V মেনু দর্শন
Ctrl + A সকল টেক্সট নির্বাচন বা হাইলাইট
Ctrl + C লেখা কপি
Ctrl + F কোন শব্দ বা লেখা খুঁজে পেতে
Ctrl + N নতুন উইনডো খুলতে
Ctrl + O কোন ফাইল খুলতে
Ctrl + P প্রিন্ট অপশন
Ctrl + S সঞ্চয় বা সেভ করতে
Ctrl + T নতুন ট্যাব খুলতে
Ctrl + Tab ট্যাবসমূহে পালাবদল
Ctrl + V কপিকৃত লেখা পেস্ট করতে
Ctrl + X নির্বাচন করা লেখা কাট করতে
Ctrl + Y রিডু (Redo) করতে
Ctrl + Z আনডু (Undo )
F5 পৃষ্ঠা রিফ্রেশ বা রিলোড

কম্পিউটারের গতি বাড়ান পর্ব-২

 আগের পর্ব দেখুন (ঐ পর্বে কম্পিউটারের গতি বাড়ানোর আরো অনেকগুলো টিপস আছে)
সাধারণত বিভিন্ন কারণেই কম্পিউটারের গতি কমে যেতে পারে। প্রতিদিন বেশ কিছু সহজ কাজ করলে আপনি আপনার কম্পিউটারের গতি বাড়িয়ে নিতে পারেন। কম্পিউটারের গতি বাড়াতে 
Start-এ গিয়ে 
Run-এ যান। এখানে 
Recent লিখে Enter দিন।যা আসলে সেগুলো সব করে Delete করে দিন।একই ভাবে
%temp% লিখে যা আসবে তা Delete করে দিন।
সূত্র: প্রথমআলো

সফটওয়্যার ছাড়া কি-বোর্ড দিয়েই স্ক্রিনশট

Print Screen SysRq করে যেখানে সেভ করতে হবে সেখানে গিয়ে  ctrl+v> চাপলেই পুরো স্ক্রিনের ছবি পেষ্ট হবে । এবার সম্পাদনা করে কাজে লাগানো যাবে।

টেক সংকলন: আমারদেশ

প্রতি মঙ্গলবারে দৈনিক আমারদেশে টেক বিষয়ক ভালোমানের লেখা আসে। এখানে সেগুলোই শেয়ার করতে চাচ্ছি।

#২৪ জুলাই ১২
#২২ মে ১২
# ২৯ মে ১২
#৫ জুন ১২


my websites

শুধু সার্চ নয় আরো বহু চমৎকার কাজ করা যায় গুগল সার্চ ইন্জিন দিয়ে

সবচেয়ে ভালো সার্চ ইন্জন গুগল। পাশাপাশি এই সার্চ ইন্জিন দিয়ে সহজেই আপনি জানতে পারেন দরকারী বিভিন্ন তথ্য। যেমন আপনার শহরের সময়, আবহাওয়া, খেলার খবর, সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের সময়। করতে পারেন হিসাব নিকাশ, একক রূপান্তর, কোন শব্দের সংজ্ঞা খোঁজা ইত্যাদি। আপনি হয়তো মনে করছেন এগুলো লিখে সার্চ দিলেই তো পেয়ে যাচ্ছি আবার এ টিপসের কি দরকার। দরকার আছে কারণ আপনি সার্চ রেজাল্টের পরে কোন লিঙ্কে ক্লিক করার আগেই রেজাল্ট পৃষ্ঠার উপরেই এগুলি দেখতে পারবেন। চলুন জেনে নিই কিভাবে। 
১. আপনার শহরের সময় 
time Dhaka লিখে সার্চ দিলে সার্চ রেজাল্টের শুরুতেই ঢাকার সময় দেখা যাবে। যে শহরের বর্তমান সময় দেখতে চান time লিখে স্পেস দিয়ে শহরের নাম লিখে সার্চ করুন। একটা কথা মনে রাখতে হবে নিশ্চয়ই জানেন অনেক সময় সার্চ রেজাল্টে অ্যাড থাকে। সেক্ষেত্রে বিজ্ঞাপনের নিচে কাঙ্খিত তথ্য পাবেন।
২. সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত 
sunrise বা sunset লিখে স্পেস দিয়ে শহরের নাম লিখে সার্চ দিন। [উদাহরণ
৩. হিসাব 
যেমন ধরুণ জানতে চান 5*9+(sqrt 10)^3= কত 
টাইপ করে সার্চ করুন, চলে আসবে। [উদাহরণ
৪. একক রূপান্তর 
উচ্চতা, ওজন, আয়তন ইত্যাদি অনেক রূপান্তর এতে সম্ভব 
যেমন যদি জানতে চান ১০ মাইলে কত ইঞ্চি তাহলে লিখবেন 10.5 miles in inches
[উদাহরণ
সবসময় এই বিন্যাস করে লিখবেন। অর্থ্যাৎ এখানে ইঞ্চিতে ১০ মাইল=কত। 

