ভিজিট করুন নতুন ও স্হায়ী ব্লগ www.alomoy.com, it.alomoy.com
জানা-অজানা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
জানা-অজানা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

আরবী কিবোর্ড ছাড়াই ব্লগে ও যেকোন ওয়েবপেজে আরবী পোস্ট ও মন্তব্য লিখুন।

যদি আপনি মজিলা ফায়ারফক্স ব্রাউজার ব্যাবহার করেন তাহলে আপনার কোন আরবী কি-বোর্ড না থাকলেও ব্লগে মন্তব্য বা পোস্ট দেবার সময় আরবী টাইপ করতে পারবেন। এজন্যে একটি Add-on ইন্সটল দিতে হবে। এই লিঙ্কে ক্লিক করে Yoolki Arabic Keyboard নামক Add-on টির add to firefox লেখায় ক্লিক করতে হবে। এরপর এটা ডাউনলোড হয়ে ইন্সটল হবার অপশন হবে। ইন্স্টল করে ব্রাউজার রিস্টার্ট করুন (কম্পিউটার রিস্টার্ট নয়- অপশন দেখাবে, সহজেউ বুঝবেন- মানে ব্রাউজার ক্লোজ করে আবার ওপেন করা)।



এবার যেকোন ব্লগে বা সাইটে যেকোন ইনপুট লেখার জায়গায় রাইট-ক্লিক করে "Write Arabic here" -এ ক্লিক করুন। নিচের পপআপটি আসবে।



এবার এখানে কোন ইংরেজি টেক্সট লিখলে তা প্রতি-বর্ণায়ণ (transliteration) হয়ে আরবী হয়ে যাবে। অথবা আরবীতে অনুবাদও করা যাবে।
যেমন আমি লিখেছিলাম ana যা হয়ে গেল انا ।
সমস্যা হলে পপআপের হেলপ দেখতে পারেন। তবে সহজেই বুঝে ফেলার কথা। এছাড়াও এ পৃষ্ঠায় বিস্তারিত নিয়ম কানুন দেখে নিতে পারেন। আমি একটি স্ন্যাপশট দিচ্ছি





ধন্যবাদ। আশা করি কাজে লাগবে।

মজার জিনিস ক্যালিডোস্কোপ; ছবি ও বর্ণনা

 ক্যালিডোস্কোপ কিঃ একটি নলের ভেতরে কিছু নানা রঙের কাচের টুকরো বা নুড়ি পাথর রাখা হয়। এতে তৈরি হয় অনেক সুন্দর নকশা। একটু ঘোরালেই পরিবর্তন হয় নকশার কাঠামো। কিন্তু কোন অগোছালো নকশা নয়। এসব নকশাকে কাজেও লাগানো যায়- ওয়ালপেপার, কার্পেট বা কাপড় অলঙ্কৃত করার কাজে। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে নলের ভেতর দিয়ে তাকানোর সৌন্দর্য্য।  

কীভাবে কাজ করে; 
দুচারটে পরস্পরমুখী আয়না দিয়েই এটি বানানো যায়। একপাশে বস্তুটি থাকে। অপর পাশে কাচ বসিয়ে চোখ রাখলে নলের ভেতর দিয়ে আসা আলোকরশ্মি কাচগুলোতে প্রতিফলিত হয়। সবশেষে চোখে এসে ধরা দেয় সুন্দর নকশা। আরো বেশি কাচ ব্যাবহার করলে নকশাও দেখা যাবে বেশি বেশি। একটু নাড়িয়ে নিলেই নকশা হয়ে যাবে আরেকরকম কিন্তু পরিবর্তন আসবে শুধু বৈচিত্রেই সৌন্দর্যে নয়। আয়নার বদলে প্লাস্টি, নুড়ি, পেপারক্লিপ দিয়েও ক্যালিডোস্কোপ বানানো যায়।

