ব্লগারে সাধারণভাবে অডিও আপলোড করার কোন সুযোগ নেই। কিন্তু আমরা চাইলে একটি অডিও প্লেয়ার সংযুক্ত করতে পারি। জনপ্রিয় সব ব্রাউজারই এটা সমর্থন করবে। লাগবে না কোন জাভাস্ক্রিপ্ট, ফ্ল্যাশ বা প্লাগইন। শুধু কিছু এইচটিএমএল-৫ কোড।
ধাপসমূহঃ
১. আপলোডঃ যেহেতু ব্লগারে অডিও আপলোড করা যায় না তাই অন্য কোথাও এটিকে আপলোড করে একটি লিঙ্ক নিতে হবে। আমি এক্ষেত্রে
গুগল সাইটকে পছন্দ করি। একাউন্ট না থাকলে একাউন্ট করে একটি গুগল সাইট বানিয়ে অডিওটি সহজেই সাইটে আপলোড করুন। গুগল সাইটে আপলোড করলে অডিওটির লিঙ্ক পেতে যে পেইজে আপলোড করেছেন সেই পেইজের পরে একটি / (স্ল্যাশ) দিয়ে ফাইলের সম্পূর্ণ নাম টাইপ করুন। এটাই লিঙ্ক (যেমন https://sites.google.com/site/truthontop/audio/padma-meghna.ogg)। তবে অন্য কোথাও আপলোড করলে লিঙ্ক সরাসরিও পেতে পারেন।
ফাইলটি এমপিথ্রি না হয়ে .ogg ফরম্যাটে হলে ভাল হয়।
২. এবার পোস্ট বা গ্যাজেট যেখানেই প্লেয়ার যোগ করবেন সেখানে নিম্ন কোড যুক্ত করুন [অবশ্যই এইচটিএমএল মোডে গিয়ে]। লেখা নির্বাচন করতে ক্লিক করুন
৩. url-of-audio-file এর স্হলে ১ নং ধাপে প্রাপ্ত লিঙ্ক বসান।
৪. কাস্টোমাইজ (এচ্ছিক)
স্বয়ংক্রিয়ভাবে শুরু করতে controls এর পরে
autoplay যোগ করুন। তাতে এমন হবে
controls
autoplay। বারবার স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাজনোর জন্যে controls
loop
সাধারণত আপনার যদি একটি ব্লগ থাকে তবে অপনি কিছুদিন পরই ব্লগটির প্রচার ও প্রসার বাড়াতে ফেসবুকে পেজ খোলেন। তবে এতে করে কিন্তু স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফেসবুকে ব্লগের পোস্ট শেয়ার হয়না। এ পোস্টে আমি বলব কীভাবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফেসবুকে পোস্ট শেয়ার করা যাবে।
ধাপগুলোঃ
১.
dlvr.it সাইটে যান
২. ইমেইল ও পাসওয়ার্ড দিয়ে নিবন্ধন করুন।
৩. ইমেইল ইনবক্সে গিয়ে কনফার্ম করুন।
৪. আপনাকে একটি পৃষ্ঠায় আনা হবে যাতে নিচের ছবির মতো দেখা যাবে।
৫. এখানে ফিড ঠিকানা দিন। কী দেবেন বুঝতে না পারলে
এই পোস্টে গিয়ে পড়ুন কীভাবে ফিডবার্নারে নিবন্ধন করতে হয় ও করে কী পাওয়া যায় (
ফিডবার্নার)
৬. ফেসবুকের (বা টুইটারের) আইকনে ক্লিক করুন ও লগইন করুন। আগত পৃষ্ঠা থেকে আপনার ফেসবুক পেজটি সিলেক্ট করুন।
৭. পেজের ডানদিকে নিচে এসে Allow করুন। বেশ কাজ হয়ে গেল।
৮. প্রয়োজনমতো কাস্টোমাইজ করুন।
লেবেল বা বিভিন্ন বিভাগকে ব্লগারে স্বয়ংক্রিভাবে ড্রপডাউন তালিকায় দেখানো
যায়না। কিন্তু আসুন আমরা সেটাই সম্ভব করি। এতে আপনার ব্লগের প্রচুর জায়গা
বেঁচে যাবে।
ধাপগুলোঃ
১. ব্লগারে লগইন করে টেমপ্লেটে গিয়ে ‘HTML সম্পাদনা’>এগিয়ে যান
২. টেমপ্লেট ব্যাকআপ করুন
৩.
