ভিজিট করুন নতুন ও স্হায়ী ব্লগ www.alomoy.com, it.alomoy.com
pc লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
pc লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মজিলা ফায়ারফক্সের বুকমার্ক স্থায়ীভাবে সঞ্চয় করে হারিয়ে যাওয়া থেকে বাঁচান।

ওয়েবে ঘোরাঘুর করবার সময় বিভিন্ন তথ্যবহুল ও গবেষণামূলক যেকোন সুন্দর লেখা পছন্দ হয়ে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে আপনি লিঙ্কটিকে বুকমার্ক করে রাখেন যাতে চাইলে পরে আবার সহজেই  ঐ লিঙ্কে প্রবেশ করতে পারেন। কিন্তু ধরুণ কোন কারণে বুকমার্কগুলো হারিয়ে গেল- যেমন পিসি সেটআপ দেবার কারণে বা অন্য কোন অনাকাঙ্ক্ষিত কারণে, তাহলে কোথায় পাবেন দরকারী লিঙ্কগুলো?
আসুন সহজ সমাধানে পৌঁছি। বুকমার্কগুলো একটি সুন্দর এইচটিএমএল ফাইল হিসেবে ডিভাইসেই সঞ্চয় করে রাখা যাবে। পরবর্তীতে ফাইলে প্রবেশ করে দেখে নিবেন লিঙ্কগুলো। নিয়মিত বুকমার্ক করতে থাকলে প্রক্রিয়াটি মাঝে মাঝে পুনরায় করতে পারেন।
সহজ প্রক্রিয়াটি হলো-
১, উপরে ডান পাশের Bookmarks লেখায় ক্লিক করুন। ডান পাশে কিছু না থাকলে বাম পাশের মেনু থেকে Bookmarks ট্যাব বের করে ক্লিক করুন।
২. Show All Bookmarks- এ ক্লিক করুন।
৩. Import and Backup এ ক্লি করুন
 ৪. Export Bookmarks to HTML....  এ ক্লিক করুন।

৫. একটি নতুন উইনডো খুলবে। ফাইলটি কোথায় রাখবেন সেটা দেখাবে। পছন্দের জায়গায় সঞ্চয় করুন। ব্যস!
 

সফটওয়্যার ছাড়া ফোল্ডারে পাসওয়ার্ড

সূত্র: আমারদেশ


এখন ফোল্ডারে পাসওয়ার্ড বা গোপন নম্বর দেয়ার জন্য দরকার হবে না কোনো সফটওয়্যারের। আর সফটওয়্যার ছাড়া এ কাজটি করতে হলে বাছাইকৃত ফোল্ডারটির ওপর মাউস পয়েন্ট রেখে ডান বাটনে ক্লিক করুন। এবার Send to অপশনে গিয়ে Compressed (Zipped folder) folder-এ ক্লিক করুন। ফলে ফোল্ডারটি Zip Folder-এ রূপান্তরিত হবে। এখন এই Zip folder-এ মাউস পয়েন্ট রেখে আবার ডান বাটনে ক্লিক করুন এবং Open with-এর Compressed (Zipped) folder-এ ক্লিক করুন। এখন যে নতুন উইন্ডোটি আসবে, সেখানে যে কোনো খালি জায়গায় মাউস পয়েন্ট রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে add a password-এ ক্লিক করতে হবে এবং Password ও confirm Password-এ একই গোপন নম্বর দিয়ে ok করে দিতে হবে।

কিবোর্ড শটকার্ট (Keyboard Shortcuts)

 
একটু কৌশল খাটালে কিবোর্ড দিয়ে সহজেই বিভিন্ন টুকটাক কাজ সেরে নেওয়া যায়। তাহলে দেখা যাক কিছু কিবোর্ড শটকার্ট নিয়ম।
কিবোর্ড কাজ
Alt + E ব্রাউজারে সম্পাদনা
Alt + F ফাইল মেনু
Alt + tab উইনডোসমূহে পালাবদল
Alt + V মেনু দর্শন
Ctrl + A সকল টেক্সট নির্বাচন বা হাইলাইট
Ctrl + C লেখা কপি
Ctrl + F কোন শব্দ বা লেখা খুঁজে পেতে
Ctrl + N নতুন উইনডো খুলতে
Ctrl + O কোন ফাইল খুলতে
Ctrl + P প্রিন্ট অপশন
Ctrl + S সঞ্চয় বা সেভ করতে
Ctrl + T নতুন ট্যাব খুলতে
Ctrl + Tab ট্যাবসমূহে পালাবদল
Ctrl + V কপিকৃত লেখা পেস্ট করতে
Ctrl + X নির্বাচন করা লেখা কাট করতে
Ctrl + Y রিডু (Redo) করতে
Ctrl + Z আনডু (Undo )
F5 পৃষ্ঠা রিফ্রেশ বা রিলোড