আবিষ্কারঃ স্যার ডেভিড ব্রুস্টার আলোর পোলারাইজেশন পরীক্ষণ চালাতে গিয়ে ক্যালিডোস্কোপ আবিষ্কার করে ফেলেন। তখন ১৮১৭ সাল। তিন মাসের মাথায় এর ২ লাখ বিক্রি হয়ে যায় লন্ডনে ও প্যারিসে।

 বৈশিষ্ট্যঃ এর মধ্যে যদি ২০ টুকরো কাচ ভরা হয় আর ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে প্রতি মিনিটে দশটা করে নকশা দেখা হয় তাহলে সবগুলো নকশা দেখতে সময় লাগবে..............কত ভাবতে পারেন?...............৫০,০০০ কোটি বছর!!!!!

 বর্তমানে এর আলোকচিত্র নেয়া সম্ভব বলে নকশা তৈরির কাজে এটি ব্যাবহার করা হয়।

বিশ্বের সুন্দরতম কিছু ফুল

১. সর্বজয়া/কালবতী (Canna)

২. চেরি


৩.Colorado Columbine


৪. অম্বপুট (Hydrangea)


৫. উপত্যকার পদ্মফুল (Lily of the Valley)


৬. Bleeding Heart


৭. গোলাপ


৮. প্রাচ্য পোস্ত (Oriental Poppy)


৯. Begonia


১০.Dendrobium

মহাবিশ্বের দশ বৃহত্তম বস্তু

পিরামিড বা বুর্জ খলিফা খুব বড় তাইনা? কিন্তু নিচের বস্তুগুলোর তুলনায় এগুলো আণুবীক্ষনিক।
১০. বৃহত্তম গ্রহাণু:  Ceres
Ceres হচ্ছে সবচে’ বৃহৎ গ্রহাণ যার ব্যাস ৬০০ মাইল ফলে আয়তন ক্যালিফোর্নিয়ার সমান। গ্রহাণুপুন্জের ভরের ২৫ ভাগই এর দখলে।

৯. বুহত্তম গ্রহঃ TRES4
আমাদের সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ বৃহস্পতির চেয়ে ৭০ গুণ বড় গহটির নাম TRES4 যা হারকিউলিস নক্ষত্রপুন্জে অবস্থিত। সম্প্রতি WASP-17b নামের গ্রহটিকে আরো বড় বলা হচ্ছে।

৮. বৃহত্তম তারকাঃ ভি ডাব্লিউ ক্যানিস ম্যাজোরিস
VY Canis Majoris হচ্ছে সবচেয়ে বড় তারকা। এটি লোহিত হাইপার শ্রেণীর তারকা, সূর্যের চেয়ে ২০০০ গুণ প্রশস্ত। বিশ্বের দ্রুততম গাড়িটি এটাকে একবার চক্কর দিতে ২৬০০ বছর লাগিয়ে দিবে। সূর্যের স্থলে ভি ডাব্লিউ ক্যানিস ম্যাজোরিসকে বসিয়ে দিলে এর ব্যাসার্ধ শনি ছাড়িয়ে যাবে।

৭. বৃহত্তম কৃষ্ণগহ্বরঃ OJ287
ওজে ২৮৭ কে বৃহত্তম কৃষ্ণগহবর বা ব্ল্যাকহোল বলা হয়। কৃষ্ণগহবর এর অবশ্য ভরই বেশি, সে তুলনায় আয়তন কিন্তু তেমন নয়। এক ছায়াপথের কেন্দ্রে স্হাপিত এই ব্ল্যাকহোলের ভর সূর্যের ১৮ বিলিয়ন গুণ। এটি আমাদের সমগ্র সৌরজগতের চেয়ে বিশাল।