Ctrl + F চেপে নিচের কোড খুঁজে বের করুন।
<b:widget id='Label1' locked='false' title='Labels' type='Label'/>
(উইজিট টেমপ্লেটগুলি বিস্তৃত করুন-চেকবক্সে ক্লিক করবেননা যেন)
না পেলে
title='Labels' এর Labels এর জায়গায় আপনি উইজিটটি যুক্ত করবার সময় যে শিরোনাম দিয়েছেন সেটা লিখে খুঁজুন, পাবেন। তবুও না পেলে title='Labels' ছাড়া বাকিটা খুঁজুন।
৪. ৩ নং পয়েন্টের পুরো কোডটি নিচের কোড দ্বারা প্রতিস্হাপন করুন।
<b:widget id='Label1' locked='false'
title='Labels' type='Label'>
<b:includable id='main'>
<b:if cond='data:title'>
<h2><data:title/></h2>
</b:if>
<div class='widget-content'>
<select style='width:100%'
onchange='location=this.options
[this.selectedIndex].value;'>
<option>বিভাগ নির্বাচন করুন</option>
<b:loop values='data:labels' var='label'>
<option expr:value='data:label.url'>
<data:label.name/>
(<data:label.count/>)
</option>
</b:loop>
</select>
<b:include name='quickedit'/>
</div>
</b:includable>
</b:widget>
৫. পূর্বরূপ দেখুন ও “টেমপ্লেট সংরক্ষণ করুন”
৬. লেবেল পিছু পোস্ট (ঐচ্ছিক)
লেবেল পিছু পোস্ট সংখ্যা দেখাতে না চাইলে
(<data:label.count/>) অংশ মুছে দিন।
৭. কাস্টোমাইজেশন (ঐচ্ছিক)
'width:100%' এর স্হলে পাল্টাতে বা px ও দিতে পারেন।
বিভাগ নির্বাচন করুন
এর স্হলে যেকোন লেখা দিতে পারেন।
সাধারণত একটি Label (যাকে বাংলায়
আমরা সাধারণত বিভাগ বলে নাম দিই) এ ক্লিক করলে ঐ Label এ অর্ন্তভূক্ত সবগুলো পোস্ট
চলে আসে বিস্তারিত। ফলে পোস্টের সংখ্যা যদি অনেক বেশি হয় তখন এতগুলো পোস্ট একই পৃষ্ঠায়
জায়গা দিতে গিয়ে পৃষ্ঠা হয়ে যায় অনেক বড়। তদুপরি পৃষ্ঠা লোডিং হতেও অনেক সময়
যায়।
আপনি চাইলে এখন ব্লগারে (Blogger) এ নিয়ম
পাল্টাতে পারেন এবং সেটিংস এমন করতে পারবেন যাতে নির্দিষ্ট Label এ ক্লিক করলে
শুধু ঐ লেবেলাধীন পোস্টগুলোর শিরোনাম দেখাবে, পুরো পোস্ট নয়।
আসুন সহজ নিয়মটি জেনে নিই-
১. Blogger -এ লগইন করে লেআউটে যান।
২. টেমপ্লেটে যান
৩. ক্লি করুন Edit HTML বা বাংলায়
HTML সম্পাদনা
৪. ”Mark Expand Widgets” বা ”উইজিট টেমপ্লেটগুলি বিস্তৃত করুন” চেকবক্সটিতে ক্লিক দিন।
৫. Ctrl+F চাপুন। উপরে ডানপাশে
সার্চ করার জায়গা আসবে।
৬. <b:include data='post'
name='post'/> কোডটি লিখে সার্চ করুন।
৭. এই কোডকে নিচের কোড দ্বারা প্রতিস্হাপন
করে দিন।