৫. কোন শব্দের সংজ্ঞা 
যেমন জানতে চান stick এর সংজ্ঞা কী? লিখুন Define stick। [উদাহরণ

৬. ফ্লাইট শিডিউল জানতে চান? 
যদি জানতে চান ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের শিডিউল কখন তাহলে লিখুন flights from dhaka to chittagong । [উদাহরণ
নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন শুধু শহরের নাম পরিবর্তন করে অসংখ্য ফ্লাইট শিডিউল জানা যাবে 

৭. একক্লিকেই ম্যাপ দেখতে চান। 
আপনি হয়তো জানেন সহজেই ম্যাপ দেখা যায়। তবে এ টিপস দিয়ে আরো কম সময়ে ম্যাপ আনতে পারেন। লিখুন যেমন Dhaka map । এতে রেজাল্টের শুরুতেই ম্যাপ চলে আসবে। [উদাহরণ

একটা কথা মনে রাখতে হবে নিশ্চয়ই জানেন অনেক সময় সার্চ রেজাল্টে অ্যাড থাকে। সেক্ষেত্রে বিজ্ঞাপনের নিচে কাঙ্খিত তথ্য পাবেন।

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সংক্রান্ত ১০ টিপস

মূল লেখা :আমারদেশ
সবাই চায় তার ওয়েবসাইটটি গুগল কিংবা বিংয়ের সার্চে সবচেয়ে ওপরের দিকে থাকুক। সেটা করতে গিয়েই একটি টার্ম খুব প্রচলিত। সেটা হলো সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও)। অর্থাত্ সার্চ ইঞ্জিনগুলো কীভাবে আপনার ওয়েবসাইটকে এনালাইসিস করছে এবং কীভাবে সেটা সার্চের ফলাফল হিসেবে নিয়ে আসছে, সেটা অপটিমাইজ করা। এর মূল উদ্দেশ্য হলো, কোনো কিছু দিয়ে গুগলে গিয়ে সার্চ করলে যেন আপনার পৃষ্ঠাটি প্রথমে চলে আসে। তাতে আপনার পৃষ্ঠায় ট্রাফিক বেশি আসবে। বেশি মানুষ আপনার ওয়েবসাইট ভিজিট করবে, যদিও পুরোপুরি সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজ করা একটি বেশ জটিল বিষয়। তবুও কিছু ছোট ছোট পদক্ষেপ আপনাকে অনেক সাহায্য করতে পারে। আর যারা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও) নিয়ে আউটসোর্সিং/ফ্রিল্যান্সিংয়ের কাজ করতে চান, তারা বেসিক বিষয়গুলো এখান থেকে জেনে নিতে পারেন। 
প্রথমত : আপনি যে কাজটি করতে পারেন, তা হলো আপনার ওয়েবসাইটটির একটি গ্লোবাল অবস্থান (ranking) জেনে নিতে পারেন। এর জন্য মোটামুটি একটি ওয়েবসাইট হলো অ্যালেক্সা.কম (http://WWW.alexa.com)| বিখ্যাত অ্যামাজন.কম এই ওয়েবসাইটটি পরিচালনা করে থাকে। সেখানে গিয়ে যদি ওয়েবসাইটের ঠিকানাটি লিখে দিন, তাহলে দেখতে পাবেন সাইটের অবস্থান (ranking) কোথায়। তবে একটি বিষয় এখানে বলে রাখা ভালো যে, অ্যালেক্সাতে ওয়েবসাইটের অবস্থান পুরোপুরি সঠিক নয়। তবে মোটামুটি একটা ভালো গাইডলাইন পাওয়া বটে। আপনার লক্ষ্য হবে সেই অবস্থানটিতে ওপরের দিকে ওঠা; অর্থ্যাত্ ১ হলো সর্বোচ্চ অবস্থান। দশ হাজার হলো নিচের দিকের অবস্থান।