৬. বৃহত্তম ছায়াপথঃ আইসি ১১০১ (IC1101)
এটির ব্যাস ৬০ লাখ আলোকবর্ষ (আলো ১ লাখ ৮৬ হাজার/মাইল বেগে বছরে যে দূরত্বে যায়)। 
আমাদের মিল্কিওয়ে ছায়াপথের (যার ব্যাস ১০০ আলোকবর্ষ ) চেয়ে এটি প্রায় ৬০ গুণ বড়। 

৫. বেতার লোব (Radio Lobes)
কৃষ্ণগহবর কোন বস্তুকে গ্রাস করলে এর মেরুতে  যে ভর ও শক্তি নিঃসৃত হয় তা বেতার তরঙ্গ আকারে ছড়িয়ে পড়ে এবং বেতার তরঙ্গে দৃশ্যমান হয়। Leo minor নক্ষত্রপুণ্জে অবস্থিত 3C236 হচ্ছে এখনপর্যন্ত সর্ববৃহৎ রেডিও লোব যা আড়াআড়ি ৪ কোটি আলোকবর্ষ। 

৪. ফুটকি ঃলাইমেন আলফা 
এরা স্বল্পায়ু বিশিষ্ট পুণ্জিভূত নক্ষত্রের দশা। এরা অ্যামিবা বা জেলিফিশের মত অনিয়তাকার (নির্দিষ্ট আকারহীন)। আড়াআড়িতে ২০ কোটি আলোকবর্ষ এবং অ্যাকুয়ারিয়াস নক্ষত্রমন্ডলীতে আবস্থিত।

৩. শূন্য স্থান/গহবর/ ফাঁকা স্থানঃ
সাধারণত তারকাসমূহ গুচ্ছবদ্ধ থাকে। কিন্তু যে স্থানে কোন তারকাই নেই (তার মানে কোন সৌররজগৎ, গুহ-উপগ্রহ নেই) তার কি হবে? এটাকে বলে শূন্যতা বা nothingness। এমন সর্ববৃহৎ ফাঁকা স্থান আছে ২৫ কোটি আলোকবর্ষের। 

২. ছায়াপথ গুচ্ছঃ Shapley Super Cluster
এটি চল্লিশ কোটির ও বেশি ছায়াপথের গুচ্ছ। আমাদের মিল্কওয়ে গ্যালাক্সি এর চাইতে ৪০০০ গুণ ছোট। 

১. মহাজাগতিক জাল
বেশিরভাগ মহাকাশবিদই একমত যে মহাজাগতিক জাল (Cosmic Web) ই মহাবিশ্বের সবচেয়ে বিশাল বস্তু। কৃষ্ণবস্তু কতৃক আবদ্ধ ও দেথতে ত্রিমাত্রিক মাকড়সার জালের মত এ জাল গ্যালাক্সির (বা ছায়াপথ) অসীম গুচ্ছ ও মহাগুচ্ছ নিয়ে গঠিত। কৃষ্ণবস্তু ও গ্যালাক্সির কেন্দ্রবিন্দু তৈরি হয় এবং গ্যালাক্সি-তন্তু এই কেন্দ্রবিন্দুসমূহকে জুড়ে দিয়ে জালের মত তৈরি করে। 

কিছু মারাত্মক ও ভয়ঙ্কর সামুদ্রিক জীব

১. বক্স জেলিফিশ (Box Jellyfish বা Chironex)


একে অনেকসময় সামুদ্রিক ভীমরুল বলেও আখ্যায়িত করা হয়। এছাড়াও একে মৃত্যুর বাক্সও বলা হয় (box of death)। এটা সবচেয়ে ভয়ঙ্কর না হলেও অন্যতম ভয়ঙ্কর জীব অবশ্যই। এর আছে লম্বা কর্ষিকা যা নেমাটোসিস্ট ও বিষ বহন করে। এর হুলের আঘাত প্রাণঘাতী হতে পারে এবং মাত্র চার মিনিটেই শিকারকে মেরেও ফেলতে পারে অর্থ্যাৎ সাপের বিষকেও হার মানিয়ে দেয়। এগুলোর বিষ-রোধক এখনো আবিষ্কৃত হয়নি। বাস উত্তর অষ্ট্রেলিয়ায়।