<b:if cond='data:blog.homepageUrl
!= data:blog.url'>
<b:if cond='data:blog.pageType !=
"item"'>
<h3 class='post-title'><a
expr:href='data:post.url'><data:post.title/></a></h3>
<b:else/>
<b:include data='post'
name='post'/>
</b:if>
<b:else/>
<b:include data='post'
name='post'/>
</b:if>
৮. এবার সংরক্ষণ বা Preview বা পূর্বরূপ
দেখতে পারেন।
যদি ভুল করে ফেলেন তাহলে ”উইজিট টেমপ্লেটগুলি ডিফল্টে নিয়ে যান “ লেখায় ক্লি করুন। অতঃপর পুনরায়
করুন।
যেমন এই ব্লগের টিপস নামক বিভাগ
আমি নিজেই এই চেষ্টা করতে করতে অবশেষে
সমাধান পেলাম যা এখন শেয়ার করছি। ধরুণ আপনার দুটো ব্লগ আছে। আপনি কোন একটা ব্লগের
(বা দুটোরই) সাইডবারে বা পোস্ট আকারে বা কোন পৃষ্ঠায় অন্য ব্লগটির সাম্প্রতিক পোস্টগুলি
দেখাতে চান। তাহলে যা করতে হবে-
প্রথমেই শর্ত হলো গুগল ফিডবার্নারে আপনার
একাউন্ট থাকতে হবে। একাউন্ট খুলে আপনার যে ব্লগের পোস্ট শেয়ার করবেন সেটি ফিডবার্নারে
যুক্ত করুন।
এবার Publicize ট্যাবে ক্লিক করুন।
এবার “BuzzBoost” এ ক্লিক করুন।
এবারে ইচ্ছেমতো কাস্টোমাইজ করে
Activate এ ক্লি করে একটা কোড পাবেন। কোডটি এবার যেখানে ইচ্ছা-সাইডবার, পোস্ট বা পৃষ্ঠা
পেস্ট করে দিন।
মূল লেখা :আমারদেশ
সবাই চায় তার ওয়েবসাইটটি গুগল কিংবা বিংয়ের সার্চে সবচেয়ে ওপরের দিকে থাকুক। সেটা করতে গিয়েই একটি টার্ম খুব প্রচলিত। সেটা হলো সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও)। অর্থাত্ সার্চ ইঞ্জিনগুলো কীভাবে আপনার ওয়েবসাইটকে এনালাইসিস করছে এবং কীভাবে সেটা সার্চের ফলাফল হিসেবে নিয়ে আসছে, সেটা অপটিমাইজ করা। এর মূল উদ্দেশ্য হলো, কোনো কিছু দিয়ে গুগলে গিয়ে সার্চ করলে যেন আপনার পৃষ্ঠাটি প্রথমে চলে আসে। তাতে আপনার পৃষ্ঠায় ট্রাফিক বেশি আসবে। বেশি মানুষ আপনার ওয়েবসাইট ভিজিট করবে, যদিও পুরোপুরি সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজ করা একটি বেশ জটিল বিষয়। তবুও কিছু ছোট ছোট পদক্ষেপ আপনাকে অনেক সাহায্য করতে পারে। আর যারা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও) নিয়ে আউটসোর্সিং/ফ্রিল্যান্সিংয়ের কাজ করতে চান, তারা বেসিক বিষয়গুলো এখান থেকে জেনে নিতে পারেন।