দ্বিতীয়ত : আপনার ওয়েবসাইটটি গুগল সার্চ ইঞ্জিনে রেজিস্ট্রেশন করুন। এটা করতে বিভিন্ন রকমের সফটওয়্যার পাওয়া যায়। সেগুলো ব্যবহার না করে, সরাসরি নিজেই কাজটি করতে পারেন এই ঠিকানায়— 
http://www.google.com/addurl/?continue=/addurl
তৃতীয়ত : প্রতিটি ওয়েব পেজের একটি টাইটেল থাকে। সেই টাইটেলটি থেকে সার্চ ইঞ্জিন বুঝতে পারে, এই পৃষ্ঠাটি কিসের ওপর নির্মিত। এখানে আরেকটি কথা বলে নেয়া প্রয়োজন। বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনের রয়েছে রোবট, যা বিভিন্ন সময়ে গিয়ে বিভিন্ন ওয়েবসাইট স্বয়ংক্রিয়ভাবে পড়ে নিয়ে আসে। আমরা মানুষ যখন ইন্টারনেট ব্রাউজ করে ওয়েব পেজ ব্রাউজারে লোড করি, একইভাবে রোবটগুলো (মূলত সফটওয়্যার) বিভিন্ন ওয়েবসাইটে গিয়ে সব পৃষ্ঠা নিজের কাছে নিয়ে আসে। তারপর বিভিন্ন রকম অ্যালগরিদমের ভিত্তিতে সেই পৃষ্ঠাটিকে অ্যানালাইসিস করে থাকে। পৃষ্ঠার টাইটেল হলো তেমন একটি প্যারামিটার। এটা অনেকটা বাড়ির নামের মতো—বাড়ির নাম যদি হয় ‘নিরিবিলি’ তাহলে রোবট ধরেই নেবে, এই বাড়িটি হবে শান্ত ধরনের। আর বাড়ির নাম ‘নিরিবিলি’ দিয়ে কাজে দেখালেন হট্টগোল, তাহলে আপনি ধরা খেলেন। তাই টাইটেলটি হতে হবে অর্থবহ। কিন্তু টাইটেলে অযাচিত কি-ওয়ার্ড দিয়ে ভরে রাখবেন না। তাহলে ওগুলোকে স্প্যাম হিসেবে গণ্য করা হবে। আবার প্রতিটি পেজের টাইটেল যেন আবার একই না হয়।
চতুর্থত : যতটা সম্ভব আপনার যে কোনো পৃষ্ঠায় অন্য কিছু পুরনো পৃষ্ঠার লিংক দিন। এই লিংকগুলো থেকে রোবটগুলো বুঝতে পারে, এই পৃষ্ঠাটি ঠিক কিসের ওপর তৈরি করা। রোবটগুলো আমাদের ভাষা ততটা বুঝতে পারে না (কিছুটা পারে)। তাই এমন লিংক থেকে বুঝতে পারবে—কোথায় কোথায় এবং কোন কোন পৃষ্ঠার জন্য লিংক দিচ্ছেন। তার অর্থ হলো, এই পৃষ্ঠাতে নিশ্চই তেমন সব জরুরি বিষয় রয়েছে, নইলে আপনি লিংক দেবেন কেন? এই যুক্তিতে রোবটগুলো বুঝতে পারবে আপনার তৈরি পৃষ্ঠাটি কিসের ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।