২. নীল বলয়যুক্ত অক্টোপাস: (Blue-Ringed Octopus)


এর আকার লম্বায় সর্বোচ্চ ২০ সে.মি হয়। কিন্তু এই ক্ষুদ্র আকারের জীবটির বিষেরও প্রতিষেধক নেই এখনো। এর কামড় ততোটা বিষাক্ত নয় কিন্তু এর পাশ্বপ্রতিক্রিয়া মারাত্মক বিরূপ। পরিণতিতে অবশ ও ক্রমে মৃর্ত্যুর দিকে শিকারকে ধাবিত হতে হয়। কখনো কখনো অবশ্য শ্বাসযন্ত্র দিয়ে বিষ নিরাময় করা গেছে। তবে এর কামড় অন্যতম প্রাণঘাতী সেটা মানতেই হবে।
এদের বাস উষ্ণ অঞ্চলে। মেজাজের উপর নির্ভর করে গায়ের নীল বলয়ের গাঢ়ত্ব বদলায়।

৩. স্টোনফিশ (Stonefish)


এই ছোট জীবটি লম্বায় সর্বোচ্চ ১২ সে.মি পর্যন্ত হলেও একে সবচেয়ে বিষাক্ত মাছ বলে গণ্য করা হয়। এটি পানির নিচে পাথরের আড়ালে সহজেই নিজেকে মিশিয়ে রাখতে পারে। ফলে ডুবুরিরা যেকোন সময় এর হামলার শিকার হতে পারে কেননা একে খুব কাছ থেকেও দেখতে পাওয়া কষ্টের ব্যাপার।
এর পৃষ্ঠদেশীয় ডানায় সুঁচের ন্যায় কাঁটা প্রাণঘাতী বিষ ঢেলে দিতে সক্ষম। আক্রান্ত স্থানের কোষ মারা যেতে পারে বা স্থানটি ফুলে উঠতে পারে।

৪. স্টিং-রে (Stingrays)


এরা কমই আক্রমণ করে তাছাড়া এদের আক্রমণ হয় পরোক্ষ। তাদেরকে কোনভাবে বিরক্ত করলেই প্রতিরক্ষার খাতিরে তারা পাল্টা আঘাত হানে। বেশিরভাগ স্টিংরে এর আক্রমণ মারাত্মক না হলেও এদের কিছু কিছু প্রাণঘাতী হামলা চালাতে পারে। এদের আক্রমণ বিরল হলেও এরা কতটা প্রতিশোধ-পরায়ণ তার প্রমাণ পাওয়া যায় ২০০৬ এ যখন স্টিভ আইরিন নামে এক লোকের মৃত্যু খবরের শিরোনাম হয়েছিল।


৫. লায়নফিশ Lionfish


এই মাছটি দেখতে খুবই সুন্দর হলেও এর শক্তিশালী বিষের প্রভাব যন্ত্রণাময় হয়। এর বিষাক্ত কাঁটার আঘাত প্যারালাইসিস ও আক্রান্ত জায়গা ক্ষণস্থায়ীভাবে নষ্ট করে ফেলতে পারে।
ক্যারিবিয়ান ও পূর্ব আটলান্টিকে এদের বাস। এদেরকে কোনভাবে উত্তেজিত করলে এরা আঘাত হানে।






দেখাযাচ্ছে এদেরকে না ঘাঁটালে এরা তেমন ভংঙ্কর নয়। তারা জীবিকা ও প্রতিরক্ষার খাতিরেই হামলা চালায়। কিন্তু আমরা মানুষ! নিজের অযৌক্তিক ও অন্যায় স্বার্থের জন্যেও আরেকজনের মারাত্মক ক্ষতি করতেও দ্বিধা করিনা। বিশাল জনগোষ্ঠীর ক্ষতি হবে এমন পদক্ষেপও মানুষ কত সহজে নিতে পারে্!! তাই মানুষ যদি নৈতিক পথে চলে তাহলে সে সত্যিই সৃষ্টির সেরা বলে বিবেচিত হবার যোগ্য অন্যথায় সেই সর্বনিকৃষ্ট।