প্রথমত : আপনি যে কাজটি করতে পারেন, তা হলো আপনার ওয়েবসাইটটির একটি গ্লোবাল অবস্থান (ranking) জেনে নিতে পারেন। এর জন্য মোটামুটি একটি ওয়েবসাইট হলো অ্যালেক্সা.কম (http://WWW.alexa.com)| বিখ্যাত অ্যামাজন.কম এই ওয়েবসাইটটি পরিচালনা করে থাকে। সেখানে গিয়ে যদি ওয়েবসাইটের ঠিকানাটি লিখে দিন, তাহলে দেখতে পাবেন সাইটের অবস্থান (ranking) কোথায়। তবে একটি বিষয় এখানে বলে রাখা ভালো যে, অ্যালেক্সাতে ওয়েবসাইটের অবস্থান পুরোপুরি সঠিক নয়। তবে মোটামুটি একটা ভালো গাইডলাইন পাওয়া বটে। আপনার লক্ষ্য হবে সেই অবস্থানটিতে ওপরের দিকে ওঠা; অর্থ্যাত্ ১ হলো সর্বোচ্চ অবস্থান। দশ হাজার হলো নিচের দিকের অবস্থান।
দ্বিতীয়ত : আপনার ওয়েবসাইটটি গুগল সার্চ ইঞ্জিনে রেজিস্ট্রেশন করুন। এটা করতে বিভিন্ন রকমের সফটওয়্যার পাওয়া যায়। সেগুলো ব্যবহার না করে, সরাসরি নিজেই কাজটি করতে পারেন এই ঠিকানায়—
http://www.google.com/addurl/?continue=/addurl
তৃতীয়ত : প্রতিটি ওয়েব পেজের একটি টাইটেল থাকে। সেই টাইটেলটি থেকে সার্চ ইঞ্জিন বুঝতে পারে, এই পৃষ্ঠাটি কিসের ওপর নির্মিত। এখানে আরেকটি কথা বলে নেয়া প্রয়োজন। বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনের রয়েছে রোবট, যা বিভিন্ন সময়ে গিয়ে বিভিন্ন ওয়েবসাইট স্বয়ংক্রিয়ভাবে পড়ে নিয়ে আসে। আমরা মানুষ যখন ইন্টারনেট ব্রাউজ করে ওয়েব পেজ ব্রাউজারে লোড করি, একইভাবে রোবটগুলো (মূলত সফটওয়্যার) বিভিন্ন ওয়েবসাইটে গিয়ে সব পৃষ্ঠা নিজের কাছে নিয়ে আসে। তারপর বিভিন্ন রকম অ্যালগরিদমের ভিত্তিতে সেই পৃষ্ঠাটিকে অ্যানালাইসিস করে থাকে। পৃষ্ঠার টাইটেল হলো তেমন একটি প্যারামিটার। এটা অনেকটা বাড়ির নামের মতো—বাড়ির নাম যদি হয় ‘নিরিবিলি’ তাহলে রোবট ধরেই নেবে, এই বাড়িটি হবে শান্ত ধরনের। আর বাড়ির নাম ‘নিরিবিলি’ দিয়ে কাজে দেখালেন হট্টগোল, তাহলে আপনি ধরা খেলেন। তাই টাইটেলটি হতে হবে অর্থবহ। কিন্তু টাইটেলে অযাচিত কি-ওয়ার্ড দিয়ে ভরে রাখবেন না। তাহলে ওগুলোকে স্প্যাম হিসেবে গণ্য করা হবে। আবার প্রতিটি পেজের টাইটেল যেন আবার একই না হয়।
চতুর্থত : যতটা সম্ভব আপনার যে কোনো পৃষ্ঠায় অন্য কিছু পুরনো পৃষ্ঠার লিংক দিন। এই লিংকগুলো থেকে রোবটগুলো বুঝতে পারে, এই পৃষ্ঠাটি ঠিক কিসের ওপর তৈরি করা। রোবটগুলো আমাদের ভাষা ততটা বুঝতে পারে না (কিছুটা পারে)। তাই এমন লিংক থেকে বুঝতে পারবে—কোথায় কোথায় এবং কোন কোন পৃষ্ঠার জন্য লিংক দিচ্ছেন। তার অর্থ হলো, এই পৃষ্ঠাতে নিশ্চই তেমন সব জরুরি বিষয় রয়েছে, নইলে আপনি লিংক দেবেন কেন? এই যুক্তিতে রোবটগুলো বুঝতে পারবে আপনার তৈরি পৃষ্ঠাটি কিসের ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।