পঞ্চমত : অন্যান্য ভালো ওয়েবসাইটের সঙ্গে সখ্য করুন। অর্থাত্ ভালো কোনো ওয়েবসাইট যদি আপনার ওয়েবসাইটকে তার কোনো লেখায় কিংবা পৃষ্ঠায় লিংক দেয়, তাহলে রোবট বুঝতে পারে আপনার ওয়েবপেজটি গুরুত্বপূর্ণ। যেমন ধরুন, সিএনএন কিংবা বিবিসি যদি আপনার কোনো পৃষ্ঠার লিংক তাদের কোনো পেজে ব্যবহার করে, তাহলে তার মূল্য অনেক বেশি হবে। তাই ভালো ভালো ওয়েবসাইটগুলোর সঙ্গে কাজ করার চেষ্টা করুন।
ষষ্ঠত : এবারে উল্টোটা দেখে নিন। ওপরের যেখানে বললাম যে, অন্য কোনো সাইট যদি আপনার সাইটের রেফারেন্স দিয়ে থাকে, তাহলে আপনার সাইটটির মান ভালো। এবারে আপনি করলেন কি, চালাকি করে নিজেই কিছু সাইট বানিয়ে কিংবা আপনার বন্ধুদের সাইট থেকে নিজের সাইটে লিংক দিলেন। অনেক সময় অনেকেই টাকার বিনিময়ে লিংক এক্সচেঞ্জ করে থাকে। এই ধরনের ওয়েবপেজগুলোর রেপুটেশন ভালো নয়। আপনার সাইট যদি সেই খারাপ রেপুটেশনের কোনো ওয়েবসাইটের সঙ্গে যুক্ত থাকে, তাহলে তার জন্য সাইটিও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই অসত্সঙ্গ পরিহার করুন।
সপ্তমত : ছবির সঙ্গে ্তুঅখঞ্থ ট্যাগটি ব্যবহার করুন। রোবটগুলো ছবি দেখে বুঝতে পারে না, এটা কিসের ছবি। কিন্তু আপনার অখঞ ট্যাগটি দিয়ে বলে দিতে পারেন, এই ছবিটি কিসের। তা অনেক উপকারে আসবে।
অষ্টমত : মাঝে মাঝে কিছু কিছু শব্দ বোল্ড করতে পারেন, কিন্তু খুব বেশি নয়। কারণ সেটা পাঠককে যেমন বিরক্ত করে, সেটা রোবটগুলোরও বিরক্তি তৈরি করে।
নবমত : সাইটটি যদি অনেক বড় হয়, তাহলে একটি ‘সাইট ম্যাপ’ তৈরি করতে পারেন। মনে রাখবেন, একটি ওয়েবসাইট মানুষের জন্য যতটা সুবিধার হবে, সার্চ ইঞ্জিন তাকেই খুঁজে বের করতে চাইবে। এই সরল বিষয়টি মাথায় রেখে কাজে নেমে যান।
দশমত : যারা ফ্রিল্যান্স কাজ করতে চান, তাদের একটি বড় চাহিদা হলো সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজ করা। হাজার হাজার ওয়েবসাইট তাদের পৃষ্ঠাকে সার্চ ইঞ্জিনের সবচেয়ে প্রথমে আনার চেষ্টা করে যাচ্ছে। তাই আপনার কাজ পেতে কোনো সমস্যা হবে না। আপনাদের যে কাজটি বেশি করতে হবে, তা হলো, ওয়েব পেজটি পড়ে সেখান থেকে যথার্থ কি-ওয়ার্ডগুলো বের করতে হবে। অর্থাত্ আপনাকে বুঝতে পারতে হবে, ওই পেজটি কোন বিষয়ের ওপর লেখা, ওটা কি একটি কসমেটিক্স পণ্যের ওপর, নাকি ওটা কোনো চিকিত্সা সংক্রান্ত ওয়েব পেজ। তারপর কি-ওয়ার্ডগুলো সেই পেজে বসিয়ে দিতে হবে।