কম্পিউটারের গতি বাড়ান পর্ব-২

 আগের পর্ব দেখুন (ঐ পর্বে কম্পিউটারের গতি বাড়ানোর আরো অনেকগুলো টিপস আছে)
সাধারণত বিভিন্ন কারণেই কম্পিউটারের গতি কমে যেতে পারে। প্রতিদিন বেশ কিছু সহজ কাজ করলে আপনি আপনার কম্পিউটারের গতি বাড়িয়ে নিতে পারেন। কম্পিউটারের গতি বাড়াতে 
Start-এ গিয়ে 
Run-এ যান। এখানে 
Recent লিখে Enter দিন।যা আসলে সেগুলো সব করে Delete করে দিন।একই ভাবে
%temp% লিখে যা আসবে তা Delete করে দিন।
সূত্র: প্রথমআলো

কম্পিউটারের গতি বাড়ান পর্ব-১

কম্পিউটারের ধীরগতির কারণে অনেক সময় মেজাজটাই বিগড়ে যায়। বিশেষ করে জরুরি কাজ করার সময় এ সমস্যাটি অনেক বিরক্তির উদ্রেক করে। নিচের টিপসগুলো অনুসরণ করুন। আপনার কম্পিউটারের গতি বাড়াতে অনেকটাই কাজে দিবে।
১. Recycle bin সব সময় ফাঁকা রাখুন। Recycle bin-এ ফাইল রাখলে কম্পিউটারের গতি হ্রাস পায়।
২. কম্পিউটারে অ্যানিমেটেড ওয়ালপেপার, কথা বলা ঘড়ি এসব ইনস্টল করবেন না। এগুলো পিসির গতি কমিয়ে দেয়।
৩. মাঝে মাঝে Start হতে Run-এ ক্লিক করে tree লিখে enter চাপুন। এতে র্যামের কার্যক্ষমতা বাড়ে।
৪. Start n‡Z Run-এ ক্লিক করে Prefetch লিখে enter চাপুন। যে ফাইলগুলো দেখাবে, সেসব মুছে ফেলুন। কোন ফাইল না মুছলে সেটি বাদ দিয়ে বাকি সব মুছে ফেলুন। একইভাবে পর্যায়ক্রমে temp, %temp%, cookies, recent লিখে enter চাপুন এবং প্রদর্শিত ফাইলগুলো মুছে ফেলুন।
৫. Desktop এ মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে Properties এ গিয়ে ডান পাশ থেকে Settings-এ ক্লিক করে ১৬ বিট নির্বাচন করে enter চাপুন।
৬. Start হতে Run-এ ক্লিক করে msconfig লিখে enter চাপুন। এখন ডান পাশের Services-এ ক্লিক করুন। অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রামগুলোর বাঁ পাশ থেকে টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে ড়শ করুন। Restart দিতে বললে Restart দিন।
৭. এবার My Computer এসি ড্রাইভের ওপর মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে Properties-এ যান। Disk Cleanup-এ ক্লিক করে কিছু সময় অপেক্ষা করুন। নতুন উইন্ডো এলে বাঁ পাশের সব বক্স টিক চিহ্ন দিয়ে ok করুন। এভাবে প্রতিটি ড্র্রাইভ ক্লিন করতে পারেন।
৮. My Computer-এর ওপর মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে Properties-এ যান। এখন Advanced Settings সিলেক্ট করে Performance-এর নিচে Settings-এ ক্লিক করুন। এবার Customs সিলেক্ট করে একদম নিচের বক্সটির টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে ড়শ করুন।
৯. এবার My Computer থেকে Properties-এ যান। এখন Advanced Settings সিলেক্ট করে Performance-এর নিচে Wvbcv‡k Error Reporting-এ ক্লিক করুন। এরপর Disable সিলেক্ট করে ok করুন।
সূত্র: আমারদেশ

আরো পোস্ট দেখতে পুরাতন পোস্টসমূহ লেখায় ক্লিক করুন