পঞ্চমত : অন্যান্য ভালো ওয়েবসাইটের সঙ্গে সখ্য করুন। অর্থাত্ ভালো কোনো ওয়েবসাইট যদি আপনার ওয়েবসাইটকে তার কোনো লেখায় কিংবা পৃষ্ঠায় লিংক দেয়, তাহলে রোবট বুঝতে পারে আপনার ওয়েবপেজটি গুরুত্বপূর্ণ। যেমন ধরুন, সিএনএন কিংবা বিবিসি যদি আপনার কোনো পৃষ্ঠার লিংক তাদের কোনো পেজে ব্যবহার করে, তাহলে তার মূল্য অনেক বেশি হবে। তাই ভালো ভালো ওয়েবসাইটগুলোর সঙ্গে কাজ করার চেষ্টা করুন।
ষষ্ঠত : এবারে উল্টোটা দেখে নিন। ওপরের যেখানে বললাম যে, অন্য কোনো সাইট যদি আপনার সাইটের রেফারেন্স দিয়ে থাকে, তাহলে আপনার সাইটটির মান ভালো। এবারে আপনি করলেন কি, চালাকি করে নিজেই কিছু সাইট বানিয়ে কিংবা আপনার বন্ধুদের সাইট থেকে নিজের সাইটে লিংক দিলেন। অনেক সময় অনেকেই টাকার বিনিময়ে লিংক এক্সচেঞ্জ করে থাকে। এই ধরনের ওয়েবপেজগুলোর রেপুটেশন ভালো নয়। আপনার সাইট যদি সেই খারাপ রেপুটেশনের কোনো ওয়েবসাইটের সঙ্গে যুক্ত থাকে, তাহলে তার জন্য সাইটিও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই অসত্সঙ্গ পরিহার করুন।
সপ্তমত : ছবির সঙ্গে ্তুঅখঞ্থ ট্যাগটি ব্যবহার করুন। রোবটগুলো ছবি দেখে বুঝতে পারে না, এটা কিসের ছবি। কিন্তু আপনার অখঞ ট্যাগটি দিয়ে বলে দিতে পারেন, এই ছবিটি কিসের। তা অনেক উপকারে আসবে।
অষ্টমত : মাঝে মাঝে কিছু কিছু শব্দ বোল্ড করতে পারেন, কিন্তু খুব বেশি নয়। কারণ সেটা পাঠককে যেমন বিরক্ত করে, সেটা রোবটগুলোরও বিরক্তি তৈরি করে।
নবমত : সাইটটি যদি অনেক বড় হয়, তাহলে একটি ‘সাইট ম্যাপ’ তৈরি করতে পারেন। মনে রাখবেন, একটি ওয়েবসাইট মানুষের জন্য যতটা সুবিধার হবে, সার্চ ইঞ্জিন তাকেই খুঁজে বের করতে চাইবে। এই সরল বিষয়টি মাথায় রেখে কাজে নেমে যান।
দশমত : যারা ফ্রিল্যান্স কাজ করতে চান, তাদের একটি বড় চাহিদা হলো সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজ করা। হাজার হাজার ওয়েবসাইট তাদের পৃষ্ঠাকে সার্চ ইঞ্জিনের সবচেয়ে প্রথমে আনার চেষ্টা করে যাচ্ছে। তাই আপনার কাজ পেতে কোনো সমস্যা হবে না। আপনাদের যে কাজটি বেশি করতে হবে, তা হলো, ওয়েব পেজটি পড়ে সেখান থেকে যথার্থ কি-ওয়ার্ডগুলো বের করতে হবে। অর্থাত্ আপনাকে বুঝতে পারতে হবে, ওই পেজটি কোন বিষয়ের ওপর লেখা, ওটা কি একটি কসমেটিক্স পণ্যের ওপর, নাকি ওটা কোনো চিকিত্সা সংক্রান্ত ওয়েব পেজ। তারপর কি-ওয়ার্ডগুলো সেই পেজে বসিয়ে দিতে হবে।
আরো পোস্ট দেখতে পুরাতন পোস্টসমূহ লেখায় ক্লিক করুন