অনলাইনে আয়ের প্রতারণা করে অবশেষে ডোল্যান্সার উধাও


সূত্র: আমার দেশ
আপনি বেকার, লেখাপড়া কম জানেন, নো টেনশন। ঘরে কম্পিউটার আর ইন্টারনেট থাকলেই হবে! আয় করতে পারবেন ডলার। ৫০টি বিজ্ঞাপনে ক্লিক করলেই প্রতিদিন এক ডলার। মাস শেষে ৩০ ডলার, যা বাংলাদেশী টাকায় আড়াই হাজার টাকারও বেশি। অথচ বিনিয়োগ করতে হবে এককালীন মাত্র সাড়ে সাত হাজার টাকা। এ ধরনের লোভনীয় অফারের কথা বলে ডোল্যান্সার (dolancer.com) নামের ইন্টারনেটভিত্তিক এমএলএম প্রতিষ্ঠান চটকদার ফাঁদ পেতে বসেছে। আর তাদের প্রতারণার ফাঁদে পা দিচ্ছেন হাজার হাজার বেকার তরুণ-তরুণী। হিসাব করে দেখা গেছে, সারা দেশে প্রায় সাড়ে চার লাখ মানুষের কাছ থেকে সদস্য বানানোর কথা বলে এ প্রতিষ্ঠানটি এরই মধ্যে হাতিয়ে নিয়েছে ৫০০ কোটি টাকারও বেশি। যে কোনো দিন ডোল্যান্সার অফিস গুটিয়ে উধাও হয়ে যাবে, এমন আশঙ্কাও করছেন অনেক সদস্য।
দৈনিক আমার দেশ-এর বিজ্ঞান ও কম্পিউটার পাতায় ‘ডোল্যান্সার : অনলাইনে আয়ের নামে প্রতারণা’ শীর্ষক এমন একটি লিড আর্টিকেল প্রকাশিত হয়েছিল বেশ কিছুদিন আগে। এই প্রতিবেদনে আমরা দেখানো হয়েছিল কীভাবে অনলাইন আয়ের নামে প্রতারণা করছে একটি চক্র। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্টদের সাবধান হওয়ার পরামর্শ ছিল। প্রতিবেদন প্রকাশ হওয়ার পর সেই মহল থেকে নানা হুমকি-ধমকি ও ই-মেইল আসতে থাকে। তারা যুক্তি দেয় যে, আমার দেশ বিজ্ঞাপন না পাওয়াতেই নাকি এ প্রতিবেদন ছাপিয়েছিল! 

অবশেষে আমার দেশ-এর প্রতিবেদনই সত্য হলো। সেই ডোল্যান্সার নামক প্রতারক চক্রটি লেজ গুটিয়ে নিয়েছে। চলতি মাসের শুরু থেকেই ডোল্যান্সারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রোকন ইউ আহমদ উধাও। তাকে কোথাও খুঁজে পাচ্ছে না গ্রাহকরা। কলাবাগানের অফিসেও তাকে দেখা যায়নি। এমনকি জিগাতলার প্রধান কার্যালয়ে তিনি অফিস করেননি। পরে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন রোকন ও তার স্ত্রী সদস্যদের কাছ থেকে সংগৃহীত টাকা নিয়ে সিঙ্গাপুরে পালিয়ে গেছেন। সর্বশেষ সংবাদে জানা গেছে, রোকন ইউ আহমদকে না পেয়ে লোকজন তার শ্বশুরবাড়ি ঘিরে রেখেছে। 
ডোল্যান্সারের প্রতারণার শিকার হয়েছেন তিন লাখ ৫১ হাজারের বেশি সদস্য। গ্রাহকরা জানান, সদস্য ফি, মাসিক পেমেন্ট এবং লিজ ইনভেস্ট মিলিয়ে এক হাজার কোটি টাকা নিয়ে পালিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক রোকন ইউ আহমদ ও তার পরিবারের সদস্যরা। সারা দেশের প্রতিটি জেলায় ডোল্যান্সারের ফাঁদে পড়ে প্রতারণার শিকার হওয়া সদস্যদের ৯০ শতাংশই বিভিন্ন কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। 