বিশ্বের কিছু সুন্দরতম জায়গা, ছবি ও চুম্বক বর্ণনা

.Lord Howe Island, Australia
এটি অষ্ট্রেলিয়ার নরফোক আইল্যান্ড থেকে ৯০০ কি.মি. দূরত্বে অবস্থিত। এতে একসাথে ৪০০ জন মানুষের বেশি দর্শনে যাবার অনুমতি নেই। এতে একইসাথে রয়েছে নিখুঁত সৈকত, নীল লেগুন, কোরাল রীফ, আগ্নেয় চূড়া ও রেইনফরেস্ট। এতে রয়েছে কিছু এন্ডমিক (যাদের বসবাস নির্দিষ্ট কোন একটি মাত্র স্থানে) প্রাণীও

২.Namaqualand, South Africa

দক্ষিণ আফ্রিকা ও নামিবিয়ার সীমান্ত এলাকাজুড়ে এর অবস্থান। বছরের বেশিরভাগ সময়েরই এটি শুষ্ক ও অনুর্বর দেখায়। কিন্তু বসন্তে এটি ভরা যৌবন নিয়ে আসে যখন এতে ফোটে শতশত ডেইজি ফুল যা একে করে তোলে অনিন্দ্যসুন্দর যা মনে করিয়ে দেয় আল্লাহর সেই প্রাকৃতিক নিদর্শনের উল্লেখের কথা কুরআনে তিনি যেমনটি বলছেন
আল্লাহই বায়ু প্রেরণ করেন, অতঃপর সে বায়ু মেঘমালা সঞ্চারিত করে। অতঃপর আমি তা মৃত ভূ-খন্ডের দিকে পরিচালিত করি, অতঃপর তদ্বারা সে ভূ-খন্ডকে তার মৃত্যুর পর সঞ্জীবিত করে দেই। এমনিভাবে হবে পুনরুত্থান। সুরা ফাতির (৩৫:৯)

৩.Plitvice Lakes National Park, Croatia

 দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের সর্বপ্রাচীন ও ক্রোয়েশিয়ার সর্ববৃহৎ ন্যাশনাল পার্ক। এটা এখন বিশ্বঐতিহ্য স্থানগুলোর (World Heritage Site) একটি। তরঙ্গায়িত হয়ে সজ্জিত লেকগুলোর জন্যে এ পার্কটি বিখ্যাত। বর্তমানে ১৬ টি লেক এর পৃষ্ঠ থেকে দেখা যায়। ১৯৪৯ সালে এটি আবিষ্কৃত হয়। ছবিটি বড় করে দেখলে আরো সুন্দর মনে হবে
৪.Gullfoss, Iceland

White River এ অবস্থিত গালফোস নামক জলপ্রপাতের সুন্দর জলপ্রপাত আইসল্যান্ডে দ্বিতীয়টি নেই যদিও দেশটি অনেক প্রপাতের জন্য বিখ্যাত। এটার আলাদা বৈশিষ্ট্য হলো তিনটি বিশাল স্তর অতিক্রম করে প্রপপাতগুলো দুইস্তরে নিমজ্জিত হয়ে ৩২ মিটার ফাটল তৈরি করে। এর ফলেই মনে হয় যেন জলপ্রপাতগুলো বিশাল গহ্বরের উপরে অবস্থিত, অবশ্য যেকোন গহবরতো দেখতে দর্শনীয় নয়!!য়।