প্রতারণার বিষয়টি আঁচ করতে পেরে গত শুক্রবার থেকে তারা মিরপুর মধ্য পীরেরবাগে এমডির বাসা ঘেরাও করেন। ওই বাসায় তার শ্বশুর-শাশুড়ি আছেন। একই দাবিতে গত রোববার দুপুরে তারা জাতীয় সংসদ ভবনসংলগ্ন সড়ক প্রায় ১ ঘণ্টা অবরোধও করেন। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়। 
প্রতারিত গ্রাহকরা সেখানে অবস্থান করছেন। 
মিরপুর থানার ওসি কাজী ওয়াজেদ আলী গতকাল আমার দেশকে জানান, প্রতারিত শত শত গ্রাহক রোকনের শ্বশুরের ভাড়া বাসার সামনের সড়কে কয়েক হাজার প্রতারিত সদস্য অবস্থান নিলে নিরাপত্তার স্বার্থে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং তারা এখনও অবস্থান করছে। তবে মিরপুর থানায় এ বিষয়ে কেউ মামলা করেনি। তবে এ প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ধানমন্ডি থানায় দুটি মামলা হয়েছে বলে জানা গেছে। গ্রাহকরা জানান, দেশের প্রায় সাড়ে তিন লাখ মানুষ ডোল্যান্সারের গ্রাহক। তাদের প্রত্যেকেই সাত হাজার টাকা দিয়ে প্রতিষ্ঠানের গ্রাহক হয়েছেন। অনেকেই আবার সর্বনিম্ন ৩৫ হাজার থেকে সর্বোচ্চ সাড়ে ১০ লাখ টাকা দিয়ে প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট ভাড়া (লিজ) নিয়েছেন। সেই হিসেবে তাদের প্রায় এক হাজার বেশি টাকার মতো বিনিয়োগ রয়েছে।

রাষ্ট্রীয় হ্যাকার থেকে সাবধান!! বাংলাদেশেও হতে পারে।

জি-মেইল এবং গুগল ক্রোম ব্রাউজার ব্যবহারকারীদের সতর্ক করল ইন্টারনেট জায়ান্ট গুগল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেরই কোনো একটি স্পাই এজেন্সির হ্যাকাররা গুগল ব্যবহারকারীদের ইন্টারনেট অ্যাকাউন্ট এবং পার্সোনাল কম্পিউটার হ্যাক করার চেষ্টা করছে বলে জানিয়েছে গুগল কর্তৃপক্ষ। গত মঙ্গলবার থেকে অনেক জি-মেইল ব্যবহারকারীর ইনবঙ্রে ওপর দেখা যাচ্ছে গুগলের সতর্কবাণী_ 'আমরা ধারণা করছি যে, রাষ্ট্র সমর্থিত গুপ্তচর সংস্থা আপনার অ্যাকাউন্টটি হ্যাক করার চেষ্টা করছে।' 

তবে এই হ্যাকাররা যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেরই কোনো একটি স্পাই এজেন্সির পক্ষে কাজ করছে তা কিভাবে নিশ্চিত হয়েছে, জানাতে একেবারেই নারাজ গুগল কর্তৃপক্ষ। গুগলের ভাইস প্রেসিডেন্ট অব সিকিউরিটি ইঞ্জিনিয়ারিং এরিক গ্রস তার এক ব্লগ বার্তায় লেখেন, 'আমরা নিরাপত্তার খাতিরেই এ ব্যাপারটি নিয়ে বিস্তারিত কিছু জানাতে চাচ্ছি না। তবে এ হ্যাকাররা যে রাষ্ট্র-সমর্থিত, আমাদের নিজস্ব তদন্ত সেটিই ইঙ্গিত করছে।' 

অন্যদিকে গবেষকরা বলছেন, সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যে ছোঁয়াচে রোগের মতো ছড়িয়ে পড়া ভাইরাস ফ্লেইম এবং ২০১০ সালে ইরানের ওপর আক্রমণ করা স্টাঙ্নেট ভাইরাসের মতোই গুগলের ব্যবহারকারীদের ওপর বর্তমান আক্রমণের পেছনে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা।

আমি মনে করি হ্যাকিংয়ের কবলে পড়ে কোন উপাদান হারাবার চেয়ে আপনার তথ্য আগেই নিরাপদে স্টোর করে রাখুন। সরকারের স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে যেভাবে মানুষ ব্লগে, নেটে লিখে চলেছে তাতে যেকোন সময় আমাদের দেশেও রাষ্ট্রীয় হ্যাকিং শুরু হতে পারে। 
সূত্র : ইন্টারনেট
আগের পোস্ট: কুরআনের গাণিতিক অলৌকিকতা

রাজনৈতিকদের মিথ্যে কথা আর কূট চাল ধরে ফেলবে সফটওয়্যার

নির্বাচন এলেই অসৎ রাজনৈতিকিদের মাঝে চলে মিথ্যা প্রতশ্রিুতি প্রদানের হিড়িক। তার দিন শেষ। যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (এমআইটি)-র মিডিয়া ল্যাবের গবেষকরা তৈরি করেছেন নতুন সফটওয়্যার- ‘মাইন্ড রিডার’। মাত্র কয়েক সেকেন্ডের ভিডিও থেকে মানুষের মুখের অভিব্যক্তি বিশ্লেষণ করে তার মনের কথাটি জানিয়ে দেবে এই সফটওয়্যারটি। ক্যামেরায় ধারণ করা কয়েক সেকেন্ডের ভিডিও থেকে মানুষের মুখ, চোখ, নাক এবং রঙের পরিবর্তনসহ মোট ২৪টি পয়েন্ট বিশ্লেষণ করে এই সফটওয়্যারটি। আর এই বিশ্লেষণের ওপর ভিত্তি করেই মানুষটির মনের কথা বলে দিতে পারে সফটওয়্যারটি।এমআইটির গবেষকরা জানিয়েছেন, তারা সফটওয়্যারটি এমনভাবে তৈরি করেছেন যে, একজন মানুষের মন খারাপ কিনা, বা তিনি বিরক্ত কিনা, কখন তিনি কৌতুহলী হয়ে উঠছেন, কখন আফসোস করছেন, এ সবই চিহ্নিত করতে পারবে ‘মাইন্ড রিডার’।নতুন এই সফটওয়্যারটি বেশ কৌতুহল সৃষ্টি করেছে বিজ্ঞাপনদাতা কোম্পানিগুলোর মধ্যে। এ প্রসঙ্গে এমআইটির মিডিয়া ল্যাব গবেষক রানা এল কালিওবি বলেন, ‘জনগণের হাতে নতুন এক শক্তি যোগাতে পারে এই প্রযুক্তি, ফাঁস করে দিতে পারে রাজনৈতিকদের মিথ্যে কথা আর কূট চাল।’ 
সূত্র: জনকণ্ঠ

কম্পিউটার নিরাপদ রাখুন

জেনে রাখুন কীভাবে আপনার কম্পিউটার নিরাপদ রাখবেন


ভুয়া নিরাপত্তা সংক্রান্ত সতর্কীকরণ মেসেজ
ওয়েবসাইট ব্রাউজ করছেন, এমন সময় সতর্কীকরণ নোটিশ এলো—আপনার পিসি নিরাপত্তা ঝুঁকিতে রয়েছে। কম্পিউটারকে ঝুঁকিমুক্ত রাখতে Yes ক্লিক করুন—এমন নির্দেশনা পেলেন এবং নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবস্থা নিলেন, তো বিপদে পড়লেন। কাজেই এ ধরনের নির্দেশনা কার্যকর করা থেকে বিরত থাকুন। 


ই-মেইলে সংযুক্ত ফাইলের ব্যাপারে সতর্ক থাকা : 
কখনও ই-মেইলের মাধ্যমে ভাইরাস দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এ ধরনের ই-মেইলে সাধারণত সংযুক্ত ফাইল যেমন W32.Beagle, W32.Netsky, MyDoom ইত্যাদি থাকতে পারে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এর মাধ্যমে ম্যাক্রো ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড কিংবা মাইক্রোসফট এক্সেল প্রোগ্রামে। আবার অনেক সময় এর মাধ্যমে কম্পিউটার অতিরিক্ত নিরাপত্তায় ঝুঁকে পড়তে পারে। এই ফাইলগুলোর ব্যাপারে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। এই ই-মেইল ওপেন না করে কম্পিউটার থেকে মুছে ফেলতে হবে। তবে আর একটি সতর্কতা হচ্ছে, অপরিচিত ই-মেইল না পড়ে মুছে ফেলা যুক্তিসঙ্গত। .scr, .pif, .exe, .pps, .zip, .vbs, .bat, .com, .asp, .doc, .xls ইত্যাদি এক্সটেনশনযুক্ত ফাইল ব্যাপারে সতর্ক থাকাটা ভালো। 