৫. Antelope Canyon, Arizona

আমেরিকার কোন গিরিখাতের কথা কেউ প্রসঙ্গে তুললে যদিও সাথে সা্থে গ্রান্ড ক্যানিয়নের কথা মনে চলে আসে তবুও অ্যান্টিলোপ ক্যানিয়নও গুরুত্ব পাবার দাবী রাখে। এটি দক্ষিণপূর্ব আমেরিকার সবচেয়ে দর্শনীয় ও স্ন্যাপকৃত (ছবি তোলা হয়েছে) সরু গিরিখাত।  হাজার হাজার বছর ধরে বেলেপাথর ক্ষয়ে গিয়ে সৃষ্ট নদী ও জলপ্রবাহের ফলে এর সৃষ্টি। এর মধ্যে মাইলের পর মাইল হেঁটে যাওয়া নিঃসন্দেহে এক অদ্ভূত অনুভূতির সৃষ্টি করবে।

ওজনের তুলনায় সবচেয়ে শক্তিশালী ১০ প্রাণী

১০. Grizzly ভালুক: সবচেয়ে শক্তিশালী পাহাড়ী প্রাণী। দেহের ওজনের ০.৮ ভাগ ওজন তুলতে পারে। সাধারণত ওজন ১৫০০ পাউন্ড হয় আর ওজন তুলতে পারে ১২০০ পর্যন্ত।


৯. ঝিনুক (Mussel): দেহের আকারের তুলনায় খোলক অনেক শক্তিশালী এবং এতে দেহের দ্বিগুণ পরিমাণ ভার রাখতে পারে।


৮. অ্যানাকোন্ডা: সমওজনের প্রাণীকেও চেপে ঠেসে ধরে মেরে ফেলতে পারে। ওজন হতে পারে ৫৫০ পাউন্ড পর্যন্ত।


৭. ষাঁড় (Ox): নিজের দেড়গুণ ওজনকে এবড়োথেবড়ো পথেও টেনে বহন করে নিতে পারে। নিজের ওজন হতে পারে ১৩০০ পাউন্ড যেখানে বহন করতে পারে ২০০০ পাউন্ড পর্যন্ত।


৬. বাঘ: নিজের ওজনের দুইগুণকে বহন করে ১০ ফুট বেড়ার ওপারে ফেলে দিতে পারে। ওজন ৬০০ পাউন্ড হতে পারে আর বহন করতে পারে ১২০০ পাউন্ড।


৫. ঈগল (Eagle): সবচেয়ে শক্তিশালী পাখি। নিজের ওজনের সমপরিমাণ চারগুণ ওজন তুলে নিতে পারে।


৪. গরিলা: ওজনের সমপরিমাণ ১০ গুণ ওজনকে তুলতে পারে। ওজন হয় ৪৫০ পাউন্ড আর তুলতে পারে ৪৬০০ পাউন্ড মানে ৩০ জন মানুষকে তুলে আছাড় দিতে পারে।


৩. পাতাকাটা পিঁপড়ে (Leafcutter Ant): নিজের ওজনের ৫০ গুণ তুলতে পারে। ভাবুনতো এমন একজন মানুষের কথা যে ট্রাক তুলে ফেলতে পারে!!


২. হাতি: সবচেয়ে শক্তিশালী স্তন্যপায়ী। নিজে ১২০০০ পাউন্ড আর তুলতে পারে ২০০০০ পাউন্ড। ১৩০ জন পূর্ণবয়স্ক মানুষকে বহন করার ক্ষমতা রাখে।


১. Rhinoceros গুবরেপোকা (Beetle) : শুধু সবচেয়ে শক্তিশালী পোকাই নয় ওজনের তুলনা হিসেব করলে সবচেয়ে শক্তিশালী প্রাণীও বটে। নিজের ওজনের সমপরিমাণ ৮৫০ গুণ তুলতে পারে।

আরো পোস্ট দেখতে পুরাতন পোস্টসমূহ লেখায় ক্লিক করুন