ফ্রি সফটওয়্যার
অনেক সময় কম্পিউটারকে সুরক্ষিত রাখতে ফ্রি অ্যান্টি-ভাইরাস সফটওয়্যার ইনস্টল করার জন্য অপশন আসে। ভাবলেন একটি ভালো সুযোগ পেলেন। কিন্তু সফটওয়্যারটি ইনস্টল করার পর কম্পিউটারে ভাইরাস স্ক্যান করতে গিয়ে বুঝলেন, ব্যাপারটা আসলে সহজ নয়। এই ফ্রি সফটওয়্যারে বলা যায়, অনেক অপশনই নেই। দেখলেন, সম্পূর্ণ সংস্করণ কিনলে কেবল আপনার কম্পিউটার সুরক্ষিত হবে। এক্ষেত্রে এ ধরনের ফ্রি অ্যান্টি-ভাইরাস সফটওয়্যার ইনস্টল থেকে বিরত থাকুন। 

উইন্ডোজ ফায়ারওয়াল
হার্ডওয়্যারের একটি গুরুত্বপূর্ণ ফিচার ফায়ারওয়্যার। এটি উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের নেটওয়ার্কে আইপি অ্যাড্রেসের মাধ্যমে আপনার কম্পিউটারে অনাকাঙ্ক্ষিত আক্রমণ থেকে আত্মরক্ষা করার ক্ষমতা দেয়। এ কারণে আপনার পিসিতে উইন্ডোজ ফায়ারওয়ালকে এনাবল বা কার্যকর করুন। ডেস্কটপ হতে গু Network Places নির্বাচন করার পর রাইট ক্লিক করে Property অপশনে ক্লিক করুন। এবার যে উইন্ডোটি প্রদর্শিত হয়, তার বামে Change Windows Firewall আইকনে ক্লিক করুন। এখানে ON অপশনে ক্লিক করে ফায়ারওয়াল কার্যকর করুন। 

কার্যকর অ্যান্টি-ভাইরাস ব্যবহার করা
আপনার পিসিতে কার্যকর হয়—এমন অ্যান্টি-ভাইরাস প্রোগ্রাম ব্যবহার করুন। পিসিকে ধীরগতি সম্পন্ন করে, এমন লাইসেন্স করা অ্যান্টি-ভাইরাস ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। আবার ফ্রি হলেও কিছু কিছু অ্যান্টি-ভাইরাস প্রোগ্রাম অনেক ভালো কাজ করে, সে রকম অ্যান্টি-ভাইরাস প্রোগ্রাম ব্যবহার করা বরং বুদ্ধিমানের।
সূত্র: আমারদেশ

জানুন আপনার প্রেরিত মেইল প্রাপক পড়েছেন কিনা

কাউকে মেইল পাঠালে প্রাপক সে মেইলটি খুলেছে কি-না, তা প্রেরক জানতে পারে না। বিভিন্ন অ্যাডঅনস বা টুলস দ্বারা মেইল ট্র্যাকিং করা যায়। এর মধ্যে রাইট ইনবক্স অন্যতম। ফ্রি এই সার্ভিসটি শুধু জিমেইলে এবং মজিলা ফায়ারফক্স ও গুগল ক্রোম ব্রাউজারে সমর্থন করে।
www.rightinbox.com থেকে ইনস্টল করে ব্রাউজারটি রিস্টার্ট করতে হবে।
এর পরে জিমেইলের কম্পোজে গিয়ে দেখুন Send Now-এর পরে Send Later বাটন Ges Track চেক বক্স এসেছে।
এবার মেইল পাঠানোর আগে Track চেক বক্সটি চেক করে সেন্ড করতে হবে।
ব্যস, প্রাপক মেইল চেক করার সঙ্গে সঙ্গে support@rightinbox.com থেকে একটি Email Tracking মেইল আসবে। এতে কখন মেইল খুলেছে সেই সময় (টাইম জোনসহ), দেশের নাম, আইপি এবং লোকেশন (গুগল ম্যাপ) ইত্যাদি আসবে। 
সূত্র: আমারদেশ

আরো পোস্ট দেখতে পুরাতন পোস্টসমূহ লেখায় ক্লিক